
বিডিজেন ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতদের গুলিতে রবিউল ইসলাম রণি নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ মে) বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলিতে নিহত হন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত রণি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুদিয়া গ্রামের গোলজার মোল্লার ছেলে।
রণির আত্মীয় তানভীর হোসেন আদনান জানান, ঘটনার সময় একটি ব্যাংকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন রণি। এ সময় নিকটস্থ একটি ব্যাংক ডাকাতি করে এলোপাথাড়ী গুলি ছোড়ে ডাকাতদল। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিউল ইসলাম রণি দীর্ঘ ২২ বছর সপরিবারে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন। সেখানে তার ব্যবসাও আছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ মে) রণির মরদেহ দেশে আসতে পারে।
আজ (বুধবার) সকালে এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাকাতদের গুলিতে প্রবাসে কেউ নিহত হয়েছেন এমন কোন খবর তার কাছে নেই। এ বিষয়ে বৈদেশিক মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মেসেজও পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকায় ডাকাতদের গুলিতে রবিউল ইসলাম রণি নামে এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। সোমবার (৫ মে) বাংলাদেশ সময় বেলা সাড়ে ১১টার দিকে গুলিতে নিহত হন তিনি।
খবর বার্তা সংস্থা ইউএনবির।
নিহত রণি ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার মনোহরপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুদিয়া গ্রামের গোলজার মোল্লার ছেলে।
রণির আত্মীয় তানভীর হোসেন আদনান জানান, ঘটনার সময় একটি ব্যাংকের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন রণি। এ সময় নিকটস্থ একটি ব্যাংক ডাকাতি করে এলোপাথাড়ী গুলি ছোড়ে ডাকাতদল। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি নিহত হন।
পারিবারিক সুত্রে জানা যায়, রবিউল ইসলাম রণি দীর্ঘ ২২ বছর সপরিবারে দক্ষিণ আফ্রিকায় বসবাস করছেন। সেখানে তার ব্যবসাও আছে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (৮ মে) রণির মরদেহ দেশে আসতে পারে।
আজ (বুধবার) সকালে এ বিষয়ে শৈলকুপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাসুম খানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ডাকাতদের গুলিতে প্রবাসে কেউ নিহত হয়েছেন এমন কোন খবর তার কাছে নেই। এ বিষয়ে বৈদেশিক মন্ত্রণালয় থেকে কোনো মেসেজও পাওয়া যায়নি বলে জানান তিনি।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।