
বিডিজেন ডেস্ক

এক বছর বন্ধ রাখার পর ঢাকা–টোকিও (নারিতা বিমানবন্দর) রুটের ফ্লাইট আবারও চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এই ফ্লাইট চালু হবে জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-টোকিও রুটে ফ্লাইট চালু করেছিল রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান। পরে ২০২৫ সালের ১ জুলাই তা বন্ধ করা হয়। তখন বন্ধের কারণ হিসেবে হজ ফ্লাইট, এয়ারক্রাফট স্বল্পতা ও ব্যবসায়িক বাস্তবতার কথা বলেছিল সংস্থাটি।
আফরোজা খানম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আপনারা অবগত আছেন যে, ২০২৫ সালের পয়লা জুলাই ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করে রাখা হয়েছিল, এটা আপনারা সবাই জানেন। আমরা সেটাকেই কিন্তু আবার ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।”
তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “২০ জুন থেকে আমরা টিকেটটা ওপেন করে দেব। নারিতা রুটের সকল টিকেট বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে, যেটা বিমানের ওয়েবসাইটসহ সকল ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অতএব নিশ্চিত হওয়া গেল যে, ২৭ তারিখে ফ্লাইটটা যাচ্ছে।”
নতুন করে ফ্লাইট চালুর আগে বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে কি না-জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “আমাদের এটা (নারিতা ফ্লাইট) কিন্তু পলিটিকাল কারণেই কিন্তু বন্ধ হয়েছে। আমাদের যখন ফ্লাইটটা লাভ করছিল...প্রথম দিকে আমরা কিছু লস করেছি, রান করেছি, ব্রেক ইভেনে এসেছি। তারপরে যখন তিন-চার মাস পর পর লাভ হচ্ছিল, তখনই কিন্তু ফ্লাইটটাকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এবং এটাই খুব আশ্চর্যজনক ব্যাপার যে, আমাদের দেশ নিয়ে আগের যে কোনো গভর্নমেন্ট, ফ্যাসিস্ট তো বাদ দেন, যে পূর্ববর্তী গভর্মেন্টও এই চিন্তাটি করে নাই যে, ফ্লাইটটি লাভ হচ্ছে, তখন কেন বন্ধ করব? তখন ফ্লাইটটি বন্ধ করা হয়েছিল।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন

এক বছর বন্ধ রাখার পর ঢাকা–টোকিও (নারিতা বিমানবন্দর) রুটের ফ্লাইট আবারও চালু করতে যাচ্ছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। আগামী ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে এই ফ্লাইট চালু হবে জানানো হয়েছে।
আজ সোমবার (১৫ জুন) সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।
২০২৩ সালের ১ সেপ্টেম্বর ঢাকা-টোকিও রুটে ফ্লাইট চালু করেছিল রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থা বিমান। পরে ২০২৫ সালের ১ জুলাই তা বন্ধ করা হয়। তখন বন্ধের কারণ হিসেবে হজ ফ্লাইট, এয়ারক্রাফট স্বল্পতা ও ব্যবসায়িক বাস্তবতার কথা বলেছিল সংস্থাটি।
আফরোজা খানম সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “আপনারা অবগত আছেন যে, ২০২৫ সালের পয়লা জুলাই ঢাকা-নারিতা-ঢাকা রুটে ফ্লাইট পরিচালনা স্থগিত করে রাখা হয়েছিল, এটা আপনারা সবাই জানেন। আমরা সেটাকেই কিন্তু আবার ফিরিয়ে আনতে চাচ্ছি।”
তিনি বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, “২০ জুন থেকে আমরা টিকেটটা ওপেন করে দেব। নারিতা রুটের সকল টিকেট বিক্রয় কার্যক্রম শুরু করা সম্ভব হবে, যেটা বিমানের ওয়েবসাইটসহ সকল ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে বিক্রয়ের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। অতএব নিশ্চিত হওয়া গেল যে, ২৭ তারিখে ফ্লাইটটা যাচ্ছে।”
নতুন করে ফ্লাইট চালুর আগে বাণিজ্যিক সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে কি না-জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত বলেন, “আমাদের এটা (নারিতা ফ্লাইট) কিন্তু পলিটিকাল কারণেই কিন্তু বন্ধ হয়েছে। আমাদের যখন ফ্লাইটটা লাভ করছিল...প্রথম দিকে আমরা কিছু লস করেছি, রান করেছি, ব্রেক ইভেনে এসেছি। তারপরে যখন তিন-চার মাস পর পর লাভ হচ্ছিল, তখনই কিন্তু ফ্লাইটটাকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এবং এটাই খুব আশ্চর্যজনক ব্যাপার যে, আমাদের দেশ নিয়ে আগের যে কোনো গভর্নমেন্ট, ফ্যাসিস্ট তো বাদ দেন, যে পূর্ববর্তী গভর্মেন্টও এই চিন্তাটি করে নাই যে, ফ্লাইটটি লাভ হচ্ছে, তখন কেন বন্ধ করব? তখন ফ্লাইটটি বন্ধ করা হয়েছিল।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও কাইজার সোহেল আহমেদ, উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মঈন উদ্দিন আহমেদ।
আরও পড়ুন
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ৩০ জুনের মধ্যে ফ্লাইট চালুর কথা বলা হলেও প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতার জন্য তা ২৭ জুলাইয়ের মধ্যে বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশ শুরু থেকেই সংযম দেখানো, উত্তেজনা কমানো এবং আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তির আহ্বান জানিয়ে এসেছে।
সরকার শুধু অদক্ষ শ্রমিক পাঠানোর সনাতন ধারা থেকে বেরিয়ে দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, আমরা শুধু শ্রমবাজারের বহুমুখীকরণই চাই না, বরং কর্মসংস্থানের ধরন এবং জনসংখ্যার বৈচিত্র্যও নিশ্চিত করতে চাই।