
বিডিজেন ডেস্ক

সৌদি আরবের কিছু এলাকায় ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বৃষ্টি থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামী ২৯ মার্চ সৌদিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। এনসিএম কর্মকর্তা আকিল আল আকিল জানান, রমজানের শুরুতে যে নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া সৌদিতে ছিল তা ঈদ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এসময় মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় উচ্চভূমি এবং মক্কা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সৌদির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, রোববার থেকে পূর্ব প্রদেশ, রিয়াদ, নাজরান, জিজান, আসির, আল বাহা এবং মক্কার কিছু অংশে শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রঝড় হতে পারে। বাতাসের কারণে আল কাসিম ও মদিনার কিছু অংশের পাশাপাশি তাবুক অঞ্চলের উপকূলীয় অংশে ধূলিঝড় হতে পারে।
সম্প্রতি মক্কাসহ সৌদির পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মক্কা কর্তৃপক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেও ইসলামের পবিত্রতম মসজিদ মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করতে আসা মুসল্লিরা তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সৌদি আরবের কিছু এলাকায় ঈদুল ফিতর পর্যন্ত বৃষ্টি থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া দপ্তর ন্যাশনাল সেন্টার ফর মেটিওরোলজি (এনসিএম)। আজ সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
আগামী ২৯ মার্চ সৌদিতে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে। এনসিএম কর্মকর্তা আকিল আল আকিল জানান, রমজানের শুরুতে যে নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়া সৌদিতে ছিল তা ঈদ পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। এসময় মধ্য ও পূর্বাঞ্চলীয় উচ্চভূমি এবং মক্কা অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে।
সৌদির আবহাওয়া দপ্তর জানায়, রোববার থেকে পূর্ব প্রদেশ, রিয়াদ, নাজরান, জিজান, আসির, আল বাহা এবং মক্কার কিছু অংশে শিলাবৃষ্টি এবং বজ্রঝড় হতে পারে। বাতাসের কারণে আল কাসিম ও মদিনার কিছু অংশের পাশাপাশি তাবুক অঞ্চলের উপকূলীয় অংশে ধূলিঝড় হতে পারে।
সম্প্রতি মক্কাসহ সৌদির পশ্চিমাঞ্চলের কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মক্কা কর্তৃপক্ষ থেকে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ভারী বৃষ্টিপাতের মধ্যেও ইসলামের পবিত্রতম মসজিদ মসজিদুল হারামে ওমরাহ পালন করতে আসা মুসল্লিরা তাদের ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন চালিয়ে যাচ্ছেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।