

বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাধারণ ক্ষমা নিয়ে অবৈধ প্রবাসীদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার।
এ বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসব্যাপী এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জেল-জরিমানা ছাড়াই অনেকে বৈধ হচ্ছেন বা দেশে ফিরছেন।
সাধারণত আমিরাতে ভিসা নবায়ন বা নতুন ভিসার ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ ছয় মাস থাকতে হয়। পাসপোর্টের মেয়াদসংক্রান্ত এই বাধ্যবাধকতার জন্য অনেক অবৈধ প্রবাসী ছিলেন দুশ্চিন্তায়। কারণ তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ তার চেয়ে কম ছিল।
সম্প্রতি এ নিয়মে পরিবর্তন এনেছে দেশটির সরকার। এখন থেকে সাধারণ ক্ষমা যারা পাবেন তাদের ছয় মাসের পরিবর্তে পাসপোর্টের মেয়াদ এক মাস থাকলেও ভিসা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেনটিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মূলত সাধারণ ক্ষমা নিয়ে বৈধতা নিশ্চিত যেন আরও দ্রুত হয় সেজন্য আমিরাত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সাধারণ ক্ষমা নিয়ে অবৈধ প্রবাসীদের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে বৈধ হওয়ার সুযোগ দিয়েছে দেশটির সরকার।
এ বছরের ১ সেপ্টেম্বর থেকে দুই মাসব্যাপী এই কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে জেল-জরিমানা ছাড়াই অনেকে বৈধ হচ্ছেন বা দেশে ফিরছেন।
সাধারণত আমিরাতে ভিসা নবায়ন বা নতুন ভিসার ক্ষেত্রে পাসপোর্টের মেয়াদ ছয় মাস থাকতে হয়। পাসপোর্টের মেয়াদসংক্রান্ত এই বাধ্যবাধকতার জন্য অনেক অবৈধ প্রবাসী ছিলেন দুশ্চিন্তায়। কারণ তাদের পাসপোর্টের মেয়াদ তার চেয়ে কম ছিল।
সম্প্রতি এ নিয়মে পরিবর্তন এনেছে দেশটির সরকার। এখন থেকে সাধারণ ক্ষমা যারা পাবেন তাদের ছয় মাসের পরিবর্তে পাসপোর্টের মেয়াদ এক মাস থাকলেও ভিসা করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
আমিরাতের ফেডারেল অথরিটি ফর আইডেনটিটি অ্যান্ড সিটিজেনশিপ, কাস্টমস অ্যান্ড পোর্টস সিকিউরিটি (আইসিপি) বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মূলত সাধারণ ক্ষমা নিয়ে বৈধতা নিশ্চিত যেন আরও দ্রুত হয় সেজন্য আমিরাত সরকার এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।