
বিডিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী পারমাণবিক আলোচনা বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাঈদি। আগামীকাল রোববার ওমানের মাসকটে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘রোববার মাসকটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক আর হচ্ছে না। তবে কূটনীতি ও সংলাপই স্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী পারমাণবিক আলোচনা ওমানের মধ্যস্থতায় চলছিল। কিন্তু ইসরায়েল ইরানের হামলা চালানোর পর এই আলোচনা বাতিল হয়ে গেল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আগেই বলেছিলেন, ইসরায়েল হামলা অব্যাহত থাকলে এই ধরনের আলোচনা ‘অন্যায্য’, তবে তখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার বাতিলের কথা বলেননি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী পারমাণবিক আলোচনা বাতিল হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাঈদি। আগামীকাল রোববার ওমানের মাসকটে এই বৈঠক হওয়ার কথা ছিল।
বিভিন্ন গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া বার্তায় বলেছেন, ‘রোববার মাসকটে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র বৈঠক আর হচ্ছে না। তবে কূটনীতি ও সংলাপই স্থায়ী শান্তির একমাত্র পথ।’
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরবর্তী পারমাণবিক আলোচনা ওমানের মধ্যস্থতায় চলছিল। কিন্তু ইসরায়েল ইরানের হামলা চালানোর পর এই আলোচনা বাতিল হয়ে গেল।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি আগেই বলেছিলেন, ইসরায়েল হামলা অব্যাহত থাকলে এই ধরনের আলোচনা ‘অন্যায্য’, তবে তখন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার বাতিলের কথা বলেননি।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।