নরসিংদী জেলা দলের সমর্থকদের হতাশ করে ২০ রানের ব্যবধানে জয় তুলে নেয় কুমিল্লা। এই নিয়ে মালয়েশিয়ায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ জেলা চ্যাম্পিয়ন ট্রপিতে টানা দ্বিতীবারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছে কুমিল্লা জেলার প্রবাসীদের দল 'কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স'।
আক্তারুজ্জামান বাচ্চু এমপি তার বক্তব্যে প্রবাসীদের প্রশংসা করে বলেন, “প্রবাসীরাই বাংলাদেশের অর্থনীতির চালিকা শক্তি, প্রবাসীরাই প্রকৃত দেশপ্রেমী।”
মেজবান রেস্টুরেন্টে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে প্রায় ৫০০ মানুষের সমাগম হয়। উপস্থিত সবাইকে ঈদুল আজহায় বাংলাদেশের ঐতিহ্য হিসেবে মন ভরে রুটি-মাংস দিয়ে আপ্যায়ন করানো হয়।
কষ্টটা নানা ধরনের। অন্য কষ্ট চাপিয়ে সবচেয়ে বড় এক কষ্টের নাম—পরিবার-পরিজন ছাড়া প্রবাসে ঈদ উদ্যাপন।
উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
ইরফানুল হক মাইজভান্ডারী বলেন, “ইসলামের মূল বক্তব্য হলো ভালো মানুষ হওয়া, পরিপূর্ণ মানুষ হওয়া। বর্তমান সংঘাতময় বিশ্বে প্রগতিশীল, শান্তিময়, ও মানবিক বিশ্ব গড়তে হলে ভালো মানুষ হওয়া জরুরি। ইসলামের আধ্যাত্মিক চর্চার মাধ্যমে আত্মার পরিশুদ্ধি তথা ভালো মানুষ হওয়া সম্ভব।"
বাংলাদেশ হাইকমিশনের বুথ পরিদর্শনকালে উপমন্ত্রী দাতো হাজা হানিফা হাজার তৈয়ব বাংলাদেশের ঔষধশিল্পের অগ্রগতির প্রশংসা করেন। তিনি প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ হাইকমিশনকে ধন্যবাদ জানান।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
আয়োজকেরা জানান, বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলবে এই জমকালো অনুষ্ঠান। এমএস গোল্ড প্রেজেন্টস সোনালী সন্ধ্যা পাওয়ারড বাই সোনালী জুয়েলস' শিরোনামে আয়োজিত এই কনসার্টে এক মঞ্চে মিলবে গান, নাচ ও লাইভ ডিজে পারফরমেন্সের এক অনন্য সমন্বয়।
অনুষ্ঠানে আব্দুল মুকিত মজুমদারকে বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার পক্ষ থেকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে সংবর্ধনা প্রদান করেন প্রবাসী সাংবাদিকেরা।
সোমবার আনুমানিক দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে কুয়ালালামপুরের বাংলাদেশ হাইকমিশনের কনস্যুলার সেবা এলাকায় অসুস্থ ওই প্রবাসী মারা যান।
বৈঠকে তারা শ্রম সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা এবং শ্রমিক শোষণ রোধে একটি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন ও কার্যকর নিয়োগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়ে তাদের যৌথ অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
আলোচনায় বক্তারা, একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং বীর যোদ্ধাদের অবদান কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন।
আলোচনা পর্বে হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেন, “মহান স্বাধীনতা অর্জনের পেছনে আমাদের বীর শহীদদের আত্মত্যাগ জাতির ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাদের এই আত্মত্যাগ আমাদের জন্য প্রেরণার উৎস এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সর্ববৃহৎ ও সর্বজনীন সংগঠন হিসেবে বিএসওএম এই আয়োজনের মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মাঝে সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ববোধ ও ঐক্যের বার্তা পৌঁছে দেয়।
মাহফিলে সেনেগালে অনুষ্ঠিত ১১তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কোরআন প্রতিযোগিতা ২০২৪–এর আসরে প্রথম স্থান অর্জনকারী হাফেজ আবু রায়হান কোরআন তিলওয়াত করেন।
ইফতার পূর্ব সভায় সভাপতি ইসকান্দর মনি চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার উদ্যোগে গত বছরে সম্পন্ন করা প্রবাসীদের কল্যাণে ও মানবসেবামূলক কার্যক্রমগুলো তুলে ধরেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মো. সিদ্দিকুর রহমান বিডি এক্সপ্যাটের কার্যক্রমের প্রশংসা করে ভবিষ্যতে সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে হাইকমিশনের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
ইমিগ্রেশন বিভাগের উপ-মহাপরিচালক (অপারেশনস) দাতুক লোকমান এফেন্দি রামলি জানান, আটককৃতদের বয়স ২৪ থেকে ৫১ বছর বয়সী। তাদের মধ্যে ৬ জন ডাক্তার সেজে অভিবাসী সম্প্রদায়ের লোকদের চিকিৎসা দিচ্ছিল।

উদ্যোক্তা হেলাল উদ্দিন বলেন, "কুয়ালালামপুরের এই হাংতুয়া এলাকায় কয়েক হাজার বাংলাদেশি বসবাস করেন। প্রবাসীদের দেশি খাবারের আসল স্বাদ দেওয়ার জন্য আমরা মেজবান রেস্টুরেন্ট করেছি। যেহেতু এখানে বসবাসরত বাংলাদেশির মধ্যে অর্ধেকের বেশি চট্টগ্রামের মানুষ। তাই আমরা চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী নানা খাবারও পরিবেশন করব।
২৬ মে ২০২৬