
মঞ্জুর চৌধুরী

ঘটনাটা এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা।
আমেরিকার এক স্টেটে (রাজ্য) এক বাঙাল থাকতে এসেছে। এসে রেস্টুরেন্টে চাকরি নিয়েছে। মাঝে মাঝে পার্কে বেড়াতে যায়। পার্কে রাজহাঁস ঘুরে বেড়ায়। দুনিয়ার অন্য দেশের দর্শনার্থীরা হাঁস দেখে মুগ্ধ হয়, ছবি তোলে।
বাঙালের মনে প্রশ্ন আসে, ‘একটি যদি ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলি, সমস্যা কী? কেউতো দেখছে না। আর দেখলেই বা কী? এগুলোতো কারওর বাড়ির পোষা হাঁস না। সরকারি মাল, দরিয়ামে ডাল!’
একদিন বাঙাল সুযোগ বুঝে আস্ত একটা রাজহাঁস ধরে বাড়িতে নিয়ে এল। ‘বিসমিল্লাহ’ বলে জবাই করল। কোনো প্রাণীকে বিসমিল্লাহ বলে জবাই না করলে সেটা আবার হালাল হয়না। বিদেশে এসে ‘হারাম’ খেলে ধর্মভ্রষ্ট হয়ে যাবে। চুরির মাল? ইয়ে, এত গভীরে চিন্তা করবেন না! ঘটনায় মনোযোগ দিন।
ধুয়ে মুছে বেশি বেশি মশলা দিয়ে অনেকক্ষণ ধরে কষিয়ে রান্না করে তৃপ্তি সহকারে কয়েক দিন খেল।
প্রথম হাঁসের মাংস খাওয়া শেষ হলে আরেকটা ধরে আনল। পার্কে হাঁসের অভাব নেই। ফ্রিতে রাজহাঁস খেতে কার না ভালো লাগে? বাইরে থেকে কিনতে গেলে ১০০ ডলারতো মিনিমাম যাবেই।
এইভাবে ওই বাঙাল কিছুদিন নিজে খেল।
তারপরে একদিন সে যে রেস্টুরেন্টে কাজ করত, সেখানে বাঙাল কলিগদের বলল রাজহাঁস খাবে কি না।
ভুনা রাজহাঁসের মাংস কোন বাঙালি না করবে? ওরাও খেল।
কয়েক দিন এইভাবে খাওয়ার পরে মাথায় এল ব্যবসায়িক চিন্তা। দেশের সবাই উদ্যোক্তা হয়ে যাচ্ছে, আমি মার্কিন মুল্লুকে এসে কতদিন রেস্টুরেন্টের ডেকচি পাতিল মাজব? রাজহাঁসের মাংস বিক্রি করব। তা থেকে যা টাকা আসবে, তা জমিয়ে আমি নিজের রেস্টুরেন্ট খুলব। তারপরে সেই রেস্টুরেন্টের লাভের টাকায় আরেকটা রেস্টুরেন্ট। তারপর আরেকটা। এইভাবে গোটা আমেরিকা ছাড়িয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে যাবে আমার রাজহাঁসের রেস্টুরেন্ট। কেএফসির বুড়ার মতোন আমার ছবিও বিলবোর্ডের শোভা বাড়াবে। হলিউডের সেলিব্রেটি তরুণীরা গাড়ির কাচ নামিয়ে সেই বিলবোর্ডের ছবি দেখে বলবে ‘ওয়াও’ কত হ্যান্ডসাম এই যুবক! এ যদি আমার জীবনে চলে আসত, তাহলে লাইফে আর কিছু চাওয়ার থাকবে না।;
ওই বাঙালকে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আত্মীয়-ঘটকেরা তার মোবাইল ফোনে কল করবে, কিন্তু সে ব্যস্ততার কারণে ধরবে না।
রেস্টুরেন্টে কাস্টমার আসে, তাদেরকে সে বলে, ‘ভুনা রাজহাঁস খাবেন?’
কাস্টমার জিভে জল এনে বলে, ‘মেনুতেতো দেখছি না!’
