
শরীফুল আলম

যতকিছু অর্জন
ওখানে বর্জন
কেউ নয় কারও জন্য,
ত্যক্ত বিরক্ত আমি
তবুও হই ধন্য,
কত মন্দ
চলছে দ্বন্দ্ব
তবে কি আমি নগণ্য?
কত বঞ্চনা
তবুও করি তার বন্দনা
আমি নই পণ্য,
তুমি চতুর
তুমি শিকারি
মনে রেখ আমি নই ভিখারি,
এখানে ওখানে কত কানাকানি
সবি কি সত্য কাহিনি?
আমার অহংকার
আমার প্রেম, অপ্রেম কবিতা
তবুও তোমার নিরবতা,
সময় কভু যায় না ভুলে
শোধ নেয় সুদে মুলে,
লোকে কত কাহিনি কয়
আমি বলি ভুলবার নয়
পিরিতির কত সুখে পড়ি
সুখ কি ধরে রাখতে পারি?
পানসির কত যন্ত্রণা
উৎসুক যমুনা,
কত কথা মরে যায় প্রতিদিন
কল্পনাবিহীন
নৃতত্ত্ব কথা
তবে কি সকলই আমার ব্যথা?
মিহি শীতের রাতে
আওরঙ্গজেব মতো
পড়ে রই এক কাতে।
শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কনটেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]

যতকিছু অর্জন
ওখানে বর্জন
কেউ নয় কারও জন্য,
ত্যক্ত বিরক্ত আমি
তবুও হই ধন্য,
কত মন্দ
চলছে দ্বন্দ্ব
তবে কি আমি নগণ্য?
কত বঞ্চনা
তবুও করি তার বন্দনা
আমি নই পণ্য,
তুমি চতুর
তুমি শিকারি
মনে রেখ আমি নই ভিখারি,
এখানে ওখানে কত কানাকানি
সবি কি সত্য কাহিনি?
আমার অহংকার
আমার প্রেম, অপ্রেম কবিতা
তবুও তোমার নিরবতা,
সময় কভু যায় না ভুলে
শোধ নেয় সুদে মুলে,
লোকে কত কাহিনি কয়
আমি বলি ভুলবার নয়
পিরিতির কত সুখে পড়ি
সুখ কি ধরে রাখতে পারি?
পানসির কত যন্ত্রণা
উৎসুক যমুনা,
কত কথা মরে যায় প্রতিদিন
কল্পনাবিহীন
নৃতত্ত্ব কথা
তবে কি সকলই আমার ব্যথা?
মিহি শীতের রাতে
আওরঙ্গজেব মতো
পড়ে রই এক কাতে।
শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কনটেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]
রুয়ান্ডার সমাজে দীর্ঘদিন ধরে হুতু ও তুতসি পরিচয় বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এই পরিচয়কে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হলো, তখন একটি সাধারণ সামাজিক বিভাজন ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেয়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো নিজেদের একটি ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখব, নাকি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান কৌশলগত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করব? জি৭-এর বার্তা আসলে সেই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে।
এশিয়ান বাবাদের কত রকম বাহানা শুনি। এটা খেতে পারেন না তো ওটা করে দিতে হয়। আম্মি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর আমার আব্বু খুকির মার রান্না করা খাবার মাসের পর মাস খেয়েছেন, নিজের কাজ নিজে করেছেন, আমাদের একটা নিরাপদ জায়গায় মানুষ করেছেন। কোনো অভিযোগ শুনিনি।
পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি নাগরিক সচেতনতা। আমরা যদি বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখি, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হতে পারে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব।