
বিডিজেন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা গ্রুপ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। এ বছরের রমজান মাসটি ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে সে তথ্য প্রকাশ করেছে তারা।
সংস্থাটির বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, এবার আরব আমিরাতে ৩০ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে। আর ৩১ মার্চ পালিত হবে ঈদুল ফিতর।
সাধারণ মানুষের উদ্দেশে দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলেছে, যদি আপনারা চাঁদ দেখতে পান, তাহলে পর্যবেক্ষণের বিষয়টি স্থানীয় কমিটি অথবা অফিসিয়াল চাঁদ দেখা কমিটিকে জানান। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় ঈদের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর শুরু হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আমিরাতের চাঁদ দেখা কমিটি আগামী ২৯ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ অনুসন্ধান করবে। ওইদিন দেশটিতে রমজানের ২৯তম দিন থাকবে। যদি রমজান মাস ৩০ দিনের হয় তাহলে এবার আমিরাতের মুসল্লিরা ঈদে পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা গ্রুপ ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছে। এ বছরের রমজান মাসটি ২৯ নাকি ৩০ দিনের হবে সে তথ্য প্রকাশ করেছে তারা।
সংস্থাটির বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানিয়েছে, এবার আরব আমিরাতে ৩০ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা যাবে। আর ৩১ মার্চ পালিত হবে ঈদুল ফিতর।
সাধারণ মানুষের উদ্দেশে দুবাই জ্যোতির্বিদ্যা কেন্দ্র বলেছে, যদি আপনারা চাঁদ দেখতে পান, তাহলে পর্যবেক্ষণের বিষয়টি স্থানীয় কমিটি অথবা অফিসিয়াল চাঁদ দেখা কমিটিকে জানান। সংযুক্ত আরব আমিরাতে ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় ঈদের চাঁদ দেখার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে ৩১ মার্চ ঈদুল ফিতর শুরু হতে পারে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আমিরাতের চাঁদ দেখা কমিটি আগামী ২৯ মার্চ শাওয়াল মাসের চাঁদ অনুসন্ধান করবে। ওইদিন দেশটিতে রমজানের ২৯তম দিন থাকবে। যদি রমজান মাস ৩০ দিনের হয় তাহলে এবার আমিরাতের মুসল্লিরা ঈদে পাঁচ দিনের ছুটি পাবেন।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।