
শরীফুল আলম

যার দিকেই তাকাই,
মনে হয় সে যেন অন্যজন
চেনাজানা অথচ অচেনা রঙ্গ,
চেনা শব্দ অথচ কোনো সাড়া নেই,
মনে হয় সে আছে, অথচ সে নেই।
সময় ঘুরে যায়, সময় বদলায়
নক্ষত্রও দেখা যায় নদীর তলে
রূপালী জোছনা ভিজে যায় হিম অন্ধকারে
জানালা ভেঙ্গে রোদ আসে, কেঁপে কেঁপে ভয়ে ভয়ে
ধীরে ধীরে গিলে খায় ঝাঁঝালো আলো,
ঝলমলে এমন দিনে কেবল তোমার কথাই মনে পড়ে
মনে পড়ে সেদিনের উজ্জ্বল রঙিন ফানুস
শিষ দিতে দিতে শেষ হয় রাত
যেন পারস্য রজনী,
উপমা কী দেব তার?
ইরোটিকা? না প্রিয়াঙ্কা?
না বাংলার রেসেপি?
আভিজাত্য যাই থাকুক
তাতে ছদ্মবেশী গাঢ় দুর্বলতা আছে
আছে নতুন সুখের গন্ধ
শিবের সাপ নাচানো খেলা,
সে মহামায়া নয়, মোহমায়া
নামেতেই শরীর গরম হয়
মনে হয় রক্তে রোদ ঢুকে যাচ্ছে
নিলয়ে ঢোকার এই তো সময়,
পুষ্টি শুষে নেবে? নিক
তবুও মন পুকুরে ফিসফিস তরঙ্গ।
শব্দেরা যেন উপশমে বসেছে আজ সংগোপনে
নিজস্ব বোঝাপড়ায় সবুজ সভ্যতা
নড়েচড়ে উঠেছে স্বচ্ছ জলাশয়
কত সোহাগী শব্দ ওড়াউড়ি করে
খোঁড়া খুঁড়ি করে শ্যামল ব্যাকুলতা
সারসের মতো সে যেন কিছু বলতে চায়।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। কলামিস্ট ও কবি। ইমেইল: [email protected]

যার দিকেই তাকাই,
মনে হয় সে যেন অন্যজন
চেনাজানা অথচ অচেনা রঙ্গ,
চেনা শব্দ অথচ কোনো সাড়া নেই,
মনে হয় সে আছে, অথচ সে নেই।
সময় ঘুরে যায়, সময় বদলায়
নক্ষত্রও দেখা যায় নদীর তলে
রূপালী জোছনা ভিজে যায় হিম অন্ধকারে
জানালা ভেঙ্গে রোদ আসে, কেঁপে কেঁপে ভয়ে ভয়ে
ধীরে ধীরে গিলে খায় ঝাঁঝালো আলো,
ঝলমলে এমন দিনে কেবল তোমার কথাই মনে পড়ে
মনে পড়ে সেদিনের উজ্জ্বল রঙিন ফানুস
শিষ দিতে দিতে শেষ হয় রাত
যেন পারস্য রজনী,
উপমা কী দেব তার?
ইরোটিকা? না প্রিয়াঙ্কা?
না বাংলার রেসেপি?
আভিজাত্য যাই থাকুক
তাতে ছদ্মবেশী গাঢ় দুর্বলতা আছে
আছে নতুন সুখের গন্ধ
শিবের সাপ নাচানো খেলা,
সে মহামায়া নয়, মোহমায়া
নামেতেই শরীর গরম হয়
মনে হয় রক্তে রোদ ঢুকে যাচ্ছে
নিলয়ে ঢোকার এই তো সময়,
পুষ্টি শুষে নেবে? নিক
তবুও মন পুকুরে ফিসফিস তরঙ্গ।
শব্দেরা যেন উপশমে বসেছে আজ সংগোপনে
নিজস্ব বোঝাপড়ায় সবুজ সভ্যতা
নড়েচড়ে উঠেছে স্বচ্ছ জলাশয়
কত সোহাগী শব্দ ওড়াউড়ি করে
খোঁড়া খুঁড়ি করে শ্যামল ব্যাকুলতা
সারসের মতো সে যেন কিছু বলতে চায়।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। কলামিস্ট ও কবি। ইমেইল: [email protected]
দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে।
আমার কাছে বিষ্ময়কর লাগে, মালয়েশিয়ার যত মসজিদে ঈদের তাকবির শুনেছি, মনে হয় সবার কণ্ঠ যেন একই! যেন রেকর্ড করা তাকবির বাজানো হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। সরাসরি তাকবির পাঠ করেন মসজিদের ঈমাম ও মুসল্লিরা। সবাই সেই মধুর সুরে। একই ছন্দে।
নিজের বিপরীতে চলছি আমি/ ঘন অন্ধকার/ তুমি অদেখা ছায়া/ তুমি ছায়ার তরঙ্গ,/ তুমি আদি এবং মৌলিক/ উপলব্ধির বদল তুমি,/ স্বপ্ন, ওটা মিথ্যে/ অপ্রতিরোধ্য সত্য হলো জীবন্ত স্পন্দন।
বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার শক্তি আসে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি থেকে। নাগরিক সমাজকে বাদ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও বাস্তবে তা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হবে। ফলে জাতিসংঘ আরও দূরে সরে যাবে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে।