
শরীফুল আলম

আমি অদ্বিতীয় সাক্ষী
আমি রাত্রি নাগরিক
আমি বাধ্যতামূলক আরাম প্রত্যাশী
আমি মোচড় দিয়েই তোমার কাছে আসি।
তুমি নীলাকাশ, অসীম রহস্য, এক সাহস
তুমি সাগর
আমি ক্ষুদ্র পাতা হয়ে উড়ে যাই অনন্ত আকাশে।
আমার কষ্ট হয়,
আমারও কষ্ট হয় তোমার বিপরীতে,
কষ্টেরও যে প্রতাপ আছে
উন্মাদ প্রলাপ আছে,
দামাল ঝড়ে আমি নিজেকে টুকরো করি
নিজেকে আড়াল করি,
নিষিদ্ধ অতলে কস্তূরি তুমি
তুমি ক্লান্ত প্রাণ এক জানি,
একদিন আমিও উদ্ধত হবো
আমার অক্ষম ঠোঁট তোমার দূরাগত ঢেউয়ে,
আরতি বল কিম্বা বাংলাব্যান্ড
মেলোডি থমকে আছে কতদিন
শুধু সময় থামে না,
অদৃশ্য খালি বুক, চিহ্ন রেখে আমি হেঁটে যাই সম্মুখে
কিছু শর্ত, আর কিছু প্রয়োজন
আছে অভিমান
জানি পূর্ণতা বড়ই ক্লান্তিকর
তবু জানি একদিন আমারও কোলাহল থামবে
থেকে যাবে কিছু বিরহ
তোমার আমার মিল
অমবস্যা কিম্বা পূর্ণিমার চাঁদ
যেমন তোলে সমুদ্রের বুক কাঁপিয়ে জোয়ার ভাটা
তেমনি তুমিও তোল আমার বুকে ,
বহুদিন জলশূন্য নদী
আমি বৃষ্টি ভালোবাসি
আর সেই বৃষ্টিতেই ভিজে আজ
তুমি জ্বর বাঁধিয়েছো সখী।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ, কলামিস্ট ও কবি নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]

আমি অদ্বিতীয় সাক্ষী
আমি রাত্রি নাগরিক
আমি বাধ্যতামূলক আরাম প্রত্যাশী
আমি মোচড় দিয়েই তোমার কাছে আসি।
তুমি নীলাকাশ, অসীম রহস্য, এক সাহস
তুমি সাগর
আমি ক্ষুদ্র পাতা হয়ে উড়ে যাই অনন্ত আকাশে।
আমার কষ্ট হয়,
আমারও কষ্ট হয় তোমার বিপরীতে,
কষ্টেরও যে প্রতাপ আছে
উন্মাদ প্রলাপ আছে,
দামাল ঝড়ে আমি নিজেকে টুকরো করি
নিজেকে আড়াল করি,
নিষিদ্ধ অতলে কস্তূরি তুমি
তুমি ক্লান্ত প্রাণ এক জানি,
একদিন আমিও উদ্ধত হবো
আমার অক্ষম ঠোঁট তোমার দূরাগত ঢেউয়ে,
আরতি বল কিম্বা বাংলাব্যান্ড
মেলোডি থমকে আছে কতদিন
শুধু সময় থামে না,
অদৃশ্য খালি বুক, চিহ্ন রেখে আমি হেঁটে যাই সম্মুখে
কিছু শর্ত, আর কিছু প্রয়োজন
আছে অভিমান
জানি পূর্ণতা বড়ই ক্লান্তিকর
তবু জানি একদিন আমারও কোলাহল থামবে
থেকে যাবে কিছু বিরহ
তোমার আমার মিল
অমবস্যা কিম্বা পূর্ণিমার চাঁদ
যেমন তোলে সমুদ্রের বুক কাঁপিয়ে জোয়ার ভাটা
তেমনি তুমিও তোল আমার বুকে ,
বহুদিন জলশূন্য নদী
আমি বৃষ্টি ভালোবাসি
আর সেই বৃষ্টিতেই ভিজে আজ
তুমি জ্বর বাঁধিয়েছো সখী।
*শরীফুল আলম: বোর্ড মেম্বার, পিভিসি কন্টেইনার করপোরেশন ইএসএ, কলামিস্ট ও কবি নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। ইমেইল: [email protected]
রুয়ান্ডার সমাজে দীর্ঘদিন ধরে হুতু ও তুতসি পরিচয় বিদ্যমান ছিল। কিন্তু এই পরিচয়কে যখন রাজনৈতিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা শুরু হলো, তখন একটি সাধারণ সামাজিক বিভাজন ভয়াবহ সংঘাতে রূপ নেয়।
বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো, আমরা কি এখনো নিজেদের একটি ক্ষুদ্র উন্নয়নশীল অর্থনীতি হিসেবে দেখব, নাকি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের উদীয়মান কৌশলগত রাষ্ট্র হিসেবে নিজেদের অবস্থান পুনর্নির্ধারণ করব? জি৭-এর বার্তা আসলে সেই প্রশ্নটিই নতুন করে সামনে এনেছে।
এশিয়ান বাবাদের কত রকম বাহানা শুনি। এটা খেতে পারেন না তো ওটা করে দিতে হয়। আম্মি চাকরিতে চলে যাওয়ার পর আমার আব্বু খুকির মার রান্না করা খাবার মাসের পর মাস খেয়েছেন, নিজের কাজ নিজে করেছেন, আমাদের একটা নিরাপদ জায়গায় মানুষ করেছেন। কোনো অভিযোগ শুনিনি।
পরিচ্ছন্ন ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তুলতে প্রয়োজন সঠিক পরিকল্পনা, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি নাগরিক সচেতনতা। আমরা যদি বর্জ্যকে সমস্যা নয়, সম্পদ হিসেবে দেখতে শিখি, তবে ভবিষ্যতের বাংলাদেশ হতে পারে আরও পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও পরিবেশবান্ধব।