
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দিন দিন বাড়ছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। ব্যবসা করতে হলে মাঠপর্যায় থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে ব্যবসা করলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আমিরাতের আজমান প্রদেশে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসির শাখা শুভ উদ্বোধনকালে অতিথিরা এসব কথা বলেন।
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আজমান প্রদেশে আল জারফ ইন্ডাষ্ট্রিয়াল এলাকায় এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, "আমিরাতে আসার পর থেকেই আমার পরিকল্পনা ছিল নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা৷। আর সে লক্ষ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আজমানে ২০২১ সালে ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম৷ ২০২৩ সালে দ্বিতীয় শাখা এবং ২০২৬ সালের শুরুতে আজ প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শাখা শুরু করলাম। বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে কর্মচারী আনতে পারছি না। ভিসার সমস্যা সমাধান হলে আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নিয়োগ দিতে পারতাম।"

প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনকালে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ মুজিবুল হক, লেখক ও সাংবাদিক শাহেদ সরওয়ার, মোহাম্মদ ইউনুচ মিয়া, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখ।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওসমান গণি চৌধুরী, ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, বিক্রয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম (রিপন) এবং মোহাম্মদ বশির, মোহাম্মদ ফরহাদ ফাহিম মোহাম্মদ আশরাফ, মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য জানিয়ে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, ২০২১ সাল থেকে আমিরাতে সাধারণ শ্রমিক ভিসা বন্ধ হওয়ার পর থেকে এখন অবধি চালু হয়নি৷ নতুন সরকারের মাধ্যমে দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হলে আবারও বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারবেন প্রবাসী ব্যবসায়ীরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতে দিন দিন বাড়ছে বাংলাদেশি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশিরা বিভিন্ন দেশে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলছেন। ব্যবসা করতে হলে মাঠপর্যায় থেকে অভিজ্ঞতা অর্জন করে ব্যবসা করলে লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
আমিরাতের আজমান প্রদেশে বাংলাদেশি মালিকানাধীন ‘ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসির শাখা শুভ উদ্বোধনকালে অতিথিরা এসব কথা বলেন।
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) আজমান প্রদেশে আল জারফ ইন্ডাষ্ট্রিয়াল এলাকায় এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিরা।
প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার মোহাম্মদ ওসমান বলেন, "আমিরাতে আসার পর থেকেই আমার পরিকল্পনা ছিল নিজস্ব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা৷। আর সে লক্ষ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সর্বপ্রথম আজমানে ২০২১ সালে ফয়সাল মাহমুদ বিল্ডিং মেটেরিয়ালস ট্রেডিং এলএলসি দিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলাম৷ ২০২৩ সালে দ্বিতীয় শাখা এবং ২০২৬ সালের শুরুতে আজ প্রতিষ্ঠানের তৃতীয় শাখা শুরু করলাম। বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে কর্মচারী আনতে পারছি না। ভিসার সমস্যা সমাধান হলে আরও কয়েকজন বাংলাদেশি নিয়োগ দিতে পারতাম।"

প্রতিষ্ঠানের উদ্বোধনকালে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, মোহাম্মদ মুজিবুল হক, লেখক ও সাংবাদিক শাহেদ সরওয়ার, মোহাম্মদ ইউনুচ মিয়া, মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক প্রমুখ।
এ সময় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ওসমান গণি চৌধুরী, ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী, বিক্রয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী চৌধুরী, শাখা ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম (রিপন) এবং মোহাম্মদ বশির, মোহাম্মদ ফরহাদ ফাহিম মোহাম্মদ আশরাফ, মোহাম্মদ মিজানুর রহমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের সাফল্য জানিয়ে উপস্থিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা বলেন, ২০২১ সাল থেকে আমিরাতে সাধারণ শ্রমিক ভিসা বন্ধ হওয়ার পর থেকে এখন অবধি চালু হয়নি৷ নতুন সরকারের মাধ্যমে দ্রুত ভিসা সমস্যার সমাধান হলে আবারও বাংলাদেশি শ্রমিক নিয়োগ দিতে পারবেন প্রবাসী ব্যবসায়ীরা।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।