
সহিদুল আলম স্বপন

পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তারা আজ নিঃশব্দ,
দূর ইউরোপের নীল নদীর গানে ভেসে যায় স্মৃতি।
দানিয়ুবের তীরে দাঁড়িয়ে আমি শুনি
জলের ভাষা বদলায়, কিন্তু আকুলতা নয়।
রোমের পুরোনো দেয়ালে ঝুলে আছে সময়,
অস্ট্রিয়ার আকাশে ভেসে ওঠে বাংলা বিকেলের আলো,
বুদাপেস্টের বাতাসে কোথাও মিশে আছে
শীতলক্ষ্যার এক অদেখা দীর্ঘশ্বাস।
ইতিহাস এখানে মার্বেলের মতো ঠান্ডা,
তবু তার ভিতরে বেজে ওঠে উষ্ণ নদীর ধ্বনি।
একজন ভিয়েনীয় কবি জিজ্ঞেস করেন
“তোমার নদীগুলো কি আজও গান গায়?”
আমি হেসে বলি—
“তারা এখনো ভালোবাসে, কিন্তু মুখে কিছু বলে না।”
দানিয়ুবের জলে দেখি পদ্মার প্রতিবিম্ব,
একটি কাব্যের ভাঙা ছায়া, এক নারী, এক দেশ,
আর আমি ইতিহাসের এক ভাসমান বিন্দু,
যে খোঁজে নদীর ভেতর নিজের অর্থ।
রোমান্স এখানে নেই কোনো নামের সঙ্গে,
বরং আছে সেই নোনা গন্ধ
যেখানে প্রেম, দেশ, আর স্মৃতি
সব মিলেমিশে যায় এক অনন্ত বিমূর্ততায়।
জল, সময়, মানুষ
সবাই মিশে গেছে এক অচেনা নীলতায়,
যেখানে পদ্মা আর দানিয়ুব
একই স্রোতে লিখে যায়
এক অবিরাম, আধুনিক কাব্য।
(কবিতাটি হাঙ্গেরি বুদাপেস্টে লেখা)
*লেখক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংকিং আর্থিক অপরাধ বিশেষজ্ঞ এবং কলামিস্ট ও কবি

পদ্মা, মেঘনা, যমুনা তারা আজ নিঃশব্দ,
দূর ইউরোপের নীল নদীর গানে ভেসে যায় স্মৃতি।
দানিয়ুবের তীরে দাঁড়িয়ে আমি শুনি
জলের ভাষা বদলায়, কিন্তু আকুলতা নয়।
রোমের পুরোনো দেয়ালে ঝুলে আছে সময়,
অস্ট্রিয়ার আকাশে ভেসে ওঠে বাংলা বিকেলের আলো,
বুদাপেস্টের বাতাসে কোথাও মিশে আছে
শীতলক্ষ্যার এক অদেখা দীর্ঘশ্বাস।
ইতিহাস এখানে মার্বেলের মতো ঠান্ডা,
তবু তার ভিতরে বেজে ওঠে উষ্ণ নদীর ধ্বনি।
একজন ভিয়েনীয় কবি জিজ্ঞেস করেন
“তোমার নদীগুলো কি আজও গান গায়?”
আমি হেসে বলি—
“তারা এখনো ভালোবাসে, কিন্তু মুখে কিছু বলে না।”
দানিয়ুবের জলে দেখি পদ্মার প্রতিবিম্ব,
একটি কাব্যের ভাঙা ছায়া, এক নারী, এক দেশ,
আর আমি ইতিহাসের এক ভাসমান বিন্দু,
যে খোঁজে নদীর ভেতর নিজের অর্থ।
রোমান্স এখানে নেই কোনো নামের সঙ্গে,
বরং আছে সেই নোনা গন্ধ
যেখানে প্রেম, দেশ, আর স্মৃতি
সব মিলেমিশে যায় এক অনন্ত বিমূর্ততায়।
জল, সময়, মানুষ
সবাই মিশে গেছে এক অচেনা নীলতায়,
যেখানে পদ্মা আর দানিয়ুব
একই স্রোতে লিখে যায়
এক অবিরাম, আধুনিক কাব্য।
(কবিতাটি হাঙ্গেরি বুদাপেস্টে লেখা)
*লেখক সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বেসরকারি ব্যাংকিং আর্থিক অপরাধ বিশেষজ্ঞ এবং কলামিস্ট ও কবি
রুয়ান্ডার সমাজে দীর্ঘদিন ধরে হুতু ও তুতসি পরিচয় বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এই পরিচয়কে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হলো, তখন একটি সাধারণ সামাজিক বিভাজন ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেয়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো নিজেদের একটি ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখব, নাকি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান কৌশলগত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করব? জি৭-এর বার্তা আসলে সেই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে।
এশিয়ান বাবাদের কত রকম বাহানা শুনি। এটা খেতে পারেন না তো ওটা করে দিতে হয়। আম্মি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর আমার আব্বু খুকির মার রান্না করা খাবার মাসের পর মাস খেয়েছেন, নিজের কাজ নিজে করেছেন, আমাদের একটা নিরাপদ জায়গায় মানুষ করেছেন। কোনো অভিযোগ শুনিনি।
পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি নাগরিক সচেতনতা। আমরা যদি বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখি, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হতে পারে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব।