
বিডিজেন ডেস্ক

চলতি মাসের শেষ দিক থেকেই সৌদি আরবের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সৌদিতে ৩০ মার্চ (রোববার) থেকে ঈদের সরকারি ছুটি শুরু হবে । এর আগে কর্মীরা শুক্রবার (২৮ মার্চ) ও শনিবার (২৯ মার্চ) সাপ্তাহিক ছুটি পাবেন। অর্থাৎ ২৮ মার্চ থেকেই সৌদি ঈদের ছুটি শুরু হবে।
এবার সৌদিতে ঈদের ছুটি চার দিন অর্থাৎ ২ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশটির কর্মীরা ফের কাজে ফিরবেন ৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)। সব মিলিয়ে দেশটিতে এবার কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি থাকবে ছয় দিন।
অন্যদিকে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এবার শিক্ষার্থীদের জন্য ছুটি শুরু হবে ২০ মার্চ এবং তাদের ক্লাস ফের শুরু হবে ৬ এপ্রিল।
এ বছর পহেলা মার্চ সৌদিতে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়। চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদুল ফিতরের প্রকৃত তারিখ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার।

চলতি মাসের শেষ দিক থেকেই সৌদি আরবের কর্মী ও শিক্ষার্থীদের জন্য ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শুরু হতে যাচ্ছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল অ্যারাবিয়ার প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, সৌদিতে ৩০ মার্চ (রোববার) থেকে ঈদের সরকারি ছুটি শুরু হবে । এর আগে কর্মীরা শুক্রবার (২৮ মার্চ) ও শনিবার (২৯ মার্চ) সাপ্তাহিক ছুটি পাবেন। অর্থাৎ ২৮ মার্চ থেকেই সৌদি ঈদের ছুটি শুরু হবে।
এবার সৌদিতে ঈদের ছুটি চার দিন অর্থাৎ ২ এপ্রিল পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশটির কর্মীরা ফের কাজে ফিরবেন ৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার)। সব মিলিয়ে দেশটিতে এবার কর্মীদের জন্য ঈদুল ফিতরের ছুটি থাকবে ছয় দিন।
অন্যদিকে দেশটির শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী, এবার শিক্ষার্থীদের জন্য ছুটি শুরু হবে ২০ মার্চ এবং তাদের ক্লাস ফের শুরু হবে ৬ এপ্রিল।
এ বছর পহেলা মার্চ সৌদিতে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়। চাঁদ দেখার ভিত্তিতে ঈদুল ফিতরের প্রকৃত তারিখ নিশ্চিত করা হবে বলে জানিয়েছে সৌদি সরকার।
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।