
বাহার উদ্দিন বকুল, জেদ্দা, সৌদি আরব

সৌদি আরবের জেদ্দায় প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি ইকবাল হোসেন শামীম।
সম্প্রতি সপরিবার পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় তিনি প্রবাসীদের সার্বিক জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা নিতে ঐতিহ্যবাহী আল বালাদ, কর্নিশ ও জেদ্দা পার্ক পরিদর্শন করেন। সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে প্রবাসীদের নিরলস পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের জন্য তিনি বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা বিশ্বের যে দেশেই অবস্থান করুন না কেন, সততা, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে নিজেদের পাশাপাশি বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থেকে তা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রবাসে এমন কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যার ফলে অন্য বাংলাদেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন বা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

প্রবাসীদের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ—দেশে থাকা পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "প্রবাসীরা যাতে বিদেশে নিশ্চিন্তে ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারেন এবং দেশের অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে পারেন, সে জন্য দেশে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধী চক্র বা স্বার্থান্বেষী মহল যেন প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। প্রবাসীদের পরিবারের যেকোনো অভিযোগ বা আইনি সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাসও দেন তিনি।

অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিআইজি বলেন, মাদক চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং বাংলাদেশ পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, শিশু নির্যাতন, কিশোর গ্যাং, শিশু ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর ও আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব বিজনেস ইনভেস্টরস ফোরামের সভাপতি আলহাজ আবদুর রহমান, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা শেখ জাকির হোসেন, লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সহসভাপতি মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন বকুল, সাংবাদিক মাসুদ সেলিম, সাংবাদিক জামাল উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন প্রমুখ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যক্তিবর্গ।

সৌদি আরবের জেদ্দায় প্রবাসী বাংলাদেশি ব্যবসায়ী ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেছেন ঢাকা রেঞ্জ পুলিশের ডিআইজি ইকবাল হোসেন শামীম।
সম্প্রতি সপরিবার পবিত্র ওমরাহ পালন শেষে প্রবাসীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
এ সময় তিনি প্রবাসীদের সার্বিক জীবনযাত্রা ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা নিতে ঐতিহ্যবাহী আল বালাদ, কর্নিশ ও জেদ্দা পার্ক পরিদর্শন করেন। সেখানে উপস্থিত বাংলাদেশিদের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা ও প্রত্যাশার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনেন।

মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে প্রবাসীদের নিরলস পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের জন্য তিনি বাংলাদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, প্রবাসীরা বিশ্বের যে দেশেই অবস্থান করুন না কেন, সততা, নিষ্ঠা ও শৃঙ্খলার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে নিজেদের পাশাপাশি বাংলাদেশের সুনাম ও মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে। তিনি সংশ্লিষ্ট দেশের আইন, সংস্কৃতি ও সামাজিক মূল্যবোধের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল থেকে তা মেনে চলার আহ্বান জানান।
একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রবাসে এমন কোনো বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়ানো উচিত নয়, যার ফলে অন্য বাংলাদেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন বা আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়।

প্রবাসীদের অন্যতম প্রধান উদ্বেগ—দেশে থাকা পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "প্রবাসীরা যাতে বিদেশে নিশ্চিন্তে ও মনোযোগ দিয়ে কাজ করতে পারেন এবং দেশের অর্থনীতিতে আরও বেশি অবদান রাখতে পারেন, সে জন্য দেশে থাকা তাদের পরিবার-পরিজনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বাংলাদেশ পুলিশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।"
তিনি আরও বলেন, কোনো অপরাধী চক্র বা স্বার্থান্বেষী মহল যেন প্রবাসীদের পরিবারের সদস্যদের হয়রানি করতে না পারে, সে বিষয়ে পুলিশ সর্বদা সতর্ক রয়েছে। প্রবাসীদের পরিবারের যেকোনো অভিযোগ বা আইনি সমস্যাকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত নিষ্পত্তির আশ্বাসও দেন তিনি।

অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ডিআইজি বলেন, মাদক চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে এবং বাংলাদেশ পুলিশ এ বিষয়ে কঠোর অভিযান পরিচালনা করছে।
তিনি জানান, শিশু নির্যাতন, কিশোর গ্যাং, শিশু ধর্ষণ, নারী নির্যাতন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে পুলিশ কঠোর ও আপসহীন অবস্থানে রয়েছে। এসব অপরাধের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে এবং কোনো অপরাধীকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

মতবিনিময়কালে উপস্থিত ছিলেন সৌদি আরব বিজনেস ইনভেস্টরস ফোরামের সভাপতি আলহাজ আবদুর রহমান, বৃহত্তর নোয়াখালী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা শেখ জাকির হোসেন, লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সহসভাপতি মোহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, লক্ষ্মীপুর প্রবাসী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক বাহার উদ্দিন বকুল, সাংবাদিক মাসুদ সেলিম, সাংবাদিক জামাল উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন প্রমুখ প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির ব্যক্তিবর্গ।
মতবিনিময়কালে ইকবাল হোসেন শামীম বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রার পেছনে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলকে ইসলামাবাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান পাকিস্তান সরকারের আইন ও বিচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যরিস্টার আকিল মালিক এবং পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান।
ফরহাদ হোসেনের নির্দেশনায় দুই দিনব্যাপী হাউসফুল দর্শকের সামনে মঞ্চস্থ হলো হুমায়ূন আহমেদের জ্বীন কফিল! উপস্থিত ছিলেন বিপাশা আহমেদ এবং নূহাশ হুমায়ূন।
পরামর্শ সভায় বাংলাদেশ-তুরস্ক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা জোরদারের বিভিন্ন কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়। এর মধ্যে ছিল নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বৃদ্ধি, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণ, সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) জোরদার।