

বিডিজেন ডেস্ক

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে সম্ভাব্য নেতা হিসেবে বিবেচিত অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আজ সোমবার (২৯ জুন) দেশ পরিচালনা নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। তার কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি এমন একটি শাসনব্যবস্থার রূপরেখা দেবেন, যেখানে লন্ডনকেন্দ্রিক ক্ষমতা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়ে ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম বর্তমানে স্টারমারের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে একমাত্র ঘোষিত প্রার্থী। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন।
গত সপ্তাহে স্টারমার ঘোষণা দেন, তিনি পদত্যাগ করবেন। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে লেবার পার্টিকে ক্ষমতায় আনার মাত্র দুই বছরের মধ্যেই জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এবং ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামে খ্যাত বার্নহ্যাম সোমবারের ভাষণে অঞ্চল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরকে তার প্রধান নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরবেন।
এ ছাড়া, তিনি পুনঃশিল্পায়ন, আবাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে আগামী ১০ বছরে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের একটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন। তার কার্যালয় জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য শুধু কে ব্রিটেন শাসন করবে তা নয়, বরং দেশটি কীভাবে শাসিত হবে সেই ব্যবস্থারও পরিবর্তন আনা।
বার্নহ্যাম ব্যাখ্যা করবেন, কীভাবে তিনি ‘যুক্তরাজ্যকে তার প্রাপ্য অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে’ চান এবং দেশকে বর্তমান অচলাবস্থা থেকে বের করে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ‘টার্নিং পয়েন্ট’ তৈরি করবেন। একই সঙ্গে ব্রিটিশ কর্মসংস্থান ও শিল্পকে আরও সহায়তা দিতে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট) সংস্কারের প্রতিশ্রুতিও দেবেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত
তবে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতজনিত জ্বালানি সংকটে ব্রিটেনের অর্থনীতি চাপে থাকায় বড় ধরনের ব্যয় বৃদ্ধি বা আমূল পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত।
বার্নহ্যাম এর আগে বলেছিলেন, সরকারের উচিত “বন্ড বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসা”। পরে অবশ্য তিনি দাবি করেন, তার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বৃহৎ পরিসরে রাষ্ট্রায়ত্তকরণ এবং অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পুনরায় যোগ দেওয়ার পক্ষে আগের অবস্থান থেকেও সরে এসেছেন।
আবাসনমন্ত্রী স্টিভ রিড রোববার বলেন, বার্নহ্যাম ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে লেবার পার্টির দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং সরকারের বিদ্যমান আর্থিক নীতিমালা মেনে চলবেন। এর মধ্যে রয়েছে কর রাজস্বের মাধ্যমে দৈনন্দিন সরকারি ব্যয় নির্বাহ এবং মোট জাতীয় উৎপাদনের তুলনায় ঋণের হার কমিয়ে আনা।
স্কাই নিউজকে তিনি বলেন, “মৌলিক অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি আর্থিক শৃঙ্খলার সেই নিয়মগুলো মেনে চলবেন, যা ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে।”

