
নাইম আবদুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’ শিরোনামে এক নান্দনিক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির লাকেম্বার গ্রামীণ হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
সিডনিপ্রবাসী প্রখ্যাত ছড়াকার ও কলামিস্ট অজয় দাশগুপ্তের ৬৭তম জন্মদিন উৎসব এবং অস্ট্রেলিয়া সফররত বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক সোহরাব হাসানের সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কথোপকথন, গান, আবৃত্তি ও আড্ডায় অংশ নেন সিডনিপ্রবাসী বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির সুধীজনেরা।

প্রশান্ত পারের বাংলা কাগজ প্রশান্তিকার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে ছিল প্যাসিফিক ফ্যাসিলিটিজ ও প্রশান্তিকা বইঘর।
স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রশান্তিকা সম্পাদক আতিকুর রহমান শুভ। এরপর সঞ্চালনার দায়িত্ব তিনি তুলে দেন সিডনিপ্রবাসী অভিনেতা ও নির্মাতা মাজনুন মিজানের হাতে।
অনুষ্ঠানে সভাপতি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন যথাক্রমে সর্বজন শ্রদ্ধেয় গামা আব্দুল কাদির ও মোহাম্মদ শফিকুল আলম।

প্রশান্তিকা ও আগত অতিথিদের অনেকেই অজয় দাশগুপ্ত ও সোহরাব হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করেন। এ ছাড়া, প্রশান্তিকার পক্ষ থেকে ফুল ও বই উপহার দেওয়া হয় মিসেস সোহরাব হাসান, শিল্পী লিলি গোমেজ, অমিয়া মতিন, অভিজিৎ বড়ুয়া ও আরাফাত হোসেনকে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নেহাল নেয়ামুল বারী, রাজনীতিবিদ ড. সিরাজুল হক, আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম, ইফতেখার উদ্দিন ইবতু, সেলিমা বেগম, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত সমাজসেবক এস এম আব্রাহাম লিংকন, ক্যাম্বেলটাউনের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী ও আশিকুর রহমান আশ, একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সুলতান মাহমুদ, সাংবাদিক মুহাম্মদ আব্দুল মতিন, রহমতউল্লাহ, কাজী সুলতানা শিমি ও ঝর্ণা মণি, মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং গামা আব্দুল কাদির।

বক্তব্য শেষে অজয় দাশগুপ্তের স্ত্রী দীপা দাশগুপ্ত অজয় দাশগুপ্ত ও সোহরাব হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সোহরাব হাসানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ছড়াকার অজয় দাশগুপ্ত।
সাংস্কৃতিক পর্বে অজয় দাশগুপ্তের ছড়া আবৃত্তি করেন সাংস্কৃতিক কর্মী, সংগঠক ও আমাদের কথা সম্পাদক পূরবী পারমিতা বোস।

অনুষ্ঠানের শিরোনাম ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’—এই নামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান পরিবেশন করেন শিল্পী লিলি গোমেজ। এ ছাড়া, শিল্পী অমিয়া মতিন পরপর পাঁচটি গান পরিবেশন করেন। দর্শকের অনুরোধে তিনি আরও দুটি গান গেয়ে শোনান।
সাংবাদিক ও লেখক সোহরাব হাসান ও অজয় দাশগুপ্ত অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তাদের বইতে পাঠকদের অটোগ্রাফ দেন। সবশেষে সকল অতিথিকে নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।

অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের রাজধানী সিডনিতে ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’ শিরোনামে এক নান্দনিক সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় সিডনির লাকেম্বার গ্রামীণ হলে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
সিডনিপ্রবাসী প্রখ্যাত ছড়াকার ও কলামিস্ট অজয় দাশগুপ্তের ৬৭তম জন্মদিন উৎসব এবং অস্ট্রেলিয়া সফররত বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক সোহরাব হাসানের সংবর্ধনা উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে নির্বাচিত কথোপকথন, গান, আবৃত্তি ও আড্ডায় অংশ নেন সিডনিপ্রবাসী বিভিন্ন পেশা ও শ্রেণির সুধীজনেরা।

প্রশান্ত পারের বাংলা কাগজ প্রশান্তিকার আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে ছিল প্যাসিফিক ফ্যাসিলিটিজ ও প্রশান্তিকা বইঘর।
স্বাগত বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রশান্তিকা সম্পাদক আতিকুর রহমান শুভ। এরপর সঞ্চালনার দায়িত্ব তিনি তুলে দেন সিডনিপ্রবাসী অভিনেতা ও নির্মাতা মাজনুন মিজানের হাতে।
অনুষ্ঠানে সভাপতি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন যথাক্রমে সর্বজন শ্রদ্ধেয় গামা আব্দুল কাদির ও মোহাম্মদ শফিকুল আলম।

প্রশান্তিকা ও আগত অতিথিদের অনেকেই অজয় দাশগুপ্ত ও সোহরাব হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও উপহার প্রদান করেন। এ ছাড়া, প্রশান্তিকার পক্ষ থেকে ফুল ও বই উপহার দেওয়া হয় মিসেস সোহরাব হাসান, শিল্পী লিলি গোমেজ, অমিয়া মতিন, অভিজিৎ বড়ুয়া ও আরাফাত হোসেনকে।
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নেহাল নেয়ামুল বারী, রাজনীতিবিদ ড. সিরাজুল হক, আব্দুল্লাহ আল নোমান শামীম, ইফতেখার উদ্দিন ইবতু, সেলিমা বেগম, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত সমাজসেবক এস এম আব্রাহাম লিংকন, ক্যাম্বেলটাউনের কাউন্সিলর মাসুদ চৌধুরী ও আশিকুর রহমান আশ, একুশে একাডেমি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি সুলতান মাহমুদ, সাংবাদিক মুহাম্মদ আব্দুল মতিন, রহমতউল্লাহ, কাজী সুলতানা শিমি ও ঝর্ণা মণি, মোহাম্মদ শফিকুল আলম এবং গামা আব্দুল কাদির।

বক্তব্য শেষে অজয় দাশগুপ্তের স্ত্রী দীপা দাশগুপ্ত অজয় দাশগুপ্ত ও সোহরাব হাসানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। এ সময় সোহরাব হাসানসহ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে জন্মদিনের কেক কাটেন ছড়াকার অজয় দাশগুপ্ত।
সাংস্কৃতিক পর্বে অজয় দাশগুপ্তের ছড়া আবৃত্তি করেন সাংস্কৃতিক কর্মী, সংগঠক ও আমাদের কথা সম্পাদক পূরবী পারমিতা বোস।

অনুষ্ঠানের শিরোনাম ‘ভরা থাক স্মৃতিসুধায়’—এই নামে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গান পরিবেশন করেন শিল্পী লিলি গোমেজ। এ ছাড়া, শিল্পী অমিয়া মতিন পরপর পাঁচটি গান পরিবেশন করেন। দর্শকের অনুরোধে তিনি আরও দুটি গান গেয়ে শোনান।
সাংবাদিক ও লেখক সোহরাব হাসান ও অজয় দাশগুপ্ত অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে তাদের বইতে পাঠকদের অটোগ্রাফ দেন। সবশেষে সকল অতিথিকে নৈশভোজে আপ্যায়িত করা হয়।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।