
জাহিদ হোসেন জনি, কুয়েত থেকে

কুয়েতের শ্রমশক্তি বিভাগ ঘোষণা করেছে, আগামী ১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু সীমাবদ্ধ খাতে বিদেশ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রবাসী শ্রমিকদের বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে অন্য খাতে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কর্তৃপক্ষ তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছে, বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রম বাজারের চাহিদা এবং এর স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য, প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ আল-ইউসেফ আল-সাবাহ, যিনি এই কর্তৃপক্ষেরও চেয়ারম্যান, তার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প–উদ্যোগ এবং শিল্প, কৃষি, মৎস্য ও পশুপালন খাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই খাতগুলোকে দেশের বাইরে থেকে প্রবাসী কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে শর্ত ছিল যে এই কর্মীরা নিজ নিজ খাতের বাইরে অন্য কোথাও চাকরি করতে পারবেন না।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
আরও বলা হয়েছে, কর্মী নিয়োগে ইচ্ছুক নিয়োগকর্তাকে এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে একটি অনুরোধ জমা দিতে হবে এবং এই প্রক্রিয়াটি মূল নিয়োগকর্তাকেই সম্পন্ন করতে হবে। কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে, এই সিদ্ধান্তটি ‘অস্থায়ী ও ব্যতিক্রমী’ এবং এর লক্ষ্য হলো শ্রম বাজারের কিছু জরুরি চাহিদা পূরণ করা।

কুয়েতের শ্রমশক্তি বিভাগ ঘোষণা করেছে, আগামী ১ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নির্দিষ্ট কিছু সীমাবদ্ধ খাতে বিদেশ থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত প্রবাসী শ্রমিকদের বিশেষ শর্ত সাপেক্ষে অন্য খাতে স্থানান্তরের অনুমতি দেওয়া হবে।
গত বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) কর্তৃপক্ষ তাদের এক্স অ্যাকাউন্টে পোস্ট করা এক বিবৃতিতে বলেছে, বিশেষ করে বর্তমান পরিস্থিতিতে শ্রম বাজারের চাহিদা এবং এর স্থিতিশীলতার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার জন্য, প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ আল-ইউসেফ আল-সাবাহ, যিনি এই কর্তৃপক্ষেরও চেয়ারম্যান, তার নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এই সিদ্ধান্তটি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প–উদ্যোগ এবং শিল্প, কৃষি, মৎস্য ও পশুপালন খাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই খাতগুলোকে দেশের বাইরে থেকে প্রবাসী কর্মী নিয়োগের অনুমতি দেওয়া হয়েছিল, তবে শর্ত ছিল যে এই কর্মীরা নিজ নিজ খাতের বাইরে অন্য কোথাও চাকরি করতে পারবেন না।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মে থেকে শুরু করে দুই মাসের জন্য কর্মীদের নিজ নিজ খাতের বাইরে স্থানান্তর করা যাবে। তবে, মূল নিয়োগকর্তাদের অনুমতি ছাড়া এই স্থানান্তর করা যাবে না। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নতুন এই সিদ্ধান্তের সুবিধা নিতে কোম্পানিগুলো ‘আশাল’ করপোরেট অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করতে পারবে।
আরও বলা হয়েছে, কর্মী নিয়োগে ইচ্ছুক নিয়োগকর্তাকে এই অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে একটি অনুরোধ জমা দিতে হবে এবং এই প্রক্রিয়াটি মূল নিয়োগকর্তাকেই সম্পন্ন করতে হবে। কর্তৃপক্ষ জোর দিয়ে বলেছে যে, এই সিদ্ধান্তটি ‘অস্থায়ী ও ব্যতিক্রমী’ এবং এর লক্ষ্য হলো শ্রম বাজারের কিছু জরুরি চাহিদা পূরণ করা।
জি-৭ নেতারা চুক্তিকে সমর্থন জানান। সেই সঙ্গে চুক্তি বাস্তবায়নে কাজ করার কথাও জানান। অধিবেশনে দ্রুত হরমুজ প্রণালি আবার চালু করা এবং এই জলপথের বিকল্প জ্বালানি পরিবহন রুট খুঁজে বের করার বিষয়েও আলোচনা হয়।
আজ সোমবার (১৫ জুন) স্থানীয় সময় ভোররাতে শান্তি আলোচনায় মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে চুক্তির বিষয়ে জানান।
গতকাল বিকেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক ব্রিফিংয়ে আমেরিকান কর্মকর্তারা জানান, এ চুক্তির আওতায় ইরান হরমুজ প্রণালি খুলে দেবে। বিনিময়ে ইরানের নৌ-পরিবহনের ওপর থেকে আমেরিকান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। পদক্ষেপগুলো প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই কার্যকর করা হবে।
শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও আগুন লাগানো হয়। বাসিন্দারা সংবাদ সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার বিনে আগুন দেয় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।