logo
মতামত

চাঁদহাট গ্রাম হয়ে উঠল বৃন্দাবন

নিমাই সরকার১২ ঘণ্টা আগে
Copied!
চাঁদহাট গ্রাম হয়ে উঠল বৃন্দাবন
রিনা মিনা অষ্টসখী সম্প্রদায়ের নাম কীর্তন

পূজা রায় তখন আসরে। তিনি ঘটনার বিবরণ দিচ্ছেন।

কানাই বিদায় নেবে। তার আগে শ্রীদাম সুবলের ইচ্ছে, বন্ধুকে নিয়ে খেলবে। আনন্দের সময় কাটাবে। কানাই বলল, কাল আর দেখা হবে না। কারণ,কাল থেকে দ্বাপর যুগ শেষ হবে। এরপর শুরু হবে কলিযুগ। সময় যে খুব সংক্ষিপ্ত। পূজা বিষয়টিতে আলাদা গুরুত্ব দেন।

আয়োজনটি ছিল ফরিদপুরের চাঁদহাট গ্রামের পশ্চিমপাড়ায়। সর্বজনীন শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের সামনে। চিঠিতে আয়োজকদের লক্ষ্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। মানব কল্যাণ কামনার ব্রত নিয়ে তাদের এই উদ্যোগ।

দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে। তিনজন খ্যাতনামা লীলা কীর্তনিয়া দিয়েছিলেন তাদের উৎকৃষ্ট সময়।

নরোত্তম দাস ব্যাখ্যা করেন, ভালোবাসার প্রতিদান পায় মানুষ। ভালোবাসলে মৃত্যুর পরও তার জন্য আত্মীয় অনাত্মীয়রা কাঁদে। আর এই কান্নার জলে ভবনদী পার হওয়া যায়।

শিবের মতো স্বামী চাই। শিব বৈষ্ণব। যুক্তির কথা বলা হয় কথা কীর্তনে। নারী যদি নিজে বৈষ্ণব না হন তাহলে তার চাওয়া টেকে না।

লীলা কীর্তনে ফরিদপুরের কুমারী পূজা রায়
লীলা কীর্তনে ফরিদপুরের কুমারী পূজা রায়

অনেক শুভ কর্মের ফলে মানুষ সম্মান অর্জন করে। এই মর্যাদার নাগাল একদিনে পাওয়া যায় না। এর জন্য প্রচুর কাঠ খড় পোড়াতে হয়। নরোত্তম দৃষ্টান্ত দেন।

মালি আগাছা পরিষ্কার করে বাগানের শ্রী বৃদ্ধি করে। প্রভু ভক্তরা একইভাবে হরিনামে পরিশুদ্ধ হয়। প্রেম তার তাৎপর্যপূর্ণ উপাদান। প্রেম-ভক্তিতে ডাকলে সহজে ঈশ্বরের সান্নিধ্য পাওয়া যায়।

বৃন্দাবনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরলেন। এখনো এখানে কৃষ্ণ আসে গরু চরাতে। শিষ্যের প্রেম আছে, গুরুর তা নেই এমনও হতে পারে। একদিনের কথা। শিষ্যের কাছে দুধ চাইল রাই। এ যে ভক্তি-প্রেম। এই জোর বা আকর্ষণেই রাধারাণীর আবির্ভাব। সুযোগ হাতছাড়া করেনি শিষ্য। গুরুদেব এতদিন দেখা পায়নি রাধার। হায়রে! শিষ্যের দেহ ছুঁয়ে গুরুদেব প্রেমময় হয়ে উঠলেন। পরিবেশ ধন্য হলো।

লীলা কীর্তনে সাতক্ষীরার কুমারী আশালতা মণ্ডল
লীলা কীর্তনে সাতক্ষীরার কুমারী আশালতা মণ্ডল

প্রহ্লাদ সব কিছুতে ঈশ্বরের অস্তিত্ব অনুভব করেন। রাজা হিরণ্যকশিপু পুত্রের এই বিশ্বাসকে সহ্য করতে পারেন না। এই নিয়ে মতপার্থক্য যা ধ্বস্তাধ্বস্তিতে রূপ নেয়। একপর্যায়ে পিতার গায়ে আঘাত লাগে। প্রভু বললেন, একি করলে! অপরাধবোধে প্রহ্লাদ কাঁদতে থাকে। মুহূর্তে প্রভুর মত পরিবর্তন হয়। বলেন, তুমিতো মারবেই। প্রহ্লাদের মধ্যেও ভিন্ন এক চেতনার জন্ম নেয়। কথাগুলো বেরিয়ে আসে, পিতাকে নয় পাপীকে মেরেছি। হরিবোল হরিবোল বলে ভক্তরা নিজেদের বিলিয়ে দেয়। উলুধ্বনিতে মুখরিত হয় চারপাশ। চাঁদহাট গ্রাম হয়ে ওঠে বৃন্দাবন।

