
প্রতিবেদক, বিডিজেন

ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের কারণে আপাতত স্থগিত হয়ে আছে পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ-পিএসএল। তবে যুদ্ধ বিরতির পর নতুন করে পিএসএল শুরু করার তোরজোড় চলছে। এদিকে, সাকিব আল হাসান ডাক পেয়েছেন পিএসএল খেলার জন্য। বাংলাদেশি গণমাধ্যম সূত্রের খবর, লাহোর কালান্দার্স তাদের হয়ে পিএসএলের বাকি ম্যাচগুলো খেলার জন প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটারকে।
দেশের মাটিতে ফিরতে পারছেন না সাকিব। মাঠ নামতে পারছেন না বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়েও। সর্বশেষ আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজে সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত একদলীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন সাকিব। জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হাসিনা-সরকারের পতনের পর জাতীয় সংসদও বিলুপ্ত হয়। আগস্টে পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ খেলে ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে। তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আছে হত্যা মামলাও।
পিএসএলে লাহোর কালান্দার্স প্রস্তাব দেওয়ার পর সাকিব নিজেও নাকি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যোগাযোগ করে ছাড়পত্র চেয়েছেন। এমন একটা খবর দিয়েছে বাংলাদেশি নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্ট। ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৃহস্পতিবার।
লাহোর কালান্দার্সে এবারের পিএসএলের শুরু থেকেই খেলেছেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের মধ্যে অন্যান্য বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে তিনিও পাকিস্তান ছাড়েন। তবে নতুন করে পিএসএল শুরু হলে তিনি আবার পাকিস্তানে ফিরবেন কিনা, সেটি নিশ্চিত নয়। আন্তর্জাতিক সূচি একটা বড় কারণ।
পিএসএল সাকিবের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালে পিএসএলে প্রথম খেলেন তিনি। প্রথমবার ছিলেন করাচি কিংসে। এরপর পেশোয়ার জালমি আর লাহোর কালান্দার্সেও খেলেছেন।
মোট ১৪ ম্যাচ খেলেছেন পিএসএলে। পারফরম্যান্স অবশ্য বেশ গড়পড়তা। ব্যাট হাতে মাত্র ১৮১ রান (১৬.৩৬ গড়) তাঁর। উইকেট নিয়েছেন ৮টি (ইকোনমি ৭.৩৯)।

ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের কারণে আপাতত স্থগিত হয়ে আছে পাকিস্তানের ঘরোয়া টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ-পিএসএল। তবে যুদ্ধ বিরতির পর নতুন করে পিএসএল শুরু করার তোরজোড় চলছে। এদিকে, সাকিব আল হাসান ডাক পেয়েছেন পিএসএল খেলার জন্য। বাংলাদেশি গণমাধ্যম সূত্রের খবর, লাহোর কালান্দার্স তাদের হয়ে পিএসএলের বাকি ম্যাচগুলো খেলার জন প্রস্তাব দিয়েছে বাংলাদেশের এই তারকা ক্রিকেটারকে।
দেশের মাটিতে ফিরতে পারছেন না সাকিব। মাঠ নামতে পারছেন না বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়েও। সর্বশেষ আগস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে দুই টেস্ট সিরিজে সর্বশেষ জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত একদলীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য হয়েছিলেন সাকিব। জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হাসিনা-সরকারের পতনের পর জাতীয় সংসদও বিলুপ্ত হয়। আগস্টে পাকিস্তানের মাটিতে সিরিজ খেলে ফিরে যান যুক্তরাষ্ট্রে। তাঁর বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আছে হত্যা মামলাও।
পিএসএলে লাহোর কালান্দার্স প্রস্তাব দেওয়ার পর সাকিব নিজেও নাকি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে যোগাযোগ করে ছাড়পত্র চেয়েছেন। এমন একটা খবর দিয়েছে বাংলাদেশি নিউজ পোর্টাল ঢাকা পোস্ট। ক্রিকেট অপারেশনস বিভাগের একটি সূত্র ঢাকা পোস্টকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৃহস্পতিবার।
লাহোর কালান্দার্সে এবারের পিএসএলের শুরু থেকেই খেলেছেন বাংলাদেশের লেগ স্পিনার রিশাদ হোসেন। ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের মধ্যে অন্যান্য বিদেশি ক্রিকেটারের সঙ্গে তিনিও পাকিস্তান ছাড়েন। তবে নতুন করে পিএসএল শুরু হলে তিনি আবার পাকিস্তানে ফিরবেন কিনা, সেটি নিশ্চিত নয়। আন্তর্জাতিক সূচি একটা বড় কারণ।
পিএসএল সাকিবের জন্য নতুন কিছু নয়। ২০১৬ সালে পিএসএলে প্রথম খেলেন তিনি। প্রথমবার ছিলেন করাচি কিংসে। এরপর পেশোয়ার জালমি আর লাহোর কালান্দার্সেও খেলেছেন।
মোট ১৪ ম্যাচ খেলেছেন পিএসএলে। পারফরম্যান্স অবশ্য বেশ গড়পড়তা। ব্যাট হাতে মাত্র ১৮১ রান (১৬.৩৬ গড়) তাঁর। উইকেট নিয়েছেন ৮টি (ইকোনমি ৭.৩৯)।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।