
বিডিজেন ডেস্ক

কুয়েত সরকার বিপুল সংখ্যক ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল করায় বিপাকে পড়েছে দেশটির ব্যাংকিং খাত। ব্যাংকগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্যাংকিং সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে গালফ নিউজ জানায়, কুয়েতের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে এমন গ্রাহকদের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ দিনার।
সংশ্লিষ্টরা বলছে, কুয়েতে সম্প্রতি যে ৩ হাজার ২০০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হলো তাদের ঋণের পরিমাণ যোগ করলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে মোট ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
কুয়েত সরকার জানায়, ব্যাংকগুলোকে ঋণখেলাপি গ্রাহকদের আমানত এবং অন্যান্য সম্পদ জব্দ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের পরই ব্যাংকগুলো কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ জব্দ করতে পারবে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার।

কুয়েত সরকার বিপুল সংখ্যক ব্যক্তির নাগরিকত্ব বাতিল করায় বিপাকে পড়েছে দেশটির ব্যাংকিং খাত। ব্যাংকগুলোতে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ছে খেলাপি ঋণ। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
ব্যাংকিং সূত্রগুলোর বরাত দিয়ে গালফ নিউজ জানায়, কুয়েতের নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়েছে এমন গ্রাহকদের মোট ঋণের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ দিনার।
সংশ্লিষ্টরা বলছে, কুয়েতে সম্প্রতি যে ৩ হাজার ২০০ জনের নাগরিকত্ব বাতিল করা হলো তাদের ঋণের পরিমাণ যোগ করলে খেলাপি ঋণের পরিমাণ আরও বাড়বে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, এর ফলে অদূর ভবিষ্যতে মোট ঋণের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে।
কুয়েত সরকার জানায়, ব্যাংকগুলোকে ঋণখেলাপি গ্রাহকদের আমানত এবং অন্যান্য সম্পদ জব্দ করার অধিকার দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের পরই ব্যাংকগুলো কোনো ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে থাকা অর্থ জব্দ করতে পারবে।
মাত্র ১৭,৮১৮ বর্গকিলোমিটার আয়তনের কুয়েতের জনসংখ্যা ৪৯ লাখ। এদের অর্ধেকেরও বেশি অভিবাসী, এবং তাদের মধ্যে অনেকেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন। অভিবাসীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আরব বংশোদ্ভূত আদি নাগরিকরা সংখ্যালঘু ও কোণঠাসা অবস্থায় পড়ছেন বলে মনে করছে কুয়েত সরকার।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।