‘ওটা ইস্পিশাল আইটেম। খাইলে বলেন, এনে দেব। দাম এত।
কাস্টমার ভুনা রাজহাঁস খায়।
ব্যবসা চলতে থাকে। স্বপ্নের পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে থাকে সে।
এদিকে পার্কে রেঞ্জার এক সময় লক্ষ্য করে রাজহাঁসের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে। তারা তদন্তে নামে এবং চোরচক্রকে গ্রেপ্তার করে।
সেদিনই সেই বাঙালের মন থেকে আমেরিকার ওপর থেকে সব বিশ্বাস, ভালোবাসা, ভক্তি গায়েব হয়ে যায়। কিসের স্বপ্নের দেশ? কিসের দুনিয়ার সেরা অর্থনীতি? সামান্য রাজহাঁস খাওয়ার জন্য যে সরকার এত ঝামেলা করে, এর চেয়ে ছোটলোক দুনিয়ায় আর কেউ আছে?
আর আপনারা অবাক হচ্ছেন সিলেটের সাদা পাথর গায়েব হলো কীভাবে?

ঘটনাটা এক বড় ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা।
আমেরিকার এক স্টেটে (রাজ্য) এক বাঙাল থাকতে এসেছে। এসে রেস্টুরেন্টে চাকরি নিয়েছে। মাঝে মাঝে পার্কে বেড়াতে যায়। পার্কে রাজহাঁস ঘুরে বেড়ায়। দুনিয়ার অন্য দেশের দর্শনার্থীরা হাঁস দেখে মুগ্ধ হয়, ছবি তোলে।
বাঙালের মনে প্রশ্ন আসে, ‘একটি যদি ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলি, সমস্যা কী? কেউতো দেখছে না। আর দেখলেই বা কী? এগুলোতো কারওর বাড়ির পোষা হাঁস না। সরকারি মাল, দরিয়ামে ডাল!’
একদিন বাঙাল সুযোগ বুঝে আস্ত একটা রাজহাঁস ধরে বাড়িতে নিয়ে এল। ‘বিসমিল্লাহ’ বলে জবাই করল। কোনো প্রাণীকে বিসমিল্লাহ বলে জবাই না করলে সেটা আবার হালাল হয়না। বিদেশে এসে ‘হারাম’ খেলে ধর্মভ্রষ্ট হয়ে যাবে। চুরির মাল? ইয়ে, এত গভীরে চিন্তা করবেন না! ঘটনায় মনোযোগ দিন।
ধুয়ে মুছে বেশি বেশি মশলা দিয়ে অনেকক্ষণ ধরে কষিয়ে রান্না করে তৃপ্তি সহকারে কয়েক দিন খেল।
প্রথম হাঁসের মাংস খাওয়া শেষ হলে আরেকটা ধরে আনল। পার্কে হাঁসের অভাব নেই। ফ্রিতে রাজহাঁস খেতে কার না ভালো লাগে? বাইরে থেকে কিনতে গেলে ১০০ ডলারতো মিনিমাম যাবেই।
এইভাবে ওই বাঙাল কিছুদিন নিজে খেল।
তারপরে একদিন সে যে রেস্টুরেন্টে কাজ করত, সেখানে বাঙাল কলিগদের বলল রাজহাঁস খাবে কি না।
ভুনা রাজহাঁসের মাংস কোন বাঙালি না করবে? ওরাও খেল।
কয়েক দিন এইভাবে খাওয়ার পরে মাথায় এল ব্যবসায়িক চিন্তা। দেশের সবাই উদ্যোক্তা হয়ে যাচ্ছে, আমি মার্কিন মুল্লুকে এসে কতদিন রেস্টুরেন্টের ডেকচি পাতিল মাজব? রাজহাঁসের মাংস বিক্রি করব। তা থেকে যা টাকা আসবে, তা জমিয়ে আমি নিজের রেস্টুরেন্ট খুলব। তারপরে সেই রেস্টুরেন্টের লাভের টাকায় আরেকটা রেস্টুরেন্ট। তারপর আরেকটা। এইভাবে গোটা আমেরিকা ছাড়িয়ে বিশ্বময় ছড়িয়ে যাবে আমার রাজহাঁসের রেস্টুরেন্ট। কেএফসির বুড়ার মতোন আমার ছবিও বিলবোর্ডের শোভা বাড়াবে। হলিউডের সেলিব্রেটি তরুণীরা গাড়ির কাচ নামিয়ে সেই বিলবোর্ডের ছবি দেখে বলবে ‘ওয়াও’ কত হ্যান্ডসাম এই যুবক! এ যদি আমার জীবনে চলে আসত, তাহলে লাইফে আর কিছু চাওয়ার থাকবে না।;
ওই বাঙালকে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আত্মীয়-ঘটকেরা তার মোবাইল ফোনে কল করবে, কিন্তু সে ব্যস্ততার কারণে ধরবে না।
রেস্টুরেন্টে কাস্টমার আসে, তাদেরকে সে বলে, ‘ভুনা রাজহাঁস খাবেন?’
