
বিডিজেন ডেস্ক

জর্ডানের জিয়া অ্যাপারেল বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে পুরুষ ও নারী কর্মী নেবে। প্রতিষ্ঠানটি এসব কর্মী নেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে। কর্মীদের থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসা ফ্রি। এ ছাড়া আসা-যাওয়ার বিমানভাড়াও দেবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
বোয়েলসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জিয়া অ্যাপারেল বিভিন্ন পদে ১৮৭ জন দক্ষ নারী–পুরুষ কর্মী নেবে। সহকারী ব্যবস্থাপক ছাড়া অন্য পদের প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট কাজে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সহকারী ব্যবস্থাপক পদের প্রার্থীর ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে ১৬ অক্টোবর (বুধবার) বিকেল ৪টার মধ্যে https://brms.boesl.gov.bd/ লিংকে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা এবং চার্জ পরিশোধ করতে হবে।
যেসব পদে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে
১. ওয়েলফেয়ার অফিসার (নারী)। পদসংখ্যা: ৬। বেতন: ৩২৫ জর্ডানি দিনার।
২. কোয়ালিটি অফিসার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৮০। বেতন: ১৪০ জর্ডানি দিনার।
৩. প্রোডাকশন সুপারভাইজার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৫০। বেতন: ৩৫০ জর্ডানি দিনার।
৪. কোয়ালিটি সুপারভাইজার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৫০। বেতন: ৩৫০ জর্ডানি দিনার।
৫. সহকারী ব্যবস্থাপক (নারী)। পদসংখ্যা: ১। বেতন: ৮৫০ জর্ডানি দিনার।
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক।
চুক্তির মেয়াদ: ৩ বছর (নবায়নযোগ্য)
কর্মস্থল: জর্ডান।
চাকরির শর্ত ও সুবিধা
সপ্তাহে ৬ দিন দৈনিক ১০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। একদিন ছুটি।
নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীদের থাকা–খাওয়া, প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরিবহনের খরচ দেবে।
জর্ডানে যাওয়ার এবং তিন বছর সন্তোষজনকভাবে চাকরি শেষে দেশে ফেরত আসার বিমানভাড়া নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান দেবে।
অন্য শর্ত জর্ডানের শ্রম আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।
যাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বা জর্ডানে কোনো মামলা আছে, তারা নিয়োগের অযোগ্য হবেন।
একাধিক পাসপোর্ট থাকলে সঙ্গে আনতে হবে।
বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ ও অন্য খরচ
নির্বাচিত কর্মীদের বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ, বহির্গমন ট্যাক্স, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, বোয়েসেলের রেজিস্ট্রেশন ফি, জীবন বিমা, স্মার্ট কার্ড ফি এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি বাবদ সব খরচ নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বহন করবে। মেডিকেল ফি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের ফি নির্বাচিত কর্মীদের বহন করতে হবে। তবে মেডিকেল ফি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের ফির টাকা কর্মীরা জর্ডানে যাওয়ার পর কোম্পানি ফেরত দেবে।
সাক্ষাৎকারের সময় যা অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে
চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা)।
মূল পাসপোর্ট ও মূল পাসপোর্টের ছবিযুক্ত অংশের এক সেট রঙিন ও চার সেট সাদাকালো ফটোকপি।
ভোটার আইডি কার্ড/জন্মনিবন্ধন।
শিক্ষাগত/অভিজ্ঞতার (যদি থাকে) সনদ।
বায়োডাটা (জীবনবৃত্তান্ত)।
একাধিক পাসপোর্ট থাকলে সঙ্গে আনতে হবে।
সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময় পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
এ–সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ০২-৪৮৩১৯১২৫ ও ০২-৪৮৩১৭৫১৫ টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
সূত্র: বোয়েসেল।
(স্মারক ৪৯.০২.০০০০.০০০.১১.০০৩.২২.১৪৪১, তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৪)

জর্ডানের জিয়া অ্যাপারেল বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে পুরুষ ও নারী কর্মী নেবে। প্রতিষ্ঠানটি এসব কর্মী নেবে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের (বোয়েসেল) মাধ্যমে। কর্মীদের থাকা, খাওয়া ও চিকিৎসা ফ্রি। এ ছাড়া আসা-যাওয়ার বিমানভাড়াও দেবে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
