
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির মালয়েশিয়া শাখা ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে কুয়ালালামপুরে জি টাওয়ার হোটেলের হলরুমে ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোরান তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি।

বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান শিশিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ মোল্লা।

ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্যে প্রধান অতিথি নজরুল ইসলাম খান দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ’দীর্ঘ ১৬ বছর খুন, গুম, জেল, জুলুম সহ্য করে আমরা পেয়েছি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ, এখন সময় এসেছে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসছে জাতীয় নির্বাচনের জন্য দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া জাতীয়তাবাদকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি বাদলুর রহমান খান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দেশনেতা তারেক রহমানের দেওয়া ৩১দফা প্রতিষ্ঠায় আমাদের সকল নেতাকর্মীকে জনগণের কাছে যেতে হবে, ৩১দফা বাস্তবায়ন হলে জনগণের চাওয়া দেশ মেরামত ও সংশোধন পরিপূর্ণতা পাবে। এখন জনগণ দেশে তাদের নির্বাচিত সরকার দেখতে চাই, তাই নির্বাচনী রোডম্যাপ সামনে নিয়ে আসুন আমরা সবাই জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা গড়ে তুলি।
পরিশেষে তিনি সবাইকে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের মালয়েশিয়া শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ, সহসভাপতি তালহা মাহমুদ, শাখাওয়াত হোসেন, এস এম রহমান তনু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন নিপু, কাজী সালাহ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ মন্ডল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, কেলাং শাখার সভাপতি মো. জাকির হোসেন, পুডু শাখার সভাপতি মো. মানিক, কাম্পং জাওয়া শাখার সভাপতি আবু সাইদ বাবুল, সকিট শাখার সভাপতি মো. মিজান, স্বেচ্ছাসেবক দল সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল শিকদার, জাসাস মালয়েশিয়া শাখার আহবায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, বাদল কারার, যুবনেতা নাসির মোল্লা, আব্দুল হাকিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাহফুজুর রহমান, এম মোজাম্মেল হক প্রধান, মোশারফ হোসেন হৃদয় প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দলটির মালয়েশিয়া শাখা ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে কুয়ালালামপুরে জি টাওয়ার হোটেলের হলরুমে ১ সেপ্টেম্বর বিকেলে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। কোরান তিলাওয়াত, জাতীয় সংগীত ও দলীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় অনুষ্ঠানটি।

বিএনপি মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি প্রকৌশলী বাদলুর রহমান খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও মালয়েশিয়া শাখার সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা সালাহ উদ্দিন ও সহ-দপ্তর সম্পাদক হাবিবুর রহমান শিশিরের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল আজিজ মোল্লা।

ভার্চ্যুয়ালি বক্তব্যে প্রধান অতিথি নজরুল ইসলাম খান দলের প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি বলেন, ’দীর্ঘ ১৬ বছর খুন, গুম, জেল, জুলুম সহ্য করে আমরা পেয়েছি স্বৈরাচারমুক্ত বাংলাদেশ, এখন সময় এসেছে সবাইকে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আসছে জাতীয় নির্বাচনের জন্য দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া জাতীয়তাবাদকে সুপ্রতিষ্ঠিত করা।’

অনুষ্ঠানের সভাপতি বাদলুর রহমান খান তার বক্তব্যে বলেন, ‘দেশনেতা তারেক রহমানের দেওয়া ৩১দফা প্রতিষ্ঠায় আমাদের সকল নেতাকর্মীকে জনগণের কাছে যেতে হবে, ৩১দফা বাস্তবায়ন হলে জনগণের চাওয়া দেশ মেরামত ও সংশোধন পরিপূর্ণতা পাবে। এখন জনগণ দেশে তাদের নির্বাচিত সরকার দেখতে চাই, তাই নির্বাচনী রোডম্যাপ সামনে নিয়ে আসুন আমরা সবাই জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা গড়ে তুলি।
পরিশেষে তিনি সবাইকে বিএনপির ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন দলের মালয়েশিয়া শাখার সিনিয়র সহসভাপতি মাহবুব আলম শাহ, সহসভাপতি তালহা মাহমুদ, শাখাওয়াত হোসেন, এস এম রহমান তনু, সহ-সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন নিপু, কাজী সালাহ উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক মো. আমিনুল ইসলাম রতন, সদস্য মো. জসিম উদ্দিন, যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিনহাজ মন্ডল, সহ-সাধারণ সম্পাদক রমজান আলী, কেলাং শাখার সভাপতি মো. জাকির হোসেন, পুডু শাখার সভাপতি মো. মানিক, কাম্পং জাওয়া শাখার সভাপতি আবু সাইদ বাবুল, সকিট শাখার সভাপতি মো. মিজান, স্বেচ্ছাসেবক দল সাংগঠনিক সম্পাদক হেলাল শিকদার, জাসাস মালয়েশিয়া শাখার আহবায়ক আসাদুজ্জামান মাসুম, বাদল কারার, যুবনেতা নাসির মোল্লা, আব্দুল হাকিম, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মাহফুজুর রহমান, এম মোজাম্মেল হক প্রধান, মোশারফ হোসেন হৃদয় প্রমুখ।
আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন করা হয়।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।