
বিডিজেন ডেস্ক

আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩৮৫ প্রবাসীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে কুয়েত। আজ মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১১ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩৮৫ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
কোনো সময়সীমা উল্লেখ না করে কুয়েত সরকার জানায়, এরইমধ্যে ৪৯৭ জন প্রবাসীকে এরইমধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার। এই কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।

আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৩৮৫ প্রবাসীকে তাদের দেশে ফেরত পাঠাচ্ছে কুয়েত। আজ মঙ্গলবার দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ।
মন্ত্রণালয় জানায়, গত ১১ থেকে ১৪ নভেম্বর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে আবাসন ও শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ৩৮৫ প্রবাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
কোনো সময়সীমা উল্লেখ না করে কুয়েত সরকার জানায়, এরইমধ্যে ৪৯৭ জন প্রবাসীকে এরইমধ্যে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার। এই কারণে বিগত কয়েক বছর ধরে সরকার অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।