
বিডিজেন ডেস্ক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে দফায় দফায় হামলা-সংঘর্ষের পর জারি করা কারফিউ আজ শনিবার (১৯ জুলাই) রাত ৮টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ কামরুজ্জামান এক ঘোষণায় এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, 'আজ শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ জনগণ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে।'
জেলা প্রশাসক আরও জানান, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে কারফিউ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বুধবার এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরে পরিস্থিতি অবনতির কারণে ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়।
পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে ওইদিন ৩ ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল রাখার পর আবারও দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়।
শুক্রবার গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক দ্বিতীয় দফায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বলবৎ রাখার ঘোষণা দেন। পরে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আবারও কারফিউ শিথিল করে শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জনগণের স্বাভাবিক চলাচলের অনুমতি দেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হলে কারফিউ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশকে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জে দফায় দফায় হামলা-সংঘর্ষের পর জারি করা কারফিউ আজ শনিবার (১৯ জুলাই) রাত ৮টা পর্যন্ত শিথিল করা হয়েছে।
শুক্রবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মুহম্মদ কামরুজ্জামান এক ঘোষণায় এই তথ্য জানান।
তিনি বলেন, 'আজ শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত সাধারণ জনগণ স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে।'
জেলা প্রশাসক আরও জানান, সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে কারফিউ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বুধবার এনসিপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে শহরের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট প্রথমে ১৪৪ ধারা জারি করেন। পরে পরিস্থিতি অবনতির কারণে ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে কারফিউ জারি করা হয়।
পরবর্তীতে বৃহস্পতিবার এক ব্রিফিংয়ে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী জানান, পরিস্থিতি বিবেচনায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে শুক্রবার সকাল ১১টা পর্যন্ত করা হয়েছে। তবে ওইদিন ৩ ঘণ্টার জন্য কারফিউ শিথিল রাখার পর আবারও দুপুর ২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তা কার্যকর করা হয়।
শুক্রবার গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসক দ্বিতীয় দফায় কারফিউর মেয়াদ বাড়িয়ে শনিবার সকাল ৬টা পর্যন্ত বলবৎ রাখার ঘোষণা দেন। পরে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে আবারও কারফিউ শিথিল করে শনিবার সকাল ৬টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত জনগণের স্বাভাবিক চলাচলের অনুমতি দেন তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজরদারি করছে।
পরিস্থিতি আরও স্থিতিশীল হলে কারফিউ পুরোপুরি তুলে নেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।