
বিডিজেন ডেস্ক

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ৪ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষর করেন।
যাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম, রেলওয়ে পুলিশ ঢাকায় সংযুক্ত ডিআইজি মো. মাহবুব আলম, শিল্পাঞ্চল পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মো. মনির হোসেন এবং পুলিশ টেলিকম ঢাকায় সংযুক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হলো। বিধি অনুযায়ী তারা অবসরসুবিধা প্রাপ্ত হবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন

পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ৪ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (২৭ জুলাই) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। এতে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষর করেন।
যাদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে, তারা হলেন ঢাকা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ে সংযুক্ত ডিআইজি আতিকা ইসলাম, রেলওয়ে পুলিশ ঢাকায় সংযুক্ত ডিআইজি মো. মাহবুব আলম, শিল্পাঞ্চল পুলিশে সংযুক্ত ডিআইজি মো. মনির হোসেন এবং পুলিশ টেলিকম ঢাকায় সংযুক্ত ডিআইজি এ কে এম নাহিদুল ইসলাম।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে তাদের সরকারি চাকরি থেকে অবসরে পাঠানো হলো। বিধি অনুযায়ী তারা অবসরসুবিধা প্রাপ্ত হবেন। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।
আরও পড়ুন
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।