
সংবাদদাতা, গাজীপুর

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন ধরে যায়। চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের জেনারেটরের বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে করে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আপাতত ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে।
মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক ইমাম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী ট্রেনটি সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের একটু আগে জেনারেটরের বগিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দেখার পরপরই ট্রেনের চালক (লোকো মাস্টার) গতি কমিয়ে ট্রেন থামিয়ে ফেলেন। দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর ফোন কল করলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।’
মহুয়া ট্রেনের সহকারী লোকো মাস্টার চালক আজিজুল রহমান সায়বাদিকদের বলেন, ‘ট্রেনটি সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে ছাদে থাকা যাত্রীরা আগুন আগুন বলে ডাক চিৎকার শুরু করে। পরে আমি ট্রেনের গতি রোধ করে ট্রেনটি থামিয়ে দিই।’
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মী রেজাউল করিম বলেন, ‘ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।’

গাজীপুরের শ্রীপুরে মোহনগঞ্জগামী মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি বগিতে আগুন ধরে যায়। চলন্ত অবস্থায় ট্রেনের জেনারেটরের বগিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে করে।
আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) বেলা ১১টা ২৫ মিনিটের দিকে শ্রীপুর উপজেলার সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনের দক্ষিণ পাশে এ ঘটনা ঘটে। তবে আগুনে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। আপাতত ঢাকা-ময়মনসিংহ রেলপথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে।
মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকিট পরীক্ষক ইমাম হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা মোহনগঞ্জগামী ট্রেনটি সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনে প্রবেশের একটু আগে জেনারেটরের বগিতে আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুন দেখার পরপরই ট্রেনের চালক (লোকো মাস্টার) গতি কমিয়ে ট্রেন থামিয়ে ফেলেন। দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবার ৯৯৯ নম্বর ফোন কল করলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করে।’
মহুয়া ট্রেনের সহকারী লোকো মাস্টার চালক আজিজুল রহমান সায়বাদিকদের বলেন, ‘ট্রেনটি সাতখামাইর রেলওয়ে স্টেশনের কাছাকাছি পৌঁছালে ছাদে থাকা যাত্রীরা আগুন আগুন বলে ডাক চিৎকার শুরু করে। পরে আমি ট্রেনের গতি রোধ করে ট্রেনটি থামিয়ে দিই।’
শ্রীপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মী রেজাউল করিম বলেন, ‘ট্রেনে আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ শুরু করেছে। তাৎক্ষণিকভাবে হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।’
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।