
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইজ্জান গ্লোবাল ফুটসাল কাপ ২০২৫-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলামি ইউভার্সিটি অব মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) দল।
দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তরুণদের সংগঠন বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার (বিয়াম) সিটি ইউনিভার্সিটি চ্যাপ্টারের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরের সেতাপাক ইনডোর স্টেডিয়ামে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, নেতৃত্ববোধ ও ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া (আইআইইউএম)। রানারআপ হয় মাহসা ইউনিভার্সিটি ও সেকেন্ড রানারআপ হওয়ার সম্মান অর্জন করে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি।
ফাইনাল ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন আইআইইউএমের হামজা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন রাফি।
টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে স্বাগতিক সিটি ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া ছাড়াও আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া, ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া, মাহসা ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাইবারজায়া, ইউসিএমআই, আলফা ইউনিভার্সিটি কলেজ, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, লিংকন ইউনিভার্সিটি ও জিওমেটিকা ইউনিভার্সিটি।

বিয়ামের প্রেসিডেন্ট বশির ইবনে জাফরের সভাপতিত্বে এবং কিফায়াতুল্লাহ বিন সাইফের সঞ্চালনায় আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “বিয়ামের আয়োজনে আজ শুধু ফাইনাল ম্যাচটি দেখার সুযোগ হয়েছে এবং ম্যাচটি আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি চাই বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া ভবিষ্যতেও এমন বড় পরিসরের আয়োজন করুক, সেখানে আমিও অংশ নিতে চাই।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মাহবুব আলম শাহ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর শামিম আল হাসান সারওয়ার, ইজ্জান গ্লোবাল ও টিএস ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহমেদ, ইয়ুথ হাব ফাউন্ডেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব পাভেল সারওয়ার, বিয়ামের উপদেষ্টা এমডি খাইরুজ্জামান ও মারশাদ ফুডের ডিজিটাল মার্কেটিং নির্বাহী।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ও বিয়ামের সেক্রেটারি জেনারেল এমডি রফিকুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট উসামা বিন আব্দুল বারী, সহকারী সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান মাহফুজ, ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কমিউনিটির উপদেষ্টা আশিবুর হাসনাত সাদি, বিয়াম সিটি ইউনিভার্সিটি চ্যাপ্টারের সভাপতি মোহাইমিনুল ইসলাম রাতুল, ভাইস প্রেসিডেন্ট নিবিড় রাশেদ, সহ পরিচালক তামিম, বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদুল্লাহ গালিব রাব্বি, প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর এমডি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্ব ও সংগঠনিক দক্ষতা, পাশাপাশি বিয়ামের সকল চ্যাপ্টারের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই আন্তর্জাতিক মানের আয়োজনের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
টুর্নামেন্টটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল উচ্চশিক্ষা ও ভ্রমণবিষয়ক পরামর্শ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টিএস ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ইজ্জান গ্লোবাল ফুটসাল কাপ ২০২৫-এ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলামি ইউভার্সিটি অব মালয়েশিয়া (আইআইইউএম) দল।
দেশটিতে বসবাসরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ও তরুণদের সংগঠন বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়ার (বিয়াম) সিটি ইউনিভার্সিটি চ্যাপ্টারের উদ্যোগে এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার (২১ ডিসেম্বর) কুয়ালালামপুরের সেতাপাক ইনডোর স্টেডিয়ামে ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। প্রবাসী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে সৌহার্দ্য, নেতৃত্ববোধ ও ক্রীড়া সংস্কৃতি বিকাশের লক্ষ্যেই এই আয়োজন করা হয়।
প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া (আইআইইউএম)। রানারআপ হয় মাহসা ইউনিভার্সিটি ও সেকেন্ড রানারআপ হওয়ার সম্মান অর্জন করে এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি।
ফাইনাল ম্যাচে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ম্যাচসেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন আইআইইউএমের হামজা। পুরো টুর্নামেন্টজুড়ে ধারাবাহিক নৈপুণ্যের স্বীকৃতিস্বরূপ টুর্নামেন্ট সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার অর্জন করেন রাফি।
টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ করে স্বাগতিক সিটি ইউনিভার্সিটি মালয়েশিয়া ছাড়াও আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়া, ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া, মাহসা ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সাইবারজায়া, ইউসিএমআই, আলফা ইউনিভার্সিটি কলেজ, এশিয়া প্যাসিফিক ইউনিভার্সিটি, লিংকন ইউনিভার্সিটি ও জিওমেটিকা ইউনিভার্সিটি।

