
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতের আমির শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সহানুভূতি ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন।
আমির শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল–সাবাহ সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য অশেষ রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা এবং তার পরিবার ও প্রিয়জনদের ওপর ধৈর্য ও সান্ত্বনা বর্ষণ করেছেন।
ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহ রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো বার্তায় প্রয়াত খালেদা জিয়ার জন্য আন্তরিক সহানুভূতি ও তার পরিবারের প্রতি ধৈর্য কামনা করেছেন।

কুয়েতের আমির শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল-সাবাহ এবং ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সহানুভূতি ও শোক প্রকাশ করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে বার্তা পাঠিয়েছেন।
আমির শেখ মিশেল আল-আহমেদ আল–সাবাহ সর্বশক্তিমান আল্লাহর কাছে খালেদা জিয়ার জন্য অশেষ রহমত ও ক্ষমা প্রার্থনা এবং তার পরিবার ও প্রিয়জনদের ওপর ধৈর্য ও সান্ত্বনা বর্ষণ করেছেন।
ক্রাউন প্রিন্স ও প্রধানমন্ত্রী শেখ সাবাহ আল-খালেদ আল-সাবাহ রাষ্ট্রপতি মো. শাহাবুদ্দিনের কাছে পাঠানো বার্তায় প্রয়াত খালেদা জিয়ার জন্য আন্তরিক সহানুভূতি ও তার পরিবারের প্রতি ধৈর্য কামনা করেছেন।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।