
জামান সরকার, হেলসিংকি (ফিনল্যান্ড) থেকে

ফিনল্যান্ড আবারও বিশ্ব আইস হকির শীর্ষে। ২০২৬ আইআইএইচএফ আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করেছে ফিনল্যান্ড।
গত রোববার (৩১ মে) আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফিনল্যান্ড আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জয়ের পরপরই সারা দেশে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। বিশেষ করে রাজধানী হেলসিংকিতে নেমে আসে উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে লাখো মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত হন।
সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে নির্ধারিত ৬০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। দুই দলের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায় ওভারটাইমে গড়ায়। অতিরিক্ত সময়ের ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে কনস্তা হেলেনিয়ুসের অসাধারণ গোলে অবশেষে জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে ফিনিশ শিবির।
ম্যাচজুড়ে ফিনল্যান্ডের গোলরক্ষক জাস্টুস আনুনেন ছিলেন দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো। সুইজারল্যান্ড একাধিক আক্রমণ চালালেও তার দৃঢ়তা ফিনল্যান্ডকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত হেলেনিয়ুসের একমাত্র গোলই গড়ে দেয় ইতিহাস।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিনল্যান্ডজুড়ে শুরু হয় বিজয় উদ্যাপন। রাজধানী হেলসিংকির বিভিন্ন সড়ক, উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ও জনসমাগমস্থলে হাজার হাজার মানুষ নীল-সাদা পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে আসেন। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আনন্দ মিছিল, গান, স্লোগান ও উচ্ছ্বাস।
হেলসিংকির কেন্দ্রীয় এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে বরণ করে নিতে সমবেত হন বিপুলসংখ্যক সমর্থক। শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই জাতীয় গৌরবের এই মুহূর্তকে উদযাপন করেন। অনেকের হাতে ছিল ফিনল্যান্ডের পতাকা, আবার কেউ কেউ জাতীয় দলের জার্সি পরে অংশ নেন উৎসবে।
এর আগে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জাতীয় গৌরব অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট ও সরকারের পক্ষ থেকে দলকে অভিনন্দন জানানো হয়। খেলোয়াড়েরা এই অর্জনকে ফিনল্যান্ডের জনগণের জন্য উৎসর্গ করেন।
আইস হকি ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি। ফুটবলের মতোই এই খেলাকে ঘিরে দেশটির মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা গভীর। ফলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই অর্জন শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য গর্ব ও আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

২০২২ সালের পর আবারও বিশ্বসেরা হয়ে ফিনল্যান্ড প্রমাণ করল যে আন্তর্জাতিক আইস হকির অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে তাদের অবস্থান এখনো অটুট। আর এই ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দে আজ নীল-সাদা রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে পুরো ফিনল্যান্ড, বিশেষ করে রাজধানী হেলসিংকি।
এক নজরে ২০২৬ আইআইএইচএফ আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ
*চূড়ান্ত স্কোর: ফিনল্যান্ড ১-০ সুইজারল্যান্ড
*সিদ্ধান্ত: সাডেন-ডেথ ওভারটাইম
*জয়সূচক গোলদাতা: কনস্তা হেলেনিয়ুস (Konsta Helenius)
*ভেন্যু: সুইস লাইফ এরিনা, জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
*ফিনল্যান্ডের বিশ্ব শিরোপা: পঞ্চম
*সর্বশেষ বিশ্ব শিরোপা: ২০২২
*সেমিফাইনালে শক্তিশালী কানাডাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ফিনল্যান্ড
*সুইজারল্যান্ডের ফাইনালে পরাজয়: ষষ্ঠ
*টানা তৃতীয়বার ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ সুইজারল্যান্ড
*তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ৩-২ গোলে কানাডাকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক জয় করে নরওয়ে

ফিনল্যান্ড আবারও বিশ্ব আইস হকির শীর্ষে। ২০২৬ আইআইএইচএফ আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে স্বাগতিক সুইজারল্যান্ডকে ১-০ গোলে হারিয়ে পঞ্চমবারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জয় করেছে ফিনল্যান্ড।
গত রোববার (৩১ মে) আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।
ফিনল্যান্ড আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জয়ের পরপরই সারা দেশে আনন্দের বন্যা বয়ে যায়। বিশেষ করে রাজধানী হেলসিংকিতে নেমে আসে উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে লাখো মানুষ জাতীয় পতাকা হাতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে বরণ করে নিতে প্রস্তুত হন।
সুইজারল্যান্ডের জুরিখে অনুষ্ঠিত শ্বাসরুদ্ধকর ফাইনালে নির্ধারিত ৬০ মিনিটে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। দুই দলের গোলরক্ষক ও রক্ষণভাগের দুর্দান্ত নৈপুণ্যে ম্যাচটি গোলশূন্য অবস্থায় ওভারটাইমে গড়ায়। অতিরিক্ত সময়ের ১০ মিনিট ৪২ সেকেন্ডে কনস্তা হেলেনিয়ুসের অসাধারণ গোলে অবশেষে জয়ের উল্লাসে ফেটে পড়ে ফিনিশ শিবির।
ম্যাচজুড়ে ফিনল্যান্ডের গোলরক্ষক জাস্টুস আনুনেন ছিলেন দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো। সুইজারল্যান্ড একাধিক আক্রমণ চালালেও তার দৃঢ়তা ফিনল্যান্ডকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত হেলেনিয়ুসের একমাত্র গোলই গড়ে দেয় ইতিহাস।

বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফিনল্যান্ডজুড়ে শুরু হয় বিজয় উদ্যাপন। রাজধানী হেলসিংকির বিভিন্ন সড়ক, উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ ও জনসমাগমস্থলে হাজার হাজার মানুষ নীল-সাদা পতাকা হাতে রাস্তায় নেমে আসেন। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে আনন্দ মিছিল, গান, স্লোগান ও উচ্ছ্বাস।
হেলসিংকির কেন্দ্রীয় এলাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলকে বরণ করে নিতে সমবেত হন বিপুলসংখ্যক সমর্থক। শিশু থেকে বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই জাতীয় গৌরবের এই মুহূর্তকে উদযাপন করেন। অনেকের হাতে ছিল ফিনল্যান্ডের পতাকা, আবার কেউ কেউ জাতীয় দলের জার্সি পরে অংশ নেন উৎসবে।
এর আগে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন দলের খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। জাতীয় গৌরব অর্জনের জন্য প্রেসিডেন্ট ও সরকারের পক্ষ থেকে দলকে অভিনন্দন জানানো হয়। খেলোয়াড়েরা এই অর্জনকে ফিনল্যান্ডের জনগণের জন্য উৎসর্গ করেন।
আইস হকি ফিনল্যান্ডের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলাগুলোর একটি। ফুটবলের মতোই এই খেলাকে ঘিরে দেশটির মানুষের আবেগ ও ভালোবাসা গভীর। ফলে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার এই অর্জন শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, বরং সমগ্র জাতির জন্য গর্ব ও আনন্দের উপলক্ষ হয়ে উঠেছে।

২০২২ সালের পর আবারও বিশ্বসেরা হয়ে ফিনল্যান্ড প্রমাণ করল যে আন্তর্জাতিক আইস হকির অন্যতম পরাশক্তি হিসেবে তাদের অবস্থান এখনো অটুট। আর এই ঐতিহাসিক জয়ের আনন্দে আজ নীল-সাদা রঙে রাঙা হয়ে উঠেছে পুরো ফিনল্যান্ড, বিশেষ করে রাজধানী হেলসিংকি।
এক নজরে ২০২৬ আইআইএইচএফ আইস হকি বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ
*চূড়ান্ত স্কোর: ফিনল্যান্ড ১-০ সুইজারল্যান্ড
*সিদ্ধান্ত: সাডেন-ডেথ ওভারটাইম
*জয়সূচক গোলদাতা: কনস্তা হেলেনিয়ুস (Konsta Helenius)
*ভেন্যু: সুইস লাইফ এরিনা, জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
*ফিনল্যান্ডের বিশ্ব শিরোপা: পঞ্চম
*সর্বশেষ বিশ্ব শিরোপা: ২০২২
*সেমিফাইনালে শক্তিশালী কানাডাকে ৪-২ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠে ফিনল্যান্ড
*সুইজারল্যান্ডের ফাইনালে পরাজয়: ষষ্ঠ
*টানা তৃতীয়বার ফাইনালে হেরে রানার্স-আপ সুইজারল্যান্ড
*তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ৩-২ গোলে কানাডাকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রোঞ্জ পদক জয় করে নরওয়ে
ম্যাচজুড়ে ফিনল্যান্ডের গোলরক্ষক জাস্টুস আনুনেন ছিলেন দুর্ভেদ্য প্রাচীরের মতো। সুইজারল্যান্ড একাধিক আক্রমণ চালালেও তার দৃঢ়তা ফিনল্যান্ডকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। শেষ পর্যন্ত হেলেনিয়ুসের একমাত্র গোলই গড়ে দেয় ইতিহাস।
কুয়েতের সরকারি বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, নিরাপত্তাজনিত কারণে সব ধরনের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে দেশটির বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। যেসব ফ্লাইট কুয়েতে অবতরণের কথা ছিল, সেগুলোকে বিকল্প বিমানবন্দরে ঘুরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
পাকিস্তানের শিয়া সম্প্রদায়ের নেতারা বলছেন, যুদ্ধ শুরুর পর বিতাড়নের ঘটনা আরও বেড়েছে। এই সংঘাতের কারণে পুরো উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বেড়েছে। বিশেষ করে ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।
ইউএসসিআইএসের নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কোনো বিদেশি যদি সাময়িকভাবে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন এবং গ্রিন কার্ড পেতে চান, তবে তাকে অবশ্যই নিজ দেশে ফিরে গিয়ে আবেদন করতে হবে।