কৃষ্ণ লীলার আগে তিনদিন হয়েছে নাম কীর্তন।

বৈষ্ণব সম্প্রদায় বিশ্বাস করেন, ১৬ নাম ৩২ অক্ষরের মন্ত্রটি পবিত্র। এই মন্ত্রের মাধ্যমে শ্রীকৃষ্ণের সাথে সংযোগ স্থাপন করা যায়। তার প্রতি প্রেম ভক্তির প্রকাশ ঘটে। এই মন্ত্র মানসিক শান্তি দেয়। মন্ত্রের জোরে জীবনের বিভিন্ন সমস্যাও উৎরে যাওয়া যায়।

তারা নতুন খবরের দূত
তারা নতুন খবরের দূত

পথের পাগল সম্প্রদায়ের প্রধান দীনবন্ধু রায় মন্ত্রটি বিশ্লেষণ করেন।

মন্ত্র: "হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ, কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে। হরে রাম হরে রাম, রাম রাম হরে হরে॥"

হরে মানে—যিনি হরণ করেন। পাপ ও দুঃখ থেকে উদ্ধার করেন। হরিণী শক্তি, অর্থাৎ কৃষ্ণের প্রিয়তমা রাধা রানি ও ঈশ্বরের শক্তি। কৃষ্ণ মানে—পরমেশ্বর।

রাম হচ্ছেন আনন্দের প্রতীক, ভগবান রামচন্দ্র।

অর্থাৎ, এই মন্ত্রে আছে গভীর আকুলতা।

হে কৃষ্ণ! হে রাম! আমাদের দুঃখ পাপ দূর করে আপন প্রেম দান করো।

খালেক একাডেমির গণিত এবং বিজ্ঞানের শিক্ষক সুব্রত মন্ডল। তিনি হরিনাম সম্পর্কে বললেন। কলির অবতার শ্রীমান গৌরাঙ্গ মহাপ্রভু। তিনিই প্রিয় নিতাইকে দিয়ে ঘরে ঘরে বিলালেন মুক্তির মহামন্ত্র হরিনাম। আয়োজনের প্রশংসা করে বলেন, এখানে এসে ভগবানকে স্মরণ করতে পেরেছেন শ্রোতারা।

আসরে শ্রোতার মুখ

অনুপ সাহা সন্তুষ্ট গাম্ভীর্যপূর্ণ এই অনুষ্ঠানে এসে। বলেন,পরিবেশের মধ্য দিয়ে কৃষ্ণ, রাধারাণী, রাম, শিব–এর উপস্থিতি টের পেয়েছেন তিনি। ধন্য আমরা, ধন্য ভক্তকুল, অনেক আকুলতা তার।

অনুষ্ঠানের যোগাযোগে উজ্জ্বল সরকার এবং অনন্য বিশ্বাস বিশেষ দায়িত্ব পালন করেন। সাংগঠনিক কাজে শ্যাম সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখেন। লাকি হালদার উল্কা ও কৃষ্ণা সরকার ছিলেন লাগাতার তৎপর। সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণের মধ্য দিয়ে বিশাল ভক্তের এই নারীকূলকে আরও কাছাকাছি এনেছেন। তারা এ জন্য অতিথিদের ভালোবাসা কুড়িয়েছেন।

এক পর্যায়ে সান্ধ্যকালীন সংবাদ প্রচারিত হয় ভ্রাম্যমান কেন্দ্র থেকে। ... নদীয়ায় জগন্নাথ মিশ্র আর শচী দেবীর ঘরে জন্ম নেন শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ। যার আরেক নাম নিমাই। তার জন্ম তিথি দোলপূর্ণিমাকে ধরে এখানে ভিন্নধর্মী এক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। নিমাইকে আজ সবাই দেখছেন এই আঙিনায়। কানাই সরকারের বাড়িতে।

হ্যাঁ, তার সঙ্গে কথা বলেন একজন নিবিষ্ট ভক্ত এককালের সাবের মিয়া জসিমুদ্দিন হাইস্কুলের হেড মাস্টার সুশীল কুমার কুণ্ডু।

