
বিডিজেন ডেস্ক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ‘ইরান কখনোই জায়নবাদীদের [ইসরায়েল] সঙ্গে আপস করবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এক পোস্ট খামেনি লিখেছেন, ‘আমরা জায়নবাদীদের প্রতি কোনো দয়া দেখাব না।’ আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলো।’
এই মন্তব্যগুলো তাঁর একাধিক ভাষায় পরিচালিত এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনিকে নিয়ে মন্তব্য করার পর এটি ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে খামেনি কোথায় আছেন। কিন্তু ‘এই মুহূর্তে’ তাঁকে হত্যা করবে না।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই খবর প্রকাশিত হয়, ইসরায়েলের খামেনিকে হত্যার প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছেন ট্রাম্প।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, ‘ইরান কখনোই জায়নবাদীদের [ইসরায়েল] সঙ্গে আপস করবে না। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
খবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এক পোস্ট খামেনি লিখেছেন, ‘আমরা জায়নবাদীদের প্রতি কোনো দয়া দেখাব না।’ আরেক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘যুদ্ধ শুরু হলো।’
এই মন্তব্যগুলো তাঁর একাধিক ভাষায় পরিচালিত এক্স অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প খামেনিকে নিয়ে মন্তব্য করার পর এটি ছিল তাঁর প্রথম প্রকাশ্য প্রতিক্রিয়া। ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্র জানে খামেনি কোথায় আছেন। কিন্তু ‘এই মুহূর্তে’ তাঁকে হত্যা করবে না।
এর আগে চলতি সপ্তাহেই খবর প্রকাশিত হয়, ইসরায়েলের খামেনিকে হত্যার প্রস্তাবে ভেটো দিয়েছেন ট্রাম্প।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।