
বিডিজেন ডেস্ক

সেবার মানে ঘাটতির অভিযোগে বিদেশি ১ হাজার ৮০০ এজেন্সির সঙ্গে সাময়িক চুক্তি বাতিল করেছে সৌদি আরব। সমস্যা সমাধানে এজেন্সিগুলোকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম খালিজ টাইমস।
দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই স্থগিতাদেশ কেবল নতুন ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অনুমোদিত মানদণ্ড অনুযায়ী ঘাটতি পূরণ করে মানোন্নয়ন করার সুযোগ দিতেই এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণ করলে চুক্তি পুনরায় চালু করা হবে।
যাদের বৈধ ভিসা রয়েছে বা আগে থেকেই বুকিং করা আছে, তাদের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং সেবা স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ওমরাহ এজেন্সির নিয়মাবলি
ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে অবশ্যই সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত হতে হবে। সব ওমরাহ প্যাকেজ নাস্ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বুকিং ও যাচাই করতে হবে, যাতে ভ্রমণের আগে হাজিদের হোটেল বুকিং ও পরিবহন নিশ্চিত থাকে।
২০২৬ সাল থেকে এজেন্সিগুলোকে হাজিদের নথিপত্র কঠোরভাবে যাচাই করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট, বৈধ ওমরাহ ভিসা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য বীমা। এসব ব্যবস্থা মানসম্মত, নিরাপদ ও সুষ্ঠু ওমরাহ পালনে সহায়ক হবে।
ওমরাহ ভিসার বৈধতার নিয়ম
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ওমরাহ ভিসার প্রবেশের মেয়াদ কমিয়ে ইস্যুর তারিখ থেকে ৩০ দিন নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ, ভিসা ইস্যুর এক মাসের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে, না হলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে এবং পুনরায় আবেদন করতে হবে।
তবে সৌদি আরবে প্রবেশের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে, যাতে ওমরাহ ও ভ্রমণ সম্পন্ন করা যায়।
সৌদি আরবে প্রবেশের আগে হাজিদের অবশ্যই অফিসিয়াল নাস্ক অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহ পারমিট নিতে হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং, ইবাদতের সময়সূচি নির্ধারণ এবং পবিত্র মসজিদে প্রবেশের জন্য কিউআর কোড অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈধ নাস্ক পারমিট ছাড়া মসজিদুল হারাম বা মসজিদে নববীতে প্রবেশ করা যাবে না।
ভিসার সঙ্গে যেসব বিষয় বাধ্যতামূলক
১. আবাসন (লাইসেন্সপ্রাপ্ত হোটেল)
২. স্থল পরিবহন (এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার)
৩. রিটার্ন ফ্লাইট টিকিট
প্রয়োজনীয় সব বুকিংসহ যাচাইকৃত নম্বর ছাড়া কোনো ভিসা ইস্যু করা হবে না।
হজ মৌসুম শুরুর আগে ওমরাহ মৌসুম শেষ করতে হয় বলে ২০২৬ সালের জন্য সৌদি সরকার কঠোর শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এই সময়সীমা লঙ্ঘন করলে অতিরিক্ত অবস্থানের জন্য জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।

সেবার মানে ঘাটতির অভিযোগে বিদেশি ১ হাজার ৮০০ এজেন্সির সঙ্গে সাময়িক চুক্তি বাতিল করেছে সৌদি আরব। সমস্যা সমাধানে এজেন্সিগুলোকে ১০ দিনের সময় দেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে দুবাইভিত্তিক গণমাধ্যম খালিজ টাইমস।
দেশটির হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এই স্থগিতাদেশ কেবল নতুন ভিসা ইস্যুর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। অনুমোদিত মানদণ্ড অনুযায়ী ঘাটতি পূরণ করে মানোন্নয়ন করার সুযোগ দিতেই এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শর্ত পূরণ করলে চুক্তি পুনরায় চালু করা হবে।
যাদের বৈধ ভিসা রয়েছে বা আগে থেকেই বুকিং করা আছে, তাদের ক্ষেত্রে কোনো প্রভাব পড়বে না এবং সেবা স্বাভাবিকভাবে চলবে বলে জানিয়েছে মন্ত্রণালয়।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
ওমরাহ এজেন্সির নিয়মাবলি
ওমরাহ ট্রাভেল এজেন্সিগুলোকে অবশ্যই সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদিত হতে হবে। সব ওমরাহ প্যাকেজ নাস্ক প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে বুকিং ও যাচাই করতে হবে, যাতে ভ্রমণের আগে হাজিদের হোটেল বুকিং ও পরিবহন নিশ্চিত থাকে।
২০২৬ সাল থেকে এজেন্সিগুলোকে হাজিদের নথিপত্র কঠোরভাবে যাচাই করতে হবে। যার মধ্যে রয়েছে কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ থাকা পাসপোর্ট, বৈধ ওমরাহ ভিসা এবং প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য বীমা। এসব ব্যবস্থা মানসম্মত, নিরাপদ ও সুষ্ঠু ওমরাহ পালনে সহায়ক হবে।
ওমরাহ ভিসার বৈধতার নিয়ম
হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ওমরাহ ভিসার প্রবেশের মেয়াদ কমিয়ে ইস্যুর তারিখ থেকে ৩০ দিন নির্ধারণ করেছে। অর্থাৎ, ভিসা ইস্যুর এক মাসের মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে, না হলে ভিসা বাতিল হয়ে যাবে এবং পুনরায় আবেদন করতে হবে।
তবে সৌদি আরবে প্রবেশের পর সর্বোচ্চ ৯০ দিন পর্যন্ত অবস্থান করা যাবে, যাতে ওমরাহ ও ভ্রমণ সম্পন্ন করা যায়।
সৌদি আরবে প্রবেশের আগে হাজিদের অবশ্যই অফিসিয়াল নাস্ক অ্যাপের মাধ্যমে ওমরাহ পারমিট নিতে হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে বুকিং, ইবাদতের সময়সূচি নির্ধারণ এবং পবিত্র মসজিদে প্রবেশের জন্য কিউআর কোড অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈধ নাস্ক পারমিট ছাড়া মসজিদুল হারাম বা মসজিদে নববীতে প্রবেশ করা যাবে না।
ভিসার সঙ্গে যেসব বিষয় বাধ্যতামূলক
১. আবাসন (লাইসেন্সপ্রাপ্ত হোটেল)
২. স্থল পরিবহন (এয়ারপোর্ট ট্রান্সফার)
৩. রিটার্ন ফ্লাইট টিকিট
প্রয়োজনীয় সব বুকিংসহ যাচাইকৃত নম্বর ছাড়া কোনো ভিসা ইস্যু করা হবে না।
হজ মৌসুম শুরুর আগে ওমরাহ মৌসুম শেষ করতে হয় বলে ২০২৬ সালের জন্য সৌদি সরকার কঠোর শেষ সময়সীমা নির্ধারণ করেছে। এই সময়সীমা লঙ্ঘন করলে অতিরিক্ত অবস্থানের জন্য জরিমানার মুখে পড়তে হতে পারে।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।