
বিডিজেন ডেস্ক

কাতারে অবৈধভাবে থাকা প্রবাসীদের জন্য তিন মাসের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য পেনিনসুলা কাতারের প্রতিবেদনে গতকাল রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রবাসীদের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ৩ মাসের জন্য সাধার ক্ষমার ঘোষণা করা হয়েছে। আবাসন আইন লঙ্ঘন করে যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও কাতারে অবস্থান করছে তারা এ সময়ের মধ্যে জেল-জরিমানা ছাড়া দেশটি ত্যাগ করতে পারবেন।
কাতার সরকার জানায়, ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন মাস অবৈধ প্রবাসীরা কাতারের হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে সরাসরি নিজেদের দেশে ফিরে যেতে পারবেন।
এ ছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সালওয়া রোড-এ অবস্থিত ‘সার্চ অ্যান্ড ফলো-আপ ডিপার্টমেন্টে’ উপস্থিত হয়ে তারা দেশের ফেরার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করতে পারবেন।

কাতারে অবৈধভাবে থাকা প্রবাসীদের জন্য তিন মাসের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম দ্য পেনিনসুলা কাতারের প্রতিবেদনে গতকাল রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
সম্প্রতি কাতারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দেশটিতে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রবাসীদের জন্য ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী ৩ মাসের জন্য সাধার ক্ষমার ঘোষণা করা হয়েছে। আবাসন আইন লঙ্ঘন করে যারা ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও কাতারে অবস্থান করছে তারা এ সময়ের মধ্যে জেল-জরিমানা ছাড়া দেশটি ত্যাগ করতে পারবেন।
কাতার সরকার জানায়, ৯ ফেব্রুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন মাস অবৈধ প্রবাসীরা কাতারের হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মাধ্যমে সরাসরি নিজেদের দেশে ফিরে যেতে পারবেন।
এ ছাড়া সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন দুপুর ১টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সালওয়া রোড-এ অবস্থিত ‘সার্চ অ্যান্ড ফলো-আপ ডিপার্টমেন্টে’ উপস্থিত হয়ে তারা দেশের ফেরার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষ করতে পারবেন।
দেশটির অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক জাকারিয়া শাবান জানান, সোমবার দুপুর প্রায় ১টা ৩০ মিনিটে শুরু হওয়া এ অভিযানে ২০ জন অবৈধ অভিবাসীকে আটক করা হয়। তাদের সম্প্রতি কেলান্তানের একটি অবৈধ প্রবেশপথ দিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গাসান আল-নুয়াইমি বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ত্রুটি সংশোধন না করলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ওমরাহ খাতের নির্ভরযোগ্যতা বাড়ানো ও হাজিদের অধিকার সুরক্ষায় পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
খামেনি আরও বলেন, ‘আমরা কোনো যুদ্ধ শুরু করতে চাই না এবং কোনো দেশে আক্রমণের ইচ্ছাও আমাদের নেই। তবে যদি কেউ ইরানি জাতির ওপর হামলা চালায় কিংবা হয়রানি করার চেষ্টা করে, তবে তাদের ওপর পাল্টা কঠোর আঘাত হানা হবে।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন।