
বিডিজেন ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। বুধবার (২ এপ্রিল) পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গর্ভনর জেনারেলের অফিশিয়াল সেক্রেটারি গেরাল্ড মার্টিন পিএসএম, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধি মিজ ক্যাটরিনা কুপার, ডেপুটি সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও অস্ট্রেলিয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিচয়পত্র পেশ শেষে হাইকমিশনার গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত একান্ত আলোচনায় মিলিত হন।
হাইকমিশনার গভর্নর জেনারেলকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশের জনগণের শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন। একইভাবে গভর্নর জেনারেল বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি হাইকমিশনারকে অভিনন্দন জানান এবং তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ার আগে এফ এম বোরহান উদ্দিন ফিলিপাইনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি

অস্ট্রেলিয়ার গভর্নর জেনারেল স্যাম মোস্টান এসির কাছে পরিচয়পত্র পেশ করেছেন দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এফ এম বোরহান উদ্দিন। বুধবার (২ এপ্রিল) পরিচয়পত্র পেশ করেন তিনি।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন গর্ভনর জেনারেলের অফিশিয়াল সেক্রেটারি গেরাল্ড মার্টিন পিএসএম, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতিনিধি মিজ ক্যাটরিনা কুপার, ডেপুটি সেক্রেটারি এবং বাংলাদেশ হাইকমিশনের কর্মকর্তা ও অস্ট্রেলিয়া সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তারা।
পরিচয়পত্র পেশ শেষে হাইকমিশনার গভর্নর জেনারেলের সঙ্গে সংক্ষিপ্ত একান্ত আলোচনায় মিলিত হন।
হাইকমিশনার গভর্নর জেনারেলকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধান উপদেষ্টা এবং বাংলাদেশের জনগণের শুভেচ্ছাবার্তা পৌঁছে দেন। একইভাবে গভর্নর জেনারেল বাংলাদেশ রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানকে এবং বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। তিনি হাইকমিশনারকে অভিনন্দন জানান এবং তাকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়ায় হাইকমিশনার নিযুক্ত হওয়ার আগে এফ এম বোরহান উদ্দিন ফিলিপাইনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বিজ্ঞপ্তি
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।