
বিডিজেন ডেস্ক

পাকিস্তানের বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশেহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
এ উপলক্ষে রাজধানী ইসলামাবাদে হাইকমিশন কমপ্লেক্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এ অনুষ্ঠানমালায় অংশগ্রহণ করেন। দূতালয় প্রাঙ্গণ বিজয় দিবসের ব্যানার ও পোস্টার দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান উপস্থিত সকলকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তারপর কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আলোচনাপর্বে বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।

তিনি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদ, যুদ্ধাহতসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রমহারা মা-বোন, শহিদ পরিবারের সদস্য ও আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে আবদান রাখা সকল সংগ্রামী যোদ্ধাদের, যাদের ত্যাগ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। এ ছাড়া, তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আগামীতে এমন একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থকতা লাভ করে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

সবশেষে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ ছাড়াও, বিকেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণে শিশু-কিশোরসহ সকলের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। বিজ্ঞপ্তি

পাকিস্তানের বাংলাদেশ হাইকমিশন যথাযথ মর্যাদা, উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আনন্দমুখর পরিবেশেহান বিজয় দিবস উদ্যাপন করেছে।
এ উপলক্ষে রাজধানী ইসলামাবাদে হাইকমিশন কমপ্লেক্সে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা আয়োজন করা হয়। হাইকমিশনের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্য এবং প্রবাসী বাংলাদেশীরাও এ অনুষ্ঠানমালায় অংশগ্রহণ করেন। দূতালয় প্রাঙ্গণ বিজয় দিবসের ব্যানার ও পোস্টার দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়।

মঙ্গলবার (১৬ ডিসেম্বর) সকালে দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান উপস্থিত সকলকে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। তারপর কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা ও পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়। এরপর মহান বিজয় দিবসের তাৎপর্যভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শিত হয়।
আলোচনাপর্বে বক্তারা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বিজয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।
সমাপনী বক্তব্যে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান বলেন, ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতির এক গৌরবোজ্জ্বল দিন।

তিনি গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদ, যুদ্ধাহতসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রমহারা মা-বোন, শহিদ পরিবারের সদস্য ও আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে আবদান রাখা সকল সংগ্রামী যোদ্ধাদের, যাদের ত্যাগ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ। এ ছাড়া, তিনি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শহিদ ও আহত ছাত্র-জনতার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতি ও স্বৈরাচারমুক্ত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সুযোগ পেয়েছি। রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে আগামীতে এমন একটি গণতান্ত্রিক, উন্নত, সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে, যাতে শহীদদের আত্মত্যাগ সার্থকতা লাভ করে।
তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে।

সবশেষে দেশের জন্য আত্মত্যাগকারী শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি, অগ্রগতি ও কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
এ ছাড়াও, বিকেলে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে দূতালয় প্রাঙ্গণে শিশু-কিশোরসহ সকলের অংশগ্রহণে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আকর্ষণীয় পুরস্কার বিতরণ এবং নৈশভোজের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়। বিজ্ঞপ্তি
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে