
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় চলমান অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০-এর আওতায় মোট ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশি কর্মী নিজ-নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ নথিপত্রহীন বিদেশি শ্রমিকেরা এই কর্মসূচিতে মাত্র ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে নিজ দেশে ফিরেছেন। নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনকারী শ্রমিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ইন্দোনেশিয় ও বাংলাদেশি শ্রমিক।
গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান, দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
সংবাদ সম্মেলনের বরাত দিয়ে স্থানীয় দ্য স্টার পত্রিকা লিখেছে, অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০-এর আওতায় এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি বিদেশি নিবন্ধন করেছেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া বলেন, "আমরা এই কর্মসূচির জন্য ফি বাবদ প্রায় ১১৪.৫ মিলিয়ন রিঙ্গিত সংগ্রহ করেছি।" তিনি বলেন, এই কর্মসূচির জন্য তালিকার শীর্ষে থাকাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।
তিনি বলেন, "এই কর্মসূচিটি ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সাড়ার ভিত্তিতে আমরা আশা করছি, এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।"
এই কর্মসূচিটি একটি স্বেচ্ছামূলক সাধারণ ক্ষমা উদ্যোগ, যা বৈধ নথিবিহীন অভিবাসীদের কোনো প্রকার আইনি ঝামেলা ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেবে।
দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, "যারা পূর্ববর্তী প্রত্যাবাসন কর্মসূচির অধীনে নিবন্ধন করেও মালয়েশিয়া ছাড়তে ব্যর্থ হয়েছেন, যারা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক কালো তালিকাভুক্ত হয়েছেন, অথবা কর্তৃপক্ষের কাছে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি—তাদের ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি প্রযোজ্য নয়।"
৩০ এপ্রিল শেষ হতে যাওয়া কর্মসূচির আওতায় বৈধ ভিসাহীন বিদেশি কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের যে কোনো অফিসে গিয়ে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে পাস নিতে হয়। অনেক ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য এই পাস নিতে ইমিগ্রেশন অফিসে ভোরবেলায় গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। এ জন্য কেউ কেউ আগের রাতে গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। এখনো বহু মানুষ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য আগ্রহী রয়েছেন, যারা অভিবাসন বিভাগের পাস নিতে পারেননি। তাই এই অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০ এর মেয়াদ বাড়ানো হবে প্রত্যাশা তাদের।

মালয়েশিয়ায় চলমান অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০-এর আওতায় মোট ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশি কর্মী নিজ-নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বৈধ নথিপত্রহীন বিদেশি শ্রমিকেরা এই কর্মসূচিতে মাত্র ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে নিজ দেশে ফিরেছেন। নিজ দেশে প্রত্যাবর্তনকারী শ্রমিকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রয়েছে ইন্দোনেশিয় ও বাংলাদেশি শ্রমিক।
গত বুধবার (১৫ এপ্রিল) এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান, দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান।
সংবাদ সম্মেলনের বরাত দিয়ে স্থানীয় দ্য স্টার পত্রিকা লিখেছে, অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০-এর আওতায় এখন পর্যন্ত ২ লাখ ২০ হাজারের বেশি বিদেশি নিবন্ধন করেছেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জাকারিয়া বলেন, "আমরা এই কর্মসূচির জন্য ফি বাবদ প্রায় ১১৪.৫ মিলিয়ন রিঙ্গিত সংগ্রহ করেছি।" তিনি বলেন, এই কর্মসূচির জন্য তালিকার শীর্ষে থাকাদের মধ্যে ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের নাগরিক রয়েছেন।
তিনি বলেন, "এই কর্মসূচিটি ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া সাড়ার ভিত্তিতে আমরা আশা করছি, এর মেয়াদ বাড়ানো যেতে পারে।"
এই কর্মসূচিটি একটি স্বেচ্ছামূলক সাধারণ ক্ষমা উদ্যোগ, যা বৈধ নথিবিহীন অভিবাসীদের কোনো প্রকার আইনি ঝামেলা ছাড়াই নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার সুযোগ করে দেবে।
দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, "যারা পূর্ববর্তী প্রত্যাবাসন কর্মসূচির অধীনে নিবন্ধন করেও মালয়েশিয়া ছাড়তে ব্যর্থ হয়েছেন, যারা সংশ্লিষ্ট বিভাগ কর্তৃক কালো তালিকাভুক্ত হয়েছেন, অথবা কর্তৃপক্ষের কাছে কাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি—তাদের ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি প্রযোজ্য নয়।"
৩০ এপ্রিল শেষ হতে যাওয়া কর্মসূচির আওতায় বৈধ ভিসাহীন বিদেশি কর্মীদের নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের যে কোনো অফিসে গিয়ে ৫০০ রিঙ্গিত জরিমানা দিয়ে পাস নিতে হয়। অনেক ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদককে জানিয়েছেন দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য এই পাস নিতে ইমিগ্রেশন অফিসে ভোরবেলায় গিয়ে লাইনে দাঁড়িয়েও সিরিয়াল পাওয়া যায় না। এ জন্য কেউ কেউ আগের রাতে গিয়ে লাইনে দাঁড়ান। এখনো বহু মানুষ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য আগ্রহী রয়েছেন, যারা অভিবাসন বিভাগের পাস নিতে পারেননি। তাই এই অভিবাসী প্রত্যাবাসন কর্মসূচি ২.০ এর মেয়াদ বাড়ানো হবে প্রত্যাশা তাদের।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।