
বিডিজেন ডেস্ক

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের উদ্যোগে এক সংসদীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘বাং‘লাদেশ অ্যাট এ ক্রসরোডস: এইটিন মান্থ অব ইন্টেরিম গভর্মেন্ট অ্যান্ড ইলেকশনস’ শীর্ষক এই সংসদীয় আলোচনা গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হাউস অব কমন্সের ১৮ নম্বর কমিটি রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
এতে পার্লামেন্ট সদস্যবৃন্দ, হাউস অব লন্ডসের সদস্য, নীতিনির্ধারণী বিশেষজ্ঞ এবং আন্তজাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।
আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যান। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড রামি রেঞ্জার এবং ব্যারোনেস বেনেট অব ম্যানর ক্যাসেল।
আলোচনার সময় একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং নির্বাচনী সততা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ার বব ব্ল্যাকম্যান এমপি বলেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এবং দলটির নিবন্ধন স্থগিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময় মানবাধিকার পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, নারী ও শিশুদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ বা ভোটকেন্দ্র যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

লর্ড রামি রেঞ্জার বলেন, নাগরিকদের পছন্দের প্রাথীর পক্ষে ভোটদান থেকে বিরত রাখা গণতান্ত্রিক নীতিমালার পরিপন্থী এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত। তিনি মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি সারসংক্ষেপ তুলে ধরে অভিযোগ করেন, ১২৪ জন সংসদ সদস্যসহ হাজারো রাজনৈতিক কর্মীকে দীর্ঘ সময় ধরে বিচার ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানান।
ক্রিস ব্ল্যাকবার্নের সঞ্চালনায় অন্য আমন্ত্রিত বক্তাদের মধ্যে ব্যারিস্টার এস. এম. রেজাউল করিম, কাউন্সিলর পুষ্পিতা দাশগুপ্ত, বদরুল আহসান, ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর, প্রসান্ত পুরকায়স্থ, আবদুল ওয়াদুদ দারা, দেওয়ান গাউস সুলতান, রাজীব পারভেজ এবং ব্যারিস্টার মো. মনিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
তারা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক সংলাপ, আইনের শাসন এবং বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তজাতিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

ব্রিটিশ পার্লামেন্ট হাউস অব কমন্সে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের উদ্যোগে এক সংসদীয় আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‘বাং‘লাদেশ অ্যাট এ ক্রসরোডস: এইটিন মান্থ অব ইন্টেরিম গভর্মেন্ট অ্যান্ড ইলেকশনস’ শীর্ষক এই সংসদীয় আলোচনা গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) হাউস অব কমন্সের ১৮ নম্বর কমিটি রুমে অনুষ্ঠিত হয়।
গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।
এতে পার্লামেন্ট সদস্যবৃন্দ, হাউস অব লন্ডসের সদস্য, নীতিনির্ধারণী বিশেষজ্ঞ এবং আন্তজাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনায় বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল রাজনৈতিক ও মানবাধিকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।
আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন সংসদ সদস্য বব ব্ল্যাকম্যান। বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লর্ড রামি রেঞ্জার এবং ব্যারোনেস বেনেট অব ম্যানর ক্যাসেল।
আলোচনার সময় একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়, যেখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং নির্বাচনী সততা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়।
উদ্বোধনী বক্তব্যে চেয়ার বব ব্ল্যাকম্যান এমপি বলেন, অধ্যাদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা এবং দলটির নিবন্ধন স্থগিত করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, অন্তবর্তী সরকারের সময় মানবাধিকার পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য অবনতি ঘটেছে বলে তিনি মনে করেন। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, নারী ও শিশুদের ওপর নিপীড়নের অভিযোগের পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের ভোট দিতে চাপ প্রয়োগ বা ভোটকেন্দ্র যেতে বাধা দেওয়ার অভিযোগের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।

লর্ড রামি রেঞ্জার বলেন, নাগরিকদের পছন্দের প্রাথীর পক্ষে ভোটদান থেকে বিরত রাখা গণতান্ত্রিক নীতিমালার পরিপন্থী এবং নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা দুর্বল করে।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্ন্যান্সের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত। তিনি মানবাধিকার পরিস্থিতির একটি সারসংক্ষেপ তুলে ধরে অভিযোগ করেন, ১২৪ জন সংসদ সদস্যসহ হাজারো রাজনৈতিক কর্মীকে দীর্ঘ সময় ধরে বিচার ছাড়াই আটক রাখা হয়েছে এবং তাদের জামিন দেওয়া হচ্ছে না।
তিনি আরও দাবি করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো রাজনৈতিক প্রভাবের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে।
তিনি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় আটক ব্যক্তিদের অবিলম্বে মুক্তির আহ্বান জানান।
ক্রিস ব্ল্যাকবার্নের সঞ্চালনায় অন্য আমন্ত্রিত বক্তাদের মধ্যে ব্যারিস্টার এস. এম. রেজাউল করিম, কাউন্সিলর পুষ্পিতা দাশগুপ্ত, বদরুল আহসান, ব্যারিস্টার তানিয়া আমীর, প্রসান্ত পুরকায়স্থ, আবদুল ওয়াদুদ দারা, দেওয়ান গাউস সুলতান, রাজীব পারভেজ এবং ব্যারিস্টার মো. মনিরুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
তারা গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাজনৈতিক সংলাপ, আইনের শাসন এবং বাংলাদেশকে ঘিরে আন্তজাতিক সম্পৃক্ততা বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
প্রেস ক্লাবের সদস্য সচিব একাত্তর টিভির মালয়েশিয়া প্রতিনিধি মোস্তফা ইমরান রাজুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত সদস্যরা তাদের মতামত জানিয়ে বক্তব্য দেন। সভায় আলোচনার ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে বায়ান্ন নিউজের প্রতিনিধি আমিনুল ইসলাম রতনকে সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ওয়াইটিবির বৃত্তি ও সহযোগিতার প্রশংসা করেন এবং জানান যে, বাংলাদেশ থেকে যোগ্য ও মেধাবী শিক্ষার্থী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা প্রয়োজন হলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সহায়তা প্রদান করতে পারে।
প্রস্তাবিত বাজেট বৈষম্যহীন আঞ্চলিক উন্নয়নের সমতাভিত্তিক বাজেট উল্লেখ করে রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ‘আই হ্যাভ আ প্ল্যান’ মানে বাস্তবভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্ল্যান। এর মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের সব মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন করতে চান এবং তা শুরু করেছেন।
গণশুনানিতে যোগদানের জন্য দূতাবাসের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সকল প্রবাসীকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। বাহরাইনে বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত শতাধিক প্রবাসী এই অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যোগদান করেন। অনুষ্ঠানে প্রবাসীরা দূতাবাসের রাষ্ট্রদূতের কাছে সরাসরি তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন।