

বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েতে রমজানের রোজার সময় প্রকাশ্যে খাবার খেলে বা পান করলে শাস্তি হিসেবে জেল ও জরিমানা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কুয়েতে রোজার সময় অসুস্থতা বা ভ্রমণের মতো যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকাশ্যে খাবার খেলে একজন ব্যক্তির এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০০ কুয়েতি দিনার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৮ হাজার ৯৮২ টাকা) জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রণীত আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী এ শাস্তি দেওয়া হবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আইনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোনো প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি প্রকাশ্যে রোজার সময় খাবার খায় তাহলে তা দুই মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে কুয়েত মিউনিসিপ্যালিটি বিভাগ রমজানে দোকান এবং রেস্তোরাঁ পরিচালনার সময় সম্পর্কেও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, সূর্যাস্তের দুই ঘণ্টা আগে ইফতারের প্রস্তুতির জন্য খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ খোলা যাবে।

কুয়েতে রমজানের রোজার সময় প্রকাশ্যে খাবার খেলে বা পান করলে শাস্তি হিসেবে জেল ও জরিমানা হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, কুয়েতে রোজার সময় অসুস্থতা বা ভ্রমণের মতো যৌক্তিক কারণ ছাড়া প্রকাশ্যে খাবার খেলে একজন ব্যক্তির এক মাসের কারাদণ্ড বা ১০০ কুয়েতি দিনার ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ৩৮ হাজার ৯৮২ টাকা) জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডই হতে পারে। ১৯৬৮ সালে প্রণীত আইনের ৪৪ ধারা অনুযায়ী এ শাস্তি দেওয়া হবে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, আইনটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। কোনো প্রতিষ্ঠানে কেউ যদি প্রকাশ্যে রোজার সময় খাবার খায় তাহলে তা দুই মাসের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হবে।
এদিকে কুয়েত মিউনিসিপ্যালিটি বিভাগ রমজানে দোকান এবং রেস্তোরাঁ পরিচালনার সময় সম্পর্কেও কঠোর নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, সূর্যাস্তের দুই ঘণ্টা আগে ইফতারের প্রস্তুতির জন্য খাবারের দোকান ও রেস্তোরাঁ খোলা যাবে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।