
শরীফুল আলম

আমিই এই শতাব্দীর স্বঘোষিত ঋষি
সময়ের প্রবল স্রোত আমার সম্মুখে,
আমি শব্দের জমিদার
কাঠঠোকরার অদৃশ্য দেয়াল,
আমি শাটল ট্রেন
চলতে চলতে থেমে যাই
কবিতার সাথে আমার কোনো বিরোধ নাই
তবুও কবিতা দিয়ে রঙ্গ বদলাই
কবিতা দিয়ে ভাষা বদলাই
আর তুমি দেখ দোয়েলের ওড়াউড়ি
আমি দেখি তার ডানার ক্ষত
তুমি বাতাসের উড়ে যাওয়া দেখ
আমি দেখি খড়কুটোয় উড়ে যাওয়া বাতাসের দ্বিধা
তুমি শুধু আকাশের মেঘ দেখ
আর আমি দেখি পাহাড়, উপত্যকার হাহাকার।
প্রেয়সী,
স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা
তুমি মৌসুম বোঝো
রাত্রি বোঝো না
তুমি বৃষ্টি বোঝো
রংধনু বোঝো না।
মিলনের আকুলতায় কী ভীষণ ঢেউ
তুমি অনুপ্রাস বোঝো না
তুমি মাত্রাবৃত্ত বোঝো না।
কত অনুভূতির বুনোহাঁস উড়ে যায়
তোমাকে প্রথম থেকে পড়েও তা শেষ হয় না
তুমি লাবণ্য সম্রাজ্ঞি, চিরযৌবনা
তুমি সাধুবাদ বোঝো, সাম্য বোঝো না
নিষিদ্ধ উপকথা তুমি বোঝো
অথচ নষ্ট কবিতা বোঝো না।
হাহাকার টইটুম্বুর এই জীবন,
আমি দুপুরের প্রখর
সোনালি বিকেল
আমি সন্ধ্যার তারা
বিছানার গন্ধ
তোমার শাড়ির ভাঁজ,
আমি আয়নার দূরত্ব
ভুলভাল কল্পনার অবকাশ
আমার একাকীত্ব এখন গহীনে।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: <[email protected]>

আমিই এই শতাব্দীর স্বঘোষিত ঋষি
সময়ের প্রবল স্রোত আমার সম্মুখে,
আমি শব্দের জমিদার
কাঠঠোকরার অদৃশ্য দেয়াল,
আমি শাটল ট্রেন
চলতে চলতে থেমে যাই
কবিতার সাথে আমার কোনো বিরোধ নাই
তবুও কবিতা দিয়ে রঙ্গ বদলাই
কবিতা দিয়ে ভাষা বদলাই
আর তুমি দেখ দোয়েলের ওড়াউড়ি
আমি দেখি তার ডানার ক্ষত
তুমি বাতাসের উড়ে যাওয়া দেখ
আমি দেখি খড়কুটোয় উড়ে যাওয়া বাতাসের দ্বিধা
তুমি শুধু আকাশের মেঘ দেখ
আর আমি দেখি পাহাড়, উপত্যকার হাহাকার।
প্রেয়সী,
স্বপ্ন, আশা, ভালোবাসা
তুমি মৌসুম বোঝো
রাত্রি বোঝো না
তুমি বৃষ্টি বোঝো
রংধনু বোঝো না।
মিলনের আকুলতায় কী ভীষণ ঢেউ
তুমি অনুপ্রাস বোঝো না
তুমি মাত্রাবৃত্ত বোঝো না।
কত অনুভূতির বুনোহাঁস উড়ে যায়
তোমাকে প্রথম থেকে পড়েও তা শেষ হয় না
তুমি লাবণ্য সম্রাজ্ঞি, চিরযৌবনা
তুমি সাধুবাদ বোঝো, সাম্য বোঝো না
নিষিদ্ধ উপকথা তুমি বোঝো
অথচ নষ্ট কবিতা বোঝো না।
হাহাকার টইটুম্বুর এই জীবন,
আমি দুপুরের প্রখর
সোনালি বিকেল
আমি সন্ধ্যার তারা
বিছানার গন্ধ
তোমার শাড়ির ভাঁজ,
আমি আয়নার দূরত্ব
ভুলভাল কল্পনার অবকাশ
আমার একাকীত্ব এখন গহীনে।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ এবং কলামিস্ট ও কবি। নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: <[email protected]>
দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে।
আমার কাছে বিষ্ময়কর লাগে, মালয়েশিয়ার যত মসজিদে ঈদের তাকবির শুনেছি, মনে হয় সবার কণ্ঠ যেন একই! যেন রেকর্ড করা তাকবির বাজানো হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। সরাসরি তাকবির পাঠ করেন মসজিদের ঈমাম ও মুসল্লিরা। সবাই সেই মধুর সুরে। একই ছন্দে।
নিজের বিপরীতে চলছি আমি/ ঘন অন্ধকার/ তুমি অদেখা ছায়া/ তুমি ছায়ার তরঙ্গ,/ তুমি আদি এবং মৌলিক/ উপলব্ধির বদল তুমি,/ স্বপ্ন, ওটা মিথ্যে/ অপ্রতিরোধ্য সত্য হলো জীবন্ত স্পন্দন।
বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার শক্তি আসে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি থেকে। নাগরিক সমাজকে বাদ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও বাস্তবে তা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হবে। ফলে জাতিসংঘ আরও দূরে সরে যাবে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে।