
রফিক আহমদ খান, মালয়েশিয়া

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব বিডিএফসি মালয়েশিয়ার আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষকদের সম্মানে কুয়ালালামপুরের সউকিটে অসটো হোটেলের হলরুম গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।

আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন বিডিএফসি মালয়েশিয়ার সভাপতি হাজী আব্দুল মবিন ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি মালায়ার প্রফেসর দাতো আলিস আব্দুল্ল, জাতীয়তাবাদী যুবদলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, "আমি বসে বসে ভাবছিলাম রোজার সাথে খেলাধুলার সম্পর্ক কী? পরে ভাবলাম, রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।

ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরণ, চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ, ব্যবসায়ী রাসেল রানা, বাংলাদেশি প্রবাসী উন্নয়ন সংস্থা মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান সোহেল রানা, বিডিএফসির সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আজগর আলী মিলন, মো. সোহাগ আহমেদ, মো. মিজানুর রহমান, বিডিএফসির প্রতিষ্ঠাতা মো. ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অপু রায়হান, টিম ম্যানেজার জাহিদ খান ও বাপ্পী কুমার দাস।


আলোচনা সভা শেষে ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার এমফিল গবেষক ও ইসলামিক বক্তা মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী। মোনাজাতে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব বিডিএফসি মালয়েশিয়ার আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রবাসী বাংলাদেশি খেলোয়াড়, ক্রীড়া সংগঠক ও পৃষ্ঠপোষকদের সম্মানে কুয়ালালামপুরের সউকিটে অসটো হোটেলের হলরুম গত মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) সন্ধ্যায় এই ইফতার মাহফিল আয়োজন করা হয়।

আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন বিডিএফসি মালয়েশিয়ার সভাপতি হাজী আব্দুল মবিন ভূঁইয়া।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রথম সচিব (প্রেস) মো. তরিকুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউনিভার্সিটি মালায়ার প্রফেসর দাতো আলিস আব্দুল্ল, জাতীয়তাবাদী যুবদলের মালয়েশিয়া শাখার সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. সাইফুদ্দিন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, "আমি বসে বসে ভাবছিলাম রোজার সাথে খেলাধুলার সম্পর্ক কী? পরে ভাবলাম, রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।

ইফতার মাহফিলে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কমিউনিটি প্রেস ক্লাব মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক জহিরুল ইসলাম হিরণ, চট্টগ্রাম সমিতি মালয়েশিয়ার সাধারণ সম্পাদক সাদেক উল্লাহ, ব্যবসায়ী রাসেল রানা, বাংলাদেশি প্রবাসী উন্নয়ন সংস্থা মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান সোহেল রানা, বিডিএফসির সিনিয়র সহসভাপতি মো. রাফিজ রহমান রাসেল, আজগর আলী মিলন, মো. সোহাগ আহমেদ, মো. মিজানুর রহমান, বিডিএফসির প্রতিষ্ঠাতা মো. ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক শাহজাহান আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক অপু রায়হান, টিম ম্যানেজার জাহিদ খান ও বাপ্পী কুমার দাস।


আলোচনা সভা শেষে ইফতার মাহফিলে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় মালয়েশিয়ার এমফিল গবেষক ও ইসলামিক বক্তা মাওলানা আবদুল মোস্তফা রহিম আজহারী। মোনাজাতে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশি ও মুসলিম উম্মাহর জন্য দোয়া করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “রোজা যেমন মানুষের শরীরের জন্য মঙ্গলজনক, খেলাধুলাও শরীর-স্বাস্থ্য ও মন ভালো রাখে।" তিনি মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি ফুটবল ক্লাব গঠন করায় সংগঠক ও খেলোয়াড়দের প্রশংসা করেন।
আয়োজক শিক্ষার্থীরা জানান, এ ধরনের আয়োজন প্রবাসে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একাত্মতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী বলেন, শক্তিশালী কমিউনিটি বিনির্মাণে জীবনের এমন উদ্যোগ মাইলফলক হয়ে থাকবে এবং কমিউনিটির সম্প্রীতির বন্ধনকে আরও মজবুত করে তুলবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ইফতার করেন এবং পবিত্র রমজানের শিক্ষা ও তাৎপর্য নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন। এই ইফতার মাহফিল মিলডুরায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ ও সম্প্রীতি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।