
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের পাল্টা হামলা চালানোর হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু সেনা ও কর্মী সরিয়ে নিতে শুরু করেছে আমেরিকা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আমেরিকান কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ নির্দেশনা দিয়েছে আমেরিকা।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
আল উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি এবং এখানে প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান সেনা সদস্য রয়েছে।
একইসঙ্গে এটি আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের ফরোয়ার্ড সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক বলেন, “অবস্থানগত পরিবর্তন হলেও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ নয়।”
এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এক কূটনীতিক বলেন, “পরিকল্পিত সংঘাতের চেয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি এখন বেশি।”
কাতারের দোহায় নিয়োজিত আমেরিকার দূতাবাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
রয়টার্স জানায়, গত বছরের মতো বড় পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যায়নি।
গত বছর জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের অংশ হিসেবে ইরানের ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' নামে ওই অভিযান চালানোর অন্তত এক সপ্তাহ আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছিল আমেরিকা।
পরবর্তীতে কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
আমেরিকার সাম্প্রতিক এ পদক্ষেপকে অনেকটা গত বছরের ঘটনার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন কূটনীতিকরা।
সম্প্রতি ইরানের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বারবার হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে।

ইরানের পাল্টা হামলা চালানোর হুমকির পর মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ঘাঁটি থেকে কিছু সেনা ও কর্মী সরিয়ে নিতে শুরু করেছে আমেরিকা।
বুধবার (১৪ জানুয়ারি) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আমেরিকান কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়ার কারণে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ নির্দেশনা দিয়েছে আমেরিকা।
তিন কূটনীতিক রয়টার্সকে জানান, কাতারের আল উদেইদ বিমানঘাঁটি থেকে কিছু আমেরিকান কর্মীকে বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে সরে যেতে বলা হয়েছে।
আল উদেইদ মধ্যপ্রাচ্যে আমেরিকার সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি এবং এখানে প্রায় ১০ হাজার আমেরিকান সেনা সদস্য রয়েছে।
একইসঙ্গে এটি আমেরিকার সেন্ট্রাল কমান্ডের ফরোয়ার্ড সদর দপ্তর হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কূটনীতিক বলেন, “অবস্থানগত পরিবর্তন হলেও এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরিয়ে নেওয়ার আদেশ নয়।”
এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্দিষ্ট কোনো কারণ আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এক কূটনীতিক বলেন, “পরিকল্পিত সংঘাতের চেয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হওয়ার ঝুঁকি এখন বেশি।”
কাতারের দোহায় নিয়োজিত আমেরিকার দূতাবাস এ বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
রয়টার্স জানায়, গত বছরের মতো বড় পরিসরে সেনা প্রত্যাহারের কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যায়নি।
গত বছর জুনে ইরান-ইসরায়েল সংঘাতের অংশ হিসেবে ইরানের ৩টি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
'অপারেশন মিডনাইট হ্যামার' নামে ওই অভিযান চালানোর অন্তত এক সপ্তাহ আগে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন ঘাঁটি থেকে সেনা সদস্য ও তাদের পরিবারকে সরিয়ে নিয়েছিল আমেরিকা।
পরবর্তীতে কাতারের আল উদেইদ ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
আমেরিকার সাম্প্রতিক এ পদক্ষেপকে অনেকটা গত বছরের ঘটনার প্রতিচ্ছবি হিসেবে দেখছেন কূটনীতিকরা।
সম্প্রতি ইরানের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে বারবার হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।