
বিডিজেন ডেস্ক

আমানাহ নামে একটি নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটি। এর মাধ্যমে বাসিন্দারা গোপনে জনস্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সমস্যা ও নাগরিক পরিষেবা লঙ্ঘনের বিষয়ে অভিযোগ করতে পারবেন। এই উদ্যোগ দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির স্বচ্ছতা, শাসনব্যবস্থা ও জননিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভিযোগের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, ‘আমানাহ’ প্ল্যাটফর্মটি দুবাইয়ের জনসাধারণের সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি দুবাই পুলিশের ‘আল আমিন’ পরিষেবার অনুরূপ, যা বাসিন্দাদের গোপনে নিরাপত্তা-সম্পর্কিত অভিযোগ করার সুযোগ দিয়েছে।
যাইহোক, আল আমিন আইন প্রয়োগকারী এবং সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে মনোনিবেশ করলেও, ‘আমানাহ’ বিশেষভাবে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির এখতিয়ারের অধীনে নাগরিক পরিষেবা লঙ্ঘনের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
বাসিন্দারা যেসব সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করার জন্য 'আমানাহ' ব্যবহার করতে পারেন:
অভিযোগ জানানোর জন্য দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর সেখানে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করতে পারবেন।

আমানাহ নামে একটি নতুন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটি। এর মাধ্যমে বাসিন্দারা গোপনে জনস্বাস্থ্যবিধি সংক্রান্ত সমস্যা ও নাগরিক পরিষেবা লঙ্ঘনের বিষয়ে অভিযোগ করতে পারবেন। এই উদ্যোগ দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির স্বচ্ছতা, শাসনব্যবস্থা ও জননিরাপত্তা বৃদ্ধি করবে বলেই মনে করা হচ্ছে। এ ছাড়া অভিযোগের ক্ষেত্রে গোপনীয়তা নিশ্চিত করা হবে।
সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ বলছে, ‘আমানাহ’ প্ল্যাটফর্মটি দুবাইয়ের জনসাধারণের সম্পৃক্ততা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধির বৃহত্তর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি দুবাই পুলিশের ‘আল আমিন’ পরিষেবার অনুরূপ, যা বাসিন্দাদের গোপনে নিরাপত্তা-সম্পর্কিত অভিযোগ করার সুযোগ দিয়েছে।
যাইহোক, আল আমিন আইন প্রয়োগকারী এবং সুরক্ষা সংক্রান্ত বিষয়গুলোতে মনোনিবেশ করলেও, ‘আমানাহ’ বিশেষভাবে দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির এখতিয়ারের অধীনে নাগরিক পরিষেবা লঙ্ঘনের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
বাসিন্দারা যেসব সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করার জন্য 'আমানাহ' ব্যবহার করতে পারেন:
অভিযোগ জানানোর জন্য দুবাই মিউনিসিপ্যালিটির ওয়েবসাইটে যেতে হবে। এরপর সেখানে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করতে পারবেন।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখেই পুনরায় ফ্লাইট চলাচল শুরু করা হবে।
শেখ আহমদ প্রস্থান ও আগমন হল, কাস্টমস চেকপয়েন্ট এবং অন্য স্থাপনা পরিদর্শন করেন। তিনি বিমান চলাচলকে সহায়তা করার জন্য অনুমোদিত পরিকল্পনা অনুযায়ী বিমানবন্দরের কার্যক্রম পরিচালনার প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষের মধ্যে পূর্ণ সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।
অভিবাসন মহাপরিচালক বলেন, গত বছরের ১৯ মে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মাধ্যমে এখন পর্যন্ত মোট ২ লাখ ২৮ হাজার ৯৬১ জন বিদেশি নিজ দেশে যাওয়ার জন্য নাম লিখিয়েছেন। মোট সংখ্যার মধ্যে ২ লাখ ৪ হাজার ৫২৩ জন বিদেশিকে সফলভাবে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।