
বিডিজেন ডেস্ক

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক প্রাণবন্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়া। এ ছাড়া, আঙ্কারায় নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কুটনৈতিক সদস্য এবং তুরস্কের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক ও দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান সস্ত্রীক অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও তুরস্কের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানস্থলে বাংলাদেশি বিভিন্ন সংস্কৃতি, চিত্র এবং পণ্য প্রদর্শনী দেশি-বিদেশি সকলকে মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক কূটনৈতিক অঙ্গনের সদস্য, অতিথি ও বাংলাদেশের বন্ধুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের জাতীয় দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতির অসীম আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথার এক গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ স্মারক। এ দিবসসমূহ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার চিরন্তন আদর্শে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করে। এই দিনে, আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই অগণিত শহিদদের স্মরণ করি, যাদের অসীম সাহস, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের মহান মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত পয়লা বৈশাখের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতির নবজাগরণ, আশা এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এটি এমন একটি উৎসব যা সীমানা অতিক্রম এবং আগামী বছরের জন্য ঐক্য, সম্প্রীতি ও আশাবাদের এক অভিন্ন চেতনায় মানুষকে একত্রিত করে।
তিনি আরও বলেন, তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত মিত্র ও মূল্যবান অংশীদার। আমাদের উন্নয়নমূলক অগ্রগতিতে তুরস্কের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আমাদের উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণকর হবে।
রাষ্ট্রদূত উপস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস প্রধান ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থন দেওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তুরস্কের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়া বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি সকল ক্ষেত্র ও পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনার প্রতি তার গভীর আস্থা ব্যক্ত করেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান বাণিজ্য পরিমাণ এখনো সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। এ প্রেক্ষিতে তিনি বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা, শিল্প, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সক্ষমতা উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বহুপক্ষীয় অঙ্গনে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে স্বাগত জানান এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘে—বিশেষত শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে—বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উল্লেখযোগ্য অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত। এসব অবদান বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদকে দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কেক কাটা এবং বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কমিউনিটির শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এরপর আগত অতিথিদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করা হয়।

বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস এবং বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদ্যাপন উপলক্ষে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাস প্রাঙ্গণে এক প্রাণবন্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল বুধবার (২২ এপ্রিল) স্থানীয় সময় দুপুর ১টায় এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়া। এ ছাড়া, আঙ্কারায় নিয়োজিত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, কুটনৈতিক সদস্য এবং তুরস্কের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশ রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক ও দূতাবাসের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইফতেকুর রহমান সস্ত্রীক অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান।
তুরস্কের বাংলাদেশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ও তুরস্কের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়। অনুষ্ঠানস্থলে বাংলাদেশি বিভিন্ন সংস্কৃতি, চিত্র এবং পণ্য প্রদর্শনী দেশি-বিদেশি সকলকে মুগ্ধ করে।
অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রদূত মো. আমানুল হক কূটনৈতিক অঙ্গনের সদস্য, অতিথি ও বাংলাদেশের বন্ধুদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন বাংলাদেশের জাতীয় দিবস ও মহান স্বাধীনতা দিবস ১৯৭১ সালে বাঙালি জাতির অসীম আত্মত্যাগ ও বীরত্বগাথার এক গভীর ও তাৎপর্যপূর্ণ স্মারক। এ দিবসসমূহ গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার চিরন্তন আদর্শে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ঐতিহাসিক তাৎপর্য বহন করে। এই দিনে, আমরা গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে সেই অগণিত শহিদদের স্মরণ করি, যাদের অসীম সাহস, সহনশীলতা ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমাদের মহান মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত পয়লা বৈশাখের গুরুত্বও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পয়লা বৈশাখ আমাদের জাতির নবজাগরণ, আশা এবং সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক উচ্ছ্বাসের এক উজ্জ্বল প্রতীক। এটি এমন একটি উৎসব যা সীমানা অতিক্রম এবং আগামী বছরের জন্য ঐক্য, সম্প্রীতি ও আশাবাদের এক অভিন্ন চেতনায় মানুষকে একত্রিত করে।
তিনি আরও বলেন, তুরস্ক দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের একটি বিশ্বস্ত মিত্র ও মূল্যবান অংশীদার। আমাদের উন্নয়নমূলক অগ্রগতিতে তুরস্কের ধারাবাহিক সমর্থনের জন্য আমরা আন্তরিকভাবে কৃতজ্ঞ। বাংলাদেশ-তুরস্ক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যা আমাদের উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণকর হবে।
রাষ্ট্রদূত উপস্থিত বিভিন্ন দূতাবাস প্রধান ও প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্যে আসন্ন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি হিসাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থন দেওয়ার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে তুরস্কের উপ পররাষ্ট্রমন্ত্রী মুসা কুলাকলিকায়া বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান দীর্ঘস্থায়ী ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও জোরদার করার প্রতি তার দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের মধ্যে বিরাজমান চমৎকার রাজনৈতিক সম্পর্ক ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

তিনি সকল ক্ষেত্র ও পর্যায়ে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের ব্যাপক সম্ভাবনার প্রতি তার গভীর আস্থা ব্যক্ত করেন। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে বলেন, বর্তমান বাণিজ্য পরিমাণ এখনো সম্ভাবনার তুলনায় অনেক কম। এ প্রেক্ষিতে তিনি বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং প্রতিরক্ষা, শিল্প, শিক্ষা, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও সক্ষমতা উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বহুপক্ষীয় অঙ্গনে তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতিত্বের জন্য বাংলাদেশের প্রার্থিতাকে স্বাগত জানান এবং এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রচেষ্টার প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, জাতিসংঘে—বিশেষত শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের ক্ষেত্রে—বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উল্লেখযোগ্য অবদান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত। এসব অবদান বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সাধারণ পরিষদকে দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সক্ষমতার সুস্পষ্ট প্রতিফলন বলে তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যের পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে কেক কাটা এবং বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ কমিউনিটির শিল্পীদের অংশগ্রহণে এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এরপর আগত অতিথিদের মধ্যাহ্নভোজে আপ্যায়িত করা হয়।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।