অভ্যর্থনা
অভ্যর্থনা

ধরে নেওয়া যায়, তার সঙ্গে কুশল বিনিময় হয়েছে। এর ভেতরকার খবরটি এমন, শচী দেবীর পুত্র এই আয়োজনে সন্তুষ্ট। বারবার এই অনুষ্ঠান হোক এই আশাবাদ ব্যক্ত কলিযুগের এই অবতারের কণ্ঠে। আরেক খবর, মানুষ এসেছে এই অনুষ্ঠানে বাঁধ ভাঙা বন্যার মতো। ভক্তরা এসেছেন ভাঙা থেকে, নগরকান্দা থেকে, ফরিদপুর, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী থেকে। এসেছেন শিবচর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ, রাজবাড়ি থেকে।

আয়োজনকে ধরে শিশু কিশোররা তাদের ভালোবাসার প্রকাশকে উচ্চমাত্রায় নিয়ে গেছে। সিভিল ইঞ্জিনিরিংয়ের শিক্ষার্থী দূর্বা জীবন সরকার বলেছেন, এই অনুষ্ঠানের সাথে আমি একাত্ম হয়ে গেছি। এবারের এসএসসি পরীক্ষার্থী ঐন্দ্রিলা সরকার। বলেছেন, এমন আনন্দের আয়োজন পরীক্ষার পড়াকে আরও বেগবান করবে। এই উদ্যোগের অন্যতম সদস্য বন্যা সরকার। আনন্দ নৃত্যে আমরা চার জোড়া শিল্পী পেয়েছি উল্লেখ করে তিনি তার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।

এখানে নৃত্য পরিবেশন করেছে ঐশী ও পূর্বা। এই পর্বে শিশু কিশোরদের আরও ছিল সীমা, স্মৃতি, ঋতু ও পূজা।

অধ্যাপক বিদ্যুৎ বিশ্বাস। নামযজ্ঞের প্রতিটি আয়োজনে তার ছিল উজ্জ্বল উপস্থিতি। প্রখ্যাত তিনটি দলের পরিবেশনা শুনেছেন। বলেন, নামের প্রতি আকর্ষণ থেকে রাগিণীতেও ভ্রমণের সুযোগ তৈরি হয়। তিনি এই দুটোর স্বাদই গ্রহণ করেছেন।

সমীর সাহার গ্রাম লখেররচর। কুশল বিনিময় হয়। ছোটবেলায় একসঙ্গে পড়াশোনা করেছি। এখন বড়বেলা। কথা হয় সংসার নিয়ে। ছেলে তার বুয়েট ইঞ্জিনিয়ার। বিসিএস দিয়ে এখন হয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। অভিনন্দন জানালাম।

বরিশাল মনোহর পাগল সম্প্রদায়ের কর্ণধার যুগল কৃষ্ণ হালদার। মেহেন্দিগঞ্জ থেকে আসা এই দলের কীর্তন শুনেছিলাম একবার।গোপালগঞ্জের বাহারায়। সেদিন আমি 'খমক' আবিষ্কার করি। দুই তার দিয়ে পেটের ভেতর থেকে টেনে আনা অংশটি কী সুন্দর করেই না সুর তোলে ! যুগল বলেন, সব জায়গায় বৃন্দাবন সাজানো সম্ভব হয় না। চাঁদহাটের মতো পল্লীতেই কেবল সেটা বাস্তব রূপ নিতে পারে।

মনোহর পাগল সম্প্রদায়ের নাম কীর্তন
মনোহর পাগল সম্প্রদায়ের নাম কীর্তন

লীলা কীর্তনিয়া আশালতা তখন ঈশ্বরের মাহাত্ম্য বর্ণনা করছেন। হরিনামের খেলায় কেউ হারে না। হরিনামের জন্য আলাদা মাঠের প্রয়োজন হয় না। হরিনাম মন পরিষ্কার করে। এতে সংসারের দুঃখগুলোও দূরীভূত হয়।

আয়োজনের শেষ দিনে কথা বলেন ‘প্রিয় সুধীজন’। সর্বজনীন এই আয়োজনের আহ্বায়ক কানাই সরকার। তিনি অনুষ্ঠান আয়োজনের ধারাবাহিকতা বহাল রাখার জন্য সবার 'পদধূলি' কামনা করেন। বৃহত্তর এই বাড়ির দুই সন্তান অস্ট্রেলিয়া থেকে যথাক্রমে ফার্মেসি এবং কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পাস করে ওখানেই চাকরি করছেন। তৃণা সরকার আর তুর্য সরকার তাদের নাম। আরেক গর্বের নাম পূর্বা উপেন্দ্র সরকার। কানাডায় ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছেন। তারও চাকরি টরন্টোতে। আহ্বায়ক তাদের জন্য সবার আশীর্বাদ প্রার্থনা করেন।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন নিমাই সরকার। রাজেন্দ্র কলেজ ফরিদপুর থেকে এসেছেন তিন গুণী অধ্যাপক। তারাও মঞ্চে কথা বলেন। দেবাশীষ দাস প্রার্থনা করেন, সনাতনীদের মধ্যে যেন কৃষ্ণভক্তি জাগ্রত থাকে। চন্দ্র মোহন হালদার গ্রামবাসীদের জন্য শুভ কামনা করেন। বিষ্ণুপদ সরকার এই ধাম—এই আশ্রমের কার্যক্রমের প্রশংসা করেন।