বিয়ামের প্রেসিডেন্ট বশির ইবনে জাফরের সভাপতিত্বে এবং কিফায়াতুল্লাহ বিন সাইফের সঞ্চালনায় আয়োজিত পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “বিয়ামের আয়োজনে আজ শুধু ফাইনাল ম্যাচটি দেখার সুযোগ হয়েছে এবং ম্যাচটি আমার খুব ভালো লেগেছে। আমি চাই বাংলাদেশি ইয়ুথ অ্যালায়েন্স মালয়েশিয়া ভবিষ্যতেও এমন বড় পরিসরের আয়োজন করুক, সেখানে আমিও অংশ নিতে চাই।”
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক মাহবুব আলম শাহ, অবসরপ্রাপ্ত মেজর শামিম আল হাসান সারওয়ার, ইজ্জান গ্লোবাল ও টিএস ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তোফায়েল আহমেদ, ইয়ুথ হাব ফাউন্ডেশনের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও মহাসচিব পাভেল সারওয়ার, বিয়ামের উপদেষ্টা এমডি খাইরুজ্জামান ও মারশাদ ফুডের ডিজিটাল মার্কেটিং নির্বাহী।
এ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন টুর্নামেন্টের ডিরেক্টর ও বিয়ামের সেক্রেটারি জেনারেল এমডি রফিকুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট উসামা বিন আব্দুল বারী, সহকারী সাধারণ সম্পাদক তৌফিকুর রহমান মাহফুজ, ইউনিভার্সিটি পুত্রা মালয়েশিয়া বাংলাদেশি কমিউনিটির উপদেষ্টা আশিবুর হাসনাত সাদি, বিয়াম সিটি ইউনিভার্সিটি চ্যাপ্টারের সভাপতি মোহাইমিনুল ইসলাম রাতুল, ভাইস প্রেসিডেন্ট নিবিড় রাশেদ, সহ পরিচালক তামিম, বাংলাদেশি স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন মালয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট আসাদুল্লাহ গালিব রাব্বি, প্রেস ক্লাবের সদস্যবৃন্দ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
টুর্নামেন্ট ডিরেক্টর এমডি রফিকুল ইসলামের নেতৃত্ব ও সংগঠনিক দক্ষতা, পাশাপাশি বিয়ামের সকল চ্যাপ্টারের অক্লান্ত পরিশ্রম ও সম্মিলিত প্রচেষ্টাই এই আন্তর্জাতিক মানের আয়োজনের মূল চালিকাশক্তি ছিল।
টুর্নামেন্টটির পৃষ্ঠপোষকতায় ছিল উচ্চশিক্ষা ও ভ্রমণবিষয়ক পরামর্শ সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান টিএস ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস।
সেমিনারের সভা প্রধান আইনজীবী সিরাজুল হক বলেন অতীতের এই অভিজ্ঞতাগুলো একটি মৌলিক প্রশ্ন উত্থাপন করে। সংবিধান অনুযায়ী শাসন আইন দ্বারা পরিচালিত হয়, নাকি রাজনৈতিক প্রয়োজনীয়তার নামে পরে আইনি আকারে সাজানো হয় তা জনগণের কাছে প্রশ্ন।
অস্ট্রেলিয়া ফিজি থেকে প্রচুর লোক নেয়, যারা বছরের একটি নির্দিষ্ট সময় কাজ করে দেশে ফিরে যান। বাংলাদেশের সঙ্গেও এরকম একটি চুক্তি হয়েছিল ২০০৩ সালে। সেই চুক্তির অধীনে বাংলাদেশ থেকে লোকজনও এসেছিল। কিন্তু তারা আর ফিরে যাননি। এ কারণে অস্ট্রেলীয় সরকার চুক্তিটি বাতিল করে দিয়েছে।
আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা জ্ঞাপন করেন। আলোচনায় দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।

আমাদের শিক্ষার্থী যারা আইজিসিএসই পরীক্ষায় টপ ইন দ্য ওয়ার্ল্ড হবে তাদের ৭৫ শতাংশ, যারা টপ ইন দ্য কান্ট্রি হবে তাদের ৫০ শতাংশ এবং যারা টপ ইন দ্য রিজিওন হবে তাদের ২৫ শতাংশ স্কলারশিপ স্কুল থেকে আমরা পরবর্তী এএস বা এ লেভেলের জন্য প্রোভাইট করব। এবারে যারা এই রেজাল্ট করেছে তাদের জন্যও এটা প্রযোজ্য হবে।
৭ দিন আগে