
বিডিজেন ডেস্ক

আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক ৫৯৬ জন প্রবাসীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কুয়েত সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব রেসিডেন্স অ্যাফেয়ার্স ইনভেস্টিগেশনের নেতৃত্বে চলা এই অভিযানের লক্ষ্য হলো নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সারা দেশে অবৈধ কার্যকলাপ মোকাবিলা করা।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৭ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ৩৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি জানায়, আইনের প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের চলমান প্রচেষ্টার অংশ এই অভিযান।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার। এই কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আটক ৫৯৬ জন প্রবাসীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছে কুয়েত সরকার। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটি জানায়, জেনারেল ডিপার্টমেন্ট অব রেসিডেন্স অ্যাফেয়ার্স ইনভেস্টিগেশনের নেতৃত্বে চলা এই অভিযানের লক্ষ্য হলো নিরাপত্তা জোরদার করা এবং সারা দেশে অবৈধ কার্যকলাপ মোকাবিলা করা।
কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১৭ থেকে ২১ নভেম্বর পর্যন্ত আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে আরও ৩৯৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়টি জানায়, আইনের প্রতি আনুগত্য নিশ্চিত করা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য আমাদের চলমান প্রচেষ্টার অংশ এই অভিযান।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার। এই কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।