বোয়েলসের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জিয়া অ্যাপারেল বিভিন্ন পদে ১৮৭ জন দক্ষ নারী–পুরুষ কর্মী নেবে। সহকারী ব্যবস্থাপক ছাড়া অন্য পদের প্রার্থীদের সংশ্লিষ্ট কাজে ৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সহকারী ব্যবস্থাপক পদের প্রার্থীর ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে ১৬ অক্টোবর (বুধবার) বিকেল ৪টার মধ্যে https://brms.boesl.gov.bd/ লিংকে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা এবং চার্জ পরিশোধ করতে হবে।
যেসব পদে কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে
১. ওয়েলফেয়ার অফিসার (নারী)। পদসংখ্যা: ৬। বেতন: ৩২৫ জর্ডানি দিনার।
২. কোয়ালিটি অফিসার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৮০। বেতন: ১৪০ জর্ডানি দিনার।
৩. প্রোডাকশন সুপারভাইজার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৫০। বেতন: ৩৫০ জর্ডানি দিনার।
৪. কোয়ালিটি সুপারভাইজার (নারী/পুরুষ)। পদসংখ্যা: ৫০। বেতন: ৩৫০ জর্ডানি দিনার।
৫. সহকারী ব্যবস্থাপক (নারী)। পদসংখ্যা: ১। বেতন: ৮৫০ জর্ডানি দিনার।
চাকরির ধরন: চুক্তিভিত্তিক।
চুক্তির মেয়াদ: ৩ বছর (নবায়নযোগ্য)
কর্মস্থল: জর্ডান।
চাকরির শর্ত ও সুবিধা
সপ্তাহে ৬ দিন দৈনিক ১০ ঘণ্টা কাজ করতে হবে। একদিন ছুটি।
নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান কর্মীদের থাকা–খাওয়া, প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরিবহনের খরচ দেবে।
জর্ডানে যাওয়ার এবং তিন বছর সন্তোষজনকভাবে চাকরি শেষে দেশে ফেরত আসার বিমানভাড়া নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান দেবে।
অন্য শর্ত জর্ডানের শ্রম আইন অনুযায়ী প্রযোজ্য হবে।
যাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে বা জর্ডানে কোনো মামলা আছে, তারা নিয়োগের অযোগ্য হবেন।
একাধিক পাসপোর্ট থাকলে সঙ্গে আনতে হবে।
বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ ও অন্য খরচ
নির্বাচিত কর্মীদের বোয়েসেলের সার্ভিস চার্জ, বহির্গমন ট্যাক্স, ১৫ শতাংশ ভ্যাট, বোয়েসেলের রেজিস্ট্রেশন ফি, জীবন বিমা, স্মার্ট কার্ড ফি এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ ফি বাবদ সব খরচ নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বহন করবে। মেডিকেল ফি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের ফি নির্বাচিত কর্মীদের বহন করতে হবে। তবে মেডিকেল ফি ও ফিঙ্গারপ্রিন্টের ফির টাকা কর্মীরা জর্ডানে যাওয়ার পর কোম্পানি ফেরত দেবে।
সাক্ষাৎকারের সময় যা অবশ্যই সঙ্গে আনতে হবে
চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি (ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা)।
মূল পাসপোর্ট ও মূল পাসপোর্টের ছবিযুক্ত অংশের এক সেট রঙিন ও চার সেট সাদাকালো ফটোকপি।
ভোটার আইডি কার্ড/জন্মনিবন্ধন।
শিক্ষাগত/অভিজ্ঞতার (যদি থাকে) সনদ।
বায়োডাটা (জীবনবৃত্তান্ত)।
একাধিক পাসপোর্ট থাকলে সঙ্গে আনতে হবে।
সাক্ষাৎকারের তারিখ ও সময় পরবর্তীতে এসএমএসের মাধ্যমে জানানো হবে।
এ–সংক্রান্ত যেকোনো তথ্যের জন্য ০২-৪৮৩১৯১২৫ ও ০২-৪৮৩১৭৫১৫ টেলিফোন নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
সূত্র: বোয়েসেল।
(স্মারক ৪৯.০২.০০০০.০০০.১১.০০৩.২২.১৪৪১, তারিখ: ৮ অক্টোবর ২০২৪)
[বিশেষ দ্রষ্টব্য: চাকরির জন্য কোনো নিয়োগ প্রতিষ্ঠান কারও কাছ থেকে কোনো অর্থ চাইলে অথবা কোনো ধরনের ভুল বা বিভ্রান্তিকর তথ্য দিলে সতর্ক থাকার অনুরোধ রইল। চাকরি পাওয়ার জন্য কোনো ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে অর্থ প্রদান করা অথবা যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেনের দায় bdgen24.com-এর নয়।]
সংলাপে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশকে কেবল শ্রম রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে না দেখে দক্ষতা রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে উৎপাদনশীলতা, পেশাদারত্ব এবং স্বীকৃত দক্ষতার ওপর গুরুত্বারোপ করা জরুরি।
উপদেষ্টা আসিফ নজরুল বর্তমানে মালদ্বীপে বসবাসরত সকল অনিয়মিত ও অনথিভুক্ত বাংলাদেশি কর্মীদের নিয়মিতকরণের অনুরোধ জানান। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স ও শিক্ষকসহ অন্য যোগ্য পেশাদার কর্মীদের নিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করেন।
আসিফ নজরুল প্রকৌশলী, চিকিৎসক ও নার্সসহ দক্ষ বাংলাদেশি পেশাজীবীদের ওমানের শ্রমবাজারে প্রবেশ সহজ করার আহ্বান জানান। একইসঙ্গে অদক্ষ ও আধাদক্ষ কর্মীদের ভিসা স্থগিতাদেশ পুনর্বিবেচনার অনুরোধ জানান।
সভায় উপস্থিত থাকা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা বিডিজেনকে বলেন, সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত করার সব কিছু তৈরি হয়েছে। আশা করি আমরা দ্রুতই দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে পারব।