
বিডিজেন ডেস্ক

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় অভিবাসনবিরোধী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই, বা আইস) সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে মিনিয়াপোলিস শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল শুক্রবার এ বিক্ষোভ হয়েছে। আমেরিকাজুড়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা শুক্রবার ক্লাস বর্জন করেছেন।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর ৩ হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। আইসিইর কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে ২ আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তার মা-বাবা রুশ ইহুদি। তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে আমেরিকা এসেছিলেন।
কাগান বলেন, “আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।”
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও গতকালের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তার নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই আমেরিকান নাগরিক নিহত হয়েছে, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী গতকাল মিছিল করেছে। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তার নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’

আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা অঙ্গরাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় অভিবাসনবিরোধী আইন প্রয়োগকারী সংস্থার (আইসিই, বা আইস) সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার দাবিতে মিনিয়াপোলিস শহরে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। গতকাল শুক্রবার এ বিক্ষোভ হয়েছে। আমেরিকাজুড়ে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা শুক্রবার ক্লাস বর্জন করেছেন।
খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
অভিবাসনবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি মিনেসোটার মিনিয়াপোলিস শহরে আইসিইর ৩ হাজার কর্মকর্তা মোতায়েন করেন। এ সংখ্যা শহরের পুলিশ বিভাগের সদস্যদের চেয়ে ৫ গুণ বেশি। আইসিইর কর্মকর্তারা বিশেষ পোশাক পরে রাস্তায় টহল দিচ্ছেন।
সম্প্রতি মিনিয়াপোলিসে আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে ২ আমেরিকান নাগরিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শহরটিতে আইসিইবিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়।
গতকাল মিনিয়াপোলিস শহরে তীব্র ঠান্ডার মধ্যে হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে আইসিই সদস্যদের প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ করেন। বিক্ষোভে পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যদের সঙ্গে শিশুরাও যোগ দিয়েছিল।
কাতিয়া কাগান নামের এক বিক্ষোভকারী ‘নো আইসিই’ লেখা পোশাক পরে মোমবাতি হাতে অবস্থান করছিলেন। তার মা-বাবা রুশ ইহুদি। তারা নিজেদের নিরাপত্তা ও উন্নত জীবনের সন্ধানে আমেরিকা এসেছিলেন।
কাগান বলেন, “আমি এখানে আছি। কারণ, আমি সেই আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের লড়াই করতে চাই, যেটার জন্য আমার মা-বাবা এখানে এসেছিলেন।”
কিম নামের ৬৫ বছর বয়সী এক যোগব্যায়ামের কোচও গতকালের বিক্ষোভে যোগ দিয়েছিলেন। তিনি তার নামের শেষ অংশ প্রকাশ করতে রাজি হননি। কিম অভিবাসনবিরোধী অভিযানকে ‘নাগরিকদের ওপর ফেডারেল সরকারের পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিস্ট হামলা’ বলে উল্লেখ করেছেন।
মিনিয়াপোলিসের যে এলাকায় চলতি মাসে আইসিই সদস্যদের গুলিতে দুই আমেরিকান নাগরিক নিহত হয়েছে, সেখানকার স্থানীয় স্কুলের প্রায় ৫০ জন শিক্ষক ও কর্মী গতকাল মিছিল করেছে। আইসিই কর্মকর্তাদের গুলিতে নিহত ব্যক্তিরা হলেন অ্যালেক্স প্রেটি ও রেনি গুড।
রকস্টার ব্রুস স্প্রিংস্টিনও এ প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন। তিনি ডাউনটাউনে গুড ও প্রেটির জন্য আয়োজিত তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানের মঞ্চে গিয়ে তার নতুন গান ‘স্ট্রিটস অব মিনিয়াপোলিস’ পরিবেশন করেছেন।
বিক্ষোভ শুধু মিনেসোটায় সীমিত থাকেনি। গতকাল আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬টি অঙ্গরাজ্যে প্রায় ২৫০টি বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। বড় শহরগুলোর মধ্যে রয়েছে নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস, শিকাগো ও ওয়াশিংটন। বিক্ষোভের মূল স্লোগান ছিল, ‘কোনো কাজ চলবে না, কোনো স্কুল চলবে না, কোনো কেনাকাটা চলবে না, আইসিইর জন্য অর্থায়ন বন্ধ করো।’
আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্ভাব্য বিমান হামলার ঝুঁকি উপেক্ষা করেই রাজধানী তেহরানে খোলা আকাশের নিচে ঈদের নামাজে শামিল হন হাজার–হাজার নারী-পুরুষ।
নওরোজের আগে গত ১৮ মার্চ রাতে ইরানিরা সাধারণত রাস্তায় নেমে অগ্নিকুণ্ড জ্বালিয়ে যে ঐতিহ্যবাহী উৎসব পালন করে, এবার তার কিছুই চোখে পড়েনি।
উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোতেও বোমাবর্ষণের আতঙ্ক উৎসবের আমেজকে ফিকে করে দিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ মনে করা এই দেশগুলো এখন তেহরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার ন্যাশনাল ইমাম কাউন্সিল ও ফতোয়া কাউন্সিল জানিয়েছে, স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক মানমন্দিরের সঙ্গে পরামর্শ এবং চাঁদের অবস্থান ও দৃশ্যমানতা সংক্রান্ত গাণিতিক হিসাব পর্যালোচনা করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।