

প্রতিবেদক, বিডিজেন

চিত্রনায়িকা পরীমনি আদালতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তাঁর করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের শুনানি পিছিয়েছে।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের জানান, এই মামলায় পরীমনি আগেই আদালতে (ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯) সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার (২৬ মে) তাঁকে জেরা করার দিন ধার্য ছিল। পরীমনি সকালে আদালতে হাজির হন। আদালত তাঁকে দুপুর ৩টার দিকে আবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।
আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, পরীমনি সকালে আসার পর থেকে আদালত চত্বরেই গাড়ির ভেতরে অবস্থান করেছিলেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরও আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরীমনি ৩টার দিকে আদালতে হাজির হন। এদিকে পরীমনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর পক্ষ থেকে আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে।
এ মামলায় ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর পরীমনি আদালতে সাক্ষ্য দেন। সোমবার শুনানির সময় অভিযুক্ত নাসির ইউ মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী ও শাহ শহিদুল আলম আদালতে হাজির ছিলেন।

বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসিরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৪ জুন সাভার থানায় মামলা করেন পরীমনি। মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাসির, তুহিন সিদ্দিকী ও শাহ শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্র আমলে নেয় আদালত। ২০২২ সালের ১৮ মে ৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯।
মামলায় পরীমনি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন রাতে তাঁকে কৌশলে সাভারের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে ডেকে নিয়ে যান তাঁর পূর্বপরিচিত তুহিন। সেখানে তাঁকে জোর করে মদ পান করানোর চেষ্টা করেন নাসির। একপর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
এদিকে ওই ঘটনায় মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির। এ মামলায় জামিনে আছেন পরীমনি।
এ ছাড়া, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমনিসহ ৩ জনের বিচার চলছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ। মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

চিত্রনায়িকা পরীমনি আদালতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে তাঁর করা মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের শুনানি পিছিয়েছে।
পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সাংবাদিকদের জানান, এই মামলায় পরীমনি আগেই আদালতে (ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯) সাক্ষ্য দিয়েছেন। সোমবার (২৬ মে) তাঁকে জেরা করার দিন ধার্য ছিল। পরীমনি সকালে আদালতে হাজির হন। আদালত তাঁকে দুপুর ৩টার দিকে আবার আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়।
আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত বলেন, পরীমনি সকালে আসার পর থেকে আদালত চত্বরেই গাড়ির ভেতরে অবস্থান করেছিলেন। এতে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তারপরও আদালতের আদেশ অনুযায়ী পরীমনি ৩টার দিকে আদালতে হাজির হন। এদিকে পরীমনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাঁর পক্ষ থেকে আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করা হয়। আদালত আবেদন মঞ্জুর করে ৯ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ঠিক করেছে।
এ মামলায় ২০২২ সালের ২৯ নভেম্বর পরীমনি আদালতে সাক্ষ্য দেন। সোমবার শুনানির সময় অভিযুক্ত নাসির ইউ মাহমুদ, তুহিন সিদ্দিকী ও শাহ শহিদুল আলম আদালতে হাজির ছিলেন।

বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ব্যবসায়ী নাসিরসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৪ জুন সাভার থানায় মামলা করেন পরীমনি। মামলাটি তদন্ত করে ২০২১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর নাসির, তুহিন সিদ্দিকী ও শাহ শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্র আমলে নেয় আদালত। ২০২২ সালের ১৮ মে ৩ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯।
মামলায় পরীমনি অভিযোগ করেন, ২০২১ সালের ৮ জুন রাতে তাঁকে কৌশলে সাভারের বিরুলিয়ায় ঢাকা বোট ক্লাবে ডেকে নিয়ে যান তাঁর পূর্বপরিচিত তুহিন। সেখানে তাঁকে জোর করে মদ পান করানোর চেষ্টা করেন নাসির। একপর্যায়ে তাঁকে ধর্ষণ ও হত্যার চেষ্টা চালানো হয়।
এদিকে ওই ঘটনায় মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে ২০২২ সালের ১৮ জুলাই ঢাকার আদালতে নালিশি মামলা করেন ব্যবসায়ী নাসির। এ মামলায় জামিনে আছেন পরীমনি।
এ ছাড়া, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় পরীমনিসহ ৩ জনের বিচার চলছে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-১০-এ। মামলাটি সাক্ষ্য গ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।
৫ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৯ জন প্রবাসী ভোটার তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ভোটদান সম্পন্ন করেছেন ৪ লাখ ৭২ হাজার ৪১০ জন। এর মধ্যে ৩ লাখ ২৬ হাজার ২০টি পোস্টাল ব্যালট ইতিমধ্যে দেশে এসে পৌঁছেছে।
রাতের দুই দফা ভূমিকম্পেরই উৎপত্তিস্থল মিয়ানমার। রিখটার স্কেলে দুই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল যথাক্রমে ৫ দশমিক ৯ ও ৫ দশমিক ২। দেশের অনেক স্থানে এ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এ নিয়ে এক দিনে তিনবার কাঁপল বাংলাদেশ।
গ্লোবাল কমপ্যাক্ট ফর মাইগ্রেশন (জিসিএম) ন্যাপের সফট অ্যাডপশন বাংলাদেশের নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের অধিকার সুরক্ষায় দেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের প্রতিফলন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম)।
সালীম আহমাদ খান জানান, আজ বেলা ১২টা পর্যন্ত ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধনকারী প্রবাসীদের কাছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ৮৬২টি ব্যালট পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ৫ লাখ ২৪ হাজার ৮০ জন প্রবাসী তাদের ব্যালট গ্রহণ করেছেন এবং ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৭০৭ জন ইতিমধ্যে ভোটদান সম্পন্ন করেছেন।