
মাহবুব সরকার, আবুধাবি থেকে

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে দূতাবাসের কনফারেন্স হলরুমে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে শ্রম কাউন্সেলর লুৎফুন নাহার নাজীমের উপস্থাপনায় প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ উল্লাহ খান। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) তৌহিদ ঈমাম।

বক্তব্য দেন মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু, বাংলাদেশ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম তালুকদার, বাংলাদেশ বিমানের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ এশিয়া জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী সভাপতি কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, আবুধাবির রাবদান একাডেমির শিক্ষক ইদ্রিছ আলম, আবুধাবির শেখ জায়েদ বাংলাদেশ স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল গণি প্রমুখ।

রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এ জাতির ওপর যাতে আর কোনো কালরাতের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে ১২ লাখ প্রবাসীকে একেকজন অ্যাম্বাসেডর হয়ে দেশের পক্ষে কাজ করে যেতে হবে। প্রবাসের আইন-কানুন মেনে চলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সকল ভয়ভীতি পরিহার করে দূতাবাস এবং প্রবাসীদের মধ্যে অদৃশ্যের দেয়াল ভেঙে দেশের জন্য এক সাথে কাজ করতে হবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবিতে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে দূতাবাসের কনফারেন্স হলরুমে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন সংযুক্ত আরব আমিরাতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে শ্রম কাউন্সেলর লুৎফুন নাহার নাজীমের উপস্থাপনায় প্রধান উপদেষ্টার বাণী পাঠ করেন কাউন্সেলর (শ্রম) মুহাম্মদ উল্লাহ খান। মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন কাউন্সেলর (পলিটিক্যাল) তৌহিদ ঈমাম।

বক্তব্য দেন মিশন উপপ্রধান শাহনাজ আক্তার রানু, বাংলাদেশ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম তালুকদার, বাংলাদেশ বিমানের আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক শাহাদাত হোসেন, দক্ষিণ এশিয়া জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক সাংবাদিক ফোরামের নির্বাহী সভাপতি কেরামত উল্লাহ বিপ্লব, আবুধাবির রাবদান একাডেমির শিক্ষক ইদ্রিছ আলম, আবুধাবির শেখ জায়েদ বাংলাদেশ স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক আব্দুল গণি প্রমুখ।

রাষ্ট্রদূত তারেক আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে এ জাতির ওপর যাতে আর কোনো কালরাতের পুনরাবৃত্তি না ঘটে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। দেশকে এগিয়ে নিতে ১২ লাখ প্রবাসীকে একেকজন অ্যাম্বাসেডর হয়ে দেশের পক্ষে কাজ করে যেতে হবে। প্রবাসের আইন-কানুন মেনে চলে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, সকল ভয়ভীতি পরিহার করে দূতাবাস এবং প্রবাসীদের মধ্যে অদৃশ্যের দেয়াল ভেঙে দেশের জন্য এক সাথে কাজ করতে হবে।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ১৯ জুন (শুক্রবার) বর্ণাঢ্য নোয়াখালী উৎসব উদ্যাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় ব্যবসায়ীরা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, গুণগত মান বজায় রেখে সরবরাহ চেইন আধুনিকায়ন করা গেলে সৌদি বাজারে বাংলাদেশি পণ্য আরও প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত জিয়াউল কবির সুমন তার বক্তব্যে প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি অবিহিত করে তাদের সকল সমস্যা, সাফল্য ও সম্ভাবনার সংবাদগুলো গুরুত্ব সহকারে বেশি বেশি তুলে ধরতে প্রবাসী সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।
শাহেদা ওবায়েদ তার মূল প্রবন্ধে দেশের শিক্ষাখাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ,সম্ভাবনা এবং টেকসই উন্নয়নের কৌশল তুলে ধরেন। বিশেষভাবে তিনি শিক্ষা ব্যবস্থার পাশাপাশি শিক্ষা, সংস্কৃতি ও খেলাধুলাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।