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের উত্তরসূরি হিসেবে সবচেয়ে সম্ভাব্য নেতা হিসেবে বিবেচিত অ্যান্ডি বার্নহ্যাম আজ সোমবার (২৯ জুন) দেশ পরিচালনা নিয়ে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরবেন। তার কার্যালয় জানিয়েছে, তিনি এমন একটি শাসনব্যবস্থার রূপরেখা দেবেন, যেখানে লন্ডনকেন্দ্রিক ক্ষমতা দেশের বিভিন্ন অঞ্চল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের কাছে বিকেন্দ্রীকরণ করা হবে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
চলতি মাসের শুরুতে সংসদ সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হয়ে ওয়েস্টমিনস্টারে ফিরে আসা বার্নহ্যাম বর্তমানে স্টারমারের উত্তরসূরি হওয়ার দৌড়ে একমাত্র ঘোষিত প্রার্থী। সবকিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে পারেন।
গত সপ্তাহে স্টারমার ঘোষণা দেন, তিনি পদত্যাগ করবেন। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে লেবার পার্টিকে ক্ষমতায় আনার মাত্র দুই বছরের মধ্যেই জনপ্রিয়তা কমে যাওয়ায় তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
বৃহত্তর ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে পরিচিতি পাওয়া এবং ‘কিং অব দ্য নর্থ’ নামে খ্যাত বার্নহ্যাম সোমবারের ভাষণে অঞ্চল ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরকে তার প্রধান নীতিগত অঙ্গীকার হিসেবে তুলে ধরবেন।
এ ছাড়া, তিনি পুনঃশিল্পায়ন, আবাসন, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং জনসেবামূলক খাতের সংস্কারের মাধ্যমে আগামী ১০ বছরে মানুষের জীবনমান উন্নয়নের একটি কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করবেন। তার কার্যালয় জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার লক্ষ্য শুধু কে ব্রিটেন শাসন করবে তা নয়, বরং দেশটি কীভাবে শাসিত হবে সেই ব্যবস্থারও পরিবর্তন আনা।
বার্নহ্যাম ব্যাখ্যা করবেন, কীভাবে তিনি ‘যুক্তরাজ্যকে তার প্রাপ্য অবস্থানে ফিরিয়ে নিতে’ চান এবং দেশকে বর্তমান অচলাবস্থা থেকে বের করে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ‘টার্নিং পয়েন্ট’ তৈরি করবেন। একই সঙ্গে ব্রিটিশ কর্মসংস্থান ও শিল্পকে আরও সহায়তা দিতে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থার (পাবলিক প্রকিউরমেন্ট) সংস্কারের প্রতিশ্রুতিও দেবেন।
তিনি প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ব্যয় বাড়ানোর সুযোগ সীমিত
তবে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব এবং সাম্প্রতিক সময়ে ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতজনিত জ্বালানি সংকটে ব্রিটেনের অর্থনীতি চাপে থাকায় বড় ধরনের ব্যয় বৃদ্ধি বা আমূল পরিবর্তনের সুযোগ সীমিত।
বার্নহ্যাম এর আগে বলেছিলেন, সরকারের উচিত “বন্ড বাজারের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসা”। পরে অবশ্য তিনি দাবি করেন, তার মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বৃহৎ পরিসরে রাষ্ট্রায়ত্তকরণ এবং অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে পুনরায় যোগ দেওয়ার পক্ষে আগের অবস্থান থেকেও সরে এসেছেন।
আবাসনমন্ত্রী স্টিভ রিড রোববার বলেন, বার্নহ্যাম ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে লেবার পার্টির দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং সরকারের বিদ্যমান আর্থিক নীতিমালা মেনে চলবেন। এর মধ্যে রয়েছে কর রাজস্বের মাধ্যমে দৈনন্দিন সরকারি ব্যয় নির্বাহ এবং মোট জাতীয় উৎপাদনের তুলনায় ঋণের হার কমিয়ে আনা।
স্কাই নিউজকে তিনি বলেন, “মৌলিক অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রে অ্যান্ডি বার্নহ্যাম স্পষ্ট করেছেন যে, তিনি আর্থিক শৃঙ্খলার সেই নিয়মগুলো মেনে চলবেন, যা ১৫ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো এই দেশের অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে এনেছে।”
মোলেন বলেন, “হয় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পূরণ করে স্থায়ী মর্যাদার আওতায় এখানে থাকার চেষ্টা করুন, নয়তো আমরা আপনাকে নিজ দেশে ফিরে যেতে সহায়তা করব।”
সময়সীমা শেষ হওয়ার প্রাক্কালে এনজিওগুলো এখনো প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহের চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া অভিবাসীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও পরামর্শ দেওয়ার কার্যক্রম জোরদার করেছে। স্পেনে প্রায় ৮ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অনানুষ্ঠানিকভাবে কাজ করেন এবং বৈধ বসবাসের অনুমতি পেতে অনেক ক্ষেত্রেই এক বছরেরও বেশি সময় লাগে।
বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
ড্রস্কি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই বিইটি অ্যাওয়ার্ডস দেখে বড় হয়েছি। আমার আগে যেসব কিংবদন্তি কৌতুক অভিনেতা এই অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন, তারা মানদণ্ড অনেক উঁচুতে নিয়ে গেছেন। সেই ইতিহাসের অংশ হতে পারাটা আমার জন্য গর্বের। তবে মঞ্চে আমি আমার নিজস্ব ধরনের কমেডিই নিয়ে আসব।”

বার্নহ্যাম প্রধানমন্ত্রী হলে গত এক দশকে যুক্তরাজ্যের সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হবেন। লেবার পার্টির অনেকের বিশ্বাস, ভোটারদের সঙ্গে কার্যকরভাবে যোগাযোগ স্থাপন এবং নাইজেল ফারাজের অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টির উত্থান মোকাবিলায় বার্নহ্যামের ব্যক্তিত্ব ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিই সবচেয়ে কার্যকর হতে পারে।
১৩ ঘণ্টা আগে