বক্তব্যে মুকসুদপুর কলেজের অধ্যাপক অমল দাশ মন্তব্য করেন, এই মাটি—এই গ্রাম একটি তীর্থস্থানের মর্যাদা পেয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, চাঁদহাট গ্রাম প্রকৃত অর্থেই বৃন্দাবন হয়ে উঠেছে।

রিনা মিনা অষ্টসখী সম্প্রদায়ের নাম কীর্তন
রিনা মিনা অষ্টসখী সম্প্রদায়ের নাম কীর্তন

লেখার শুরুটা হয়েছিল পূজা রায়ের হাত ধরে। পূজা ব্যক্তি জীবনে এখনো শিক্ষার্থী। রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান শেষ বর্ষে পড়ছেন। আসর পরিচালনায় তার মুন্সিয়ানায় সবাই সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

পূজার ঠোঁটে আধ্যাত্মিক বচন। আজ যার সাথে সংসারে সময় দিচ্ছো তাকে ছাড়তে হবে অল্প সময় পরেই। শ্রীদাম সুদাম উদ্বিগ্ন হয়ে ওঠে। এ জনমে আশা মেটে নাই। তাই কানাই , তোর চরণে নিবেদন জানাই। তুই কলিযুগে আমাদের নিস। আবার এলে যেন তোর মতো এমন ভক্ত সঙ্গে পাই। কানাইয়ের উদ্বেগও কম নয়। মা যে দেরি করে বসে আছে। শ্রীদামরে।...আমার যদি দেরি হয়ে যায়।

উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার যেন শেষ নেই। ভক্তরা কাঁদেন। কোলাকুলি করেন। আলোর ছটা যেন ভিন্ন চেহারা নেয়। হরিবোল হরিবোল উচ্চারিত হয়। এরই মধ্যে উলুধ্বনিতে শেষ হয় এ বছরের উদ্‌যাপন।

নিমাই সরকার: প্রকৌশলী ও কথাসাহিত্যিক

আরও দেখুন

চাঁদহাট গ্রাম হয়ে উঠল বৃন্দাবন

চাঁদহাট গ্রাম হয়ে উঠল বৃন্দাবন

দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে।

১২ ঘণ্টা আগে

প্রবাসে ঈদের তাকবিরেই চোখের কোণায় জল টলমল

প্রবাসে ঈদের তাকবিরেই চোখের কোণায় জল টলমল

আমার কাছে বিষ্ময়কর লাগে, মালয়েশিয়ার যত মসজিদে ঈদের তাকবির শুনেছি, মনে হয় সবার কণ্ঠ যেন একই! যেন রেকর্ড করা তাকবির বাজানো হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। সরাসরি তাকবির পাঠ করেন মসজিদের ঈমাম ও মুসল্লিরা। সবাই সেই মধুর সুরে। একই ছন্দে।

২ দিন আগে

কবিতা: ভালো নেই আমরা

কবিতা: ভালো নেই আমরা

নিজের বিপরীতে চলছি আমি/ ঘন অন্ধকার/ তুমি অদেখা ছায়া/ তুমি ছায়ার তরঙ্গ,/ তুমি আদি এবং মৌলিক/ উপলব্ধির বদল তুমি,/ স্বপ্ন, ওটা মিথ্যে/ অপ্রতিরোধ্য সত্য হলো জীবন্ত স্পন্দন।

১১ দিন আগে

জাতিসংঘ সংস্কার হোক, নাগরিক সমাজের কণ্ঠ রুদ্ধ করে নয়

জাতিসংঘ সংস্কার হোক, নাগরিক সমাজের কণ্ঠ রুদ্ধ করে নয়

বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার শক্তি আসে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি থেকে। নাগরিক সমাজকে বাদ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও বাস্তবে তা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হবে। ফলে জাতিসংঘ আরও দূরে সরে যাবে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে।

১১ দিন আগে