কাস্টমার জিভে জল এনে বলে, ‘মেনুতেতো দেখছি না!’
‘ওটা ইস্পিশাল আইটেম। খাইলে বলেন, এনে দেব। দাম এত।
কাস্টমার ভুনা রাজহাঁস খায়।
ব্যবসা চলতে থাকে। স্বপ্নের পথে ধাপে ধাপে এগিয়ে যেতে থাকে সে।
এদিকে পার্কে রেঞ্জার এক সময় লক্ষ্য করে রাজহাঁসের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে। তারা তদন্তে নামে এবং চোরচক্রকে গ্রেপ্তার করে।
সেদিনই সেই বাঙালের মন থেকে আমেরিকার ওপর থেকে সব বিশ্বাস, ভালোবাসা, ভক্তি গায়েব হয়ে যায়। কিসের স্বপ্নের দেশ? কিসের দুনিয়ার সেরা অর্থনীতি? সামান্য রাজহাঁস খাওয়ার জন্য যে সরকার এত ঝামেলা করে, এর চেয়ে ছোটলোক দুনিয়ায় আর কেউ আছে?
আর আপনারা অবাক হচ্ছেন সিলেটের সাদা পাথর গায়েব হলো কীভাবে?
দোল পূর্ণিমায় শ্রী শ্রী মহানাম চর্চার অনুষ্ঠান। কৃষ্ণ কিংবা রাম নামের জয়ধ্বনির মধ্য দিয়ে এ এক আয়োজন। দুই দিন ভাগবত পাঠ, তিন দিন নাম কীর্তন। শেষ দিনে লীলা কীর্তন। অনুষ্ঠানজুড়ে নিমাই-বিষ্ণুপ্রিয়া এবং রাধা-কৃষ্ণের পৌরাণিক দৃশ্য তুলে ধরা হয়। দেশের ৬টি নাম কীর্তনের দল আমন্ত্রিত হয়েছিল এখানে।
আমার কাছে বিষ্ময়কর লাগে, মালয়েশিয়ার যত মসজিদে ঈদের তাকবির শুনেছি, মনে হয় সবার কণ্ঠ যেন একই! যেন রেকর্ড করা তাকবির বাজানো হচ্ছে। বাস্তবে তা নয়। সরাসরি তাকবির পাঠ করেন মসজিদের ঈমাম ও মুসল্লিরা। সবাই সেই মধুর সুরে। একই ছন্দে।
নিজের বিপরীতে চলছি আমি/ ঘন অন্ধকার/ তুমি অদেখা ছায়া/ তুমি ছায়ার তরঙ্গ,/ তুমি আদি এবং মৌলিক/ উপলব্ধির বদল তুমি,/ স্বপ্ন, ওটা মিথ্যে/ অপ্রতিরোধ্য সত্য হলো জীবন্ত স্পন্দন।
বহুপক্ষীয় ব্যবস্থার শক্তি আসে বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তি থেকে। নাগরিক সমাজকে বাদ দিয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত কাগজে-কলমে শক্তিশালী হলেও বাস্তবে তা মানুষের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হবে। ফলে জাতিসংঘ আরও দূরে সরে যাবে সাধারণ মানুষের জীবন থেকে।