logo
সুপ্রবাস

বার্লিনে বিশ্বসংস্কৃতির মিছিলে নজর কাড়লেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

বিডিজেন ডেস্ক
বিডিজেন ডেস্ক৮ ঘণ্টা আগে
Copied!
বার্লিনে বিশ্বসংস্কৃতির মিছিলে নজর কাড়লেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা
উৎসবে নেচেগেয়ে মাতিয়ে রাখেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

জার্মানির বার্লিনে আন্তসংস্কৃতি উৎসবে বরাবরের মতো এবারও অংশ নিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা। এ উপলক্ষে গত রোববার ২৪ মে বার্লিনের রাজপথে নানা জাতি-সংস্কৃতির লাখো মানুষের ঢল নেমেছিল। এ উৎসবে প্রবাসী বাংলাদেশিরা নিজস্ব সংস্কৃতির রঙিন পোশাক আর নাচে-গানে তারা বার্লিনের রাস্তা মাতিয়ে তোলেন। সবার নজর কাড়েন।

জার্মান ভাষায় এ উৎসবের নাম ‘কার্নিভ্যাল ডের কুলটুর’। এবার এ উৎসবের ৩০ বছর পূর্তি হলো। জার্মানিতে বর্ণবাদ-জাতিবৈষম্য, বিশেষ করে এখানে বসবাসরত অভিবাসীদের প্রতি বিদ্বেষের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক প্রতিরোধের অংশ হিসেবে ১৯৯৬ সালে শুরু হয়েছিল এই ‘কার্নিভ্যাল’।

উৎসব উপলক্ষে রোববার বার্লিন শহরের প্রাণকেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্ট অ্যাভিনিউ থেকে কার্ল মার্ক্স অ্যাভিনিউ পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তাজুড়ে বিশ্বসংস্কৃতির মেলা বসেছিল। বার্লিনের টাগেস স্পিগেল পত্রিকা বলছে, এদিন রাস্তার দুই পাশে প্রায় ৮ লাখ মানুষ জমায়েত হয়েছিল।

জড়ো হওয়া মানুষ বর্ণবাদ, ধর্মীয় মৌলবাদ, জাতিবৈষম্য, সাম্প্রদিয়কতা, অভিবাসীবিদ্বেষের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে শামিল হন। পাশাপাশি তারা তুলে ধরেন নিজস্ব কৃষ্টি-সংস্কৃতি।

বিশ্বসংস্কৃতির এই মিলনমেলায় ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা, এশিয়াসহ বিশ্বের নানা প্রান্তের মানুষ অংশ নেন। অংশগ্রহণকারীদের বর্ণাঢ্য পোশাক, গানবাজনা আর নৃত্যের তালে তালে বার্লিন হয়ে ওঠে ছন্দময়, বর্ণিল।

বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা। তারা জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক, আধুনিক, লোকগীতির সঙ্গে নেচেগেয়ে বার্লিনের রাস্তা মাতিয়ে তোলেন। তারা যখন এগিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন রাস্তার দুই পাশের মানুষ করতালি দিয়ে, উল্লাস-উচ্ছ্বাসে তাদের অভিনন্দন জানান।

বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরাম বলছে, এবারের উৎসবে তাদের উপস্থাপিত বিষয়ের প্রতিপাদ্য ছিল মঙ্গল শোভাযাত্রা। তারা ধর্মীয় মৌলবাদ, সাম্প্রদিয়কতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের, বাঙালির দৃঢ় অবস্থানের বার্তা দিয়েছে। প্রতিবছরই এ উৎসবে প্রবাসীদের অংশগ্রহণের পরিসর বাড়ছে। বাড়ছে সাংস্কৃতিক পরিবেশনার জৌলুশ।

উৎসব উপলক্ষে আগের দিন শনিবার বার্লিনে ‘বাংলার উঠান’ নামে একটি সংগঠনের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ছিল। এতে বর্ণিল পোশাকে শিশু-কিশোরেরা অংশ নেয়।

২০০২ সাল থেকে প্রবাসী বাংলাদেশিরা বার্লিনের এ উৎসবের সহযাত্রী।

আরও দেখুন

কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চালু হলো বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মেজবান

কুয়ালালামপুরের হাংতুয়ায় চালু হলো বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট মেজবান

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।

৮ ঘণ্টা আগে

বার্লিনে বিশ্বসংস্কৃতির মিছিলে নজর কাড়লেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

বার্লিনে বিশ্বসংস্কৃতির মিছিলে নজর কাড়লেন প্রবাসী বাংলাদেশিরা

বিগত বছরগুলোর মতো এবারও বার্লিনের বেঙ্গলিশে কুলটর ফোরামের উদ্যোগে এ উৎসবে শরিক হয়েছিলেন জার্মানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা। নারীরা লাল শাড়ি, কপালে টিপ, খোঁপায় রঙিন ফুল ও দেশীয় অলংকার পরে উৎসবে অংশ নেন। পুরুষেরা পরেন লুঙ্গি, ফতুয়া। মাথায় বাঁধেন গামছা।

৮ ঘণ্টা আগে

কুয়েতে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল

কুয়েতে সাবেক মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফের স্মরণে সভা ও দোয়া মাহফিল

সভায় বক্তারা ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেনের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন ও দেশের অবদানের কথা স্মরণ করেন। বিশেষ করে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা, চট্টগ্রামের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং মিরসরাইয়ে দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইকোনমিক জোন) প্রতিষ্ঠায় তার দূরদর্শী নেতৃত্বের কথা তুলে ধরেন।

১ দিন আগে

সংহতি জানাতে কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী দিচ্ছে বাংলাদেশ

সংহতি জানাতে কুয়েতকে ২৪০ টন খাদ্যসামগ্রী দিচ্ছে বাংলাদেশ

দূতাবাস বলছে, চলমান আঞ্চলিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দীর্ঘকাল বন্ধ থাকায় এবং এর ফলে কুয়েতের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর সৃষ্ট চাপ মোকাবিলায় এই সহায়তা কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুত শক্তিশালীকরণ এবং জরুরি প্রয়োজন পূরণে সহায়ক হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

১ দিন আগে