
বিডিজেন ডেস্ক

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
রাজধানী ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হিযবুত তাহ্রীরের ওই দুই সদস্যের পরিচয় জানায়নি পুলিশ। তাদের কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাও জানানো হয়নি।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯-এর অধীনে হিযবুত তাহ্রীরকে নিষিদ্ধ করা হয়। ‘জননিরাপত্তার জন্য হুমকি’ এবং ‘দেশের আইনশৃঙ্খলাবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের সংগঠন ও কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়।

নিষিদ্ধ সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
রাজধানী ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করেছে সিটিটিসি।
শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকালে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে পাঠানো এক খুদে বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।
হিযবুত তাহ্রীরের ওই দুই সদস্যের পরিচয় জানায়নি পুলিশ। তাদের কোন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তাও জানানো হয়নি।
সন্ত্রাসবিরোধী আইন-২০০৯-এর অধীনে হিযবুত তাহ্রীরকে নিষিদ্ধ করা হয়। ‘জননিরাপত্তার জন্য হুমকি’ এবং ‘দেশের আইনশৃঙ্খলাবিরোধী’ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের সংগঠন ও কার্যক্রমকে নিষিদ্ধ করা হয়।
নিহতরা স্থানীয় একটি বকরি খামারে কর্মরত ছিলেন। প্রাথমিকভাবে নিহত বাংলাদেশিদের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের জসিম উদ্দিন, জিবাল উদ্দিন, মস্তাক আহমদ, জুবায়ের আহমদ ও কাদের আহমদ।
ব্যক্তিগত আয়কর কাঠামোর ক্ষেত্রে সিপিডি বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে। তারা দেখিয়েছে যে, বার্ষিক ৩০ লাখ টাকার বেশি আয়কারীদের তুলনায় নিম্ন আয়ের মানুষদের ওপর আনুপাতিকভাবে করের বোঝা বেশি বেড়েছে।
খলিলুর রহমান জানান, যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকরা যথাযথ কাগজপত্র ছাড়া কাজ করছেন, সেসব দেশের সঙ্গে বিভিন্ন পর্যায়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। সেসব দেশের আইন ও বিধি-বিধানের আওতায় যোগ্য ও কর্মরত বাংলাদেশিদের বৈধতার সুযোগ সম্প্রসারণে আমরা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
সিআইডির ভাষ্য অনুযায়ী, বৈধ রিক্রুটিং লাইসেন্স ও প্রয়োজনীয় অনুমোদন ছাড়াই অভিযুক্তরা বিদেশে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করছিলেন, যা অভিবাসী চোরাচালানের উদ্দেশ্যে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।