
বিডিজেন ডেস্ক

নোয়াখালীতে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নোয়াখালী পৌর এলাকার ল ইয়ার্স কলোনির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
আটক গোলাম হোসেন বাবলু (৪৫) সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের অশ্বদিয়া ইউপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

Golam Hossain Bablu
পুলিশ জানায়, আটক বাবলু নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে বিভিন্ন ভূমিকা পালনের অভিযোগে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, গোলাম হোসেন বাবলুর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা

নোয়াখালীতে এক ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (১৫ জানুয়ারি) রাতে নোয়াখালী পৌর এলাকার ল ইয়ার্স কলোনির একটি বাসা থেকে তাকে আটক করা হয়।
খবর আজকের পত্রিকার।
আটক গোলাম হোসেন বাবলু (৪৫) সদর উপজেলার অশ্বদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন। পাশাপাশি তিনি আওয়ামী লীগের অশ্বদিয়া ইউপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।

Golam Hossain Bablu
পুলিশ জানায়, আটক বাবলু নোয়াখালী-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরীর অনুসারী ছিলেন। জেলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে বিভিন্ন ভূমিকা পালনের অভিযোগে রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, গোলাম হোসেন বাবলুর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সূত্র: আজকের পত্